
ইয়ার রহমান আনানঃকক্সবাজার ব্যুরোআদালত প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন, বিচারককে পিস্তল দেখিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগ, আদালত চত্বরে গোলাগুলি, হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে বিতর্ক এবং প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাংবাদিককে হুমকি—একের পর এক ঘটনায় কক্সবাজারের সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশাপাশি আইনজীবী, সাংবাদিক ও পুলিশ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তার মধ্যেও পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের কার্যক্রমে নানা দুর্বলতা দেখা যাচ্ছে।জেলা পুলিশের নিজস্ব পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সাত মাসে কক্সবাজার জেলায় ৮৮টি হত্যাকাণ্ড, ১২৭টি ধর্ষণ এবং ২৯৭টি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে দেড় শতাধিক মামলা হয়েছে। চলতি আগস্ট মাসেও জেলায় অন্তত দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এসব পরিসংখ্যানকে কেন্দ্র করে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।স্থানীয় আইনজীবী, সাংবাদিক এবং পুলিশ বিভাগের ভেতরের একাধিক সূত্রের ভাষ্য, স্বাধীনতার পর গত পাঁচ দশকে কক্সবাজারের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এতটা নাজুক অবস্থায় আর কখনো পড়েনি। তাদের অভিযোগের বড় একটি অংশের কেন্দ্রে রয়েছে জেলা পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমানের নেতৃত্ব, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধরন এবং মাঠপর্যায়ে পুলিশিংয়ের কার্যকারিতা।গত ৩০ নভেম্বর কক্সবাজার আদালত প্রাঙ্গণে এক যুবক পিস্তল প্রদর্শন করে জেলা জজ পদমর্যাদার একজন বিচারককে ভয় দেখিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত আরও দুই বিচারক বিষয়টি তৎকালীন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছমিউদ্দীনকে জানান এবং আদালত প্রাঙ্গণের সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। বিষয়টি পুলিশ সুপারকেও জানানো হয়েছিল। তবে ভুক্তভোগী বিচারকের অভিযোগ, ঘটনার পর দীর্ঘ সময় পার হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।এ ঘটনার পর আদালতের নিরাপত্তা নিয়ে বিচারকদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বাড়ে। নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি উল্লেখ করে জানুয়ারির শুরুতে একাধিক বিচারক পুলিশ সুপারের কাছে ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য গানম্যান চেয়ে লিখিত আবেদন করেন বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই আবেদনেরও কার্যকর কোনো জবাব পাওয়া যায়নি এবং সংশ্লিষ্ট বিচারকদের নিরাপত্তায় গানম্যানও দেওয়া হয়নি।এর মধ্যেই গত ২৪ মে দুপুরে কক্সবাজার আদালত চত্বরে প্রকাশ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুজন আহত হন বলে জানা গেছে। আদালতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও নিরাপত্তাসংবেদনশীল এলাকায় এমন ঘটনায় বিচারক, আইনজীবী, আদালতকর্মী এবং বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আবদুল মন্নান বলেন, স্বাধীনতার পর কক্সবাজারে আইনশৃঙ্খলার এমন ভয়াবহ অবনতি তিনি আর দেখেননি। আদালত চত্বরে গোলাগুলি এবং বিচারকদের অস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগকে তিনি অত্যন্ত উদ্বেগজনক হিসেবে উল্লেখ করেন। তার মতে, উখিয়া ও টেকনাফের অনেক এলাকায় সন্ধ্যা নামার আগেই অপরাধীদের ভয়ে নীরবতা নেমে আসে। সীমান্তবর্তী ও পর্যটননির্ভর গুরুত্বপূর্ণ জেলা কক্সবাজারে দক্ষ ও অভিজ্ঞ পুলিশ কর্মকর্তাদের জরুরি ভিত্তিতে পদায়ন করা প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।গত ২৪ মার্চ রাতে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ছুরিকাঘাতে নিহত হন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক খোরশেদ আলম। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, তার সঙ্গে থাকা তারিনের ব্যাগ থেকেই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছিল এবং এর আগে তারিন তাকে হুমকিও দিয়েছিলেন। ঘটনার পর তারিনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হলেও পরদিন ২৫ মার্চ, খোরশেদের জানাজা চলাকালীন পুলিশ সুপার সংবাদ সম্মেলন করেন। পরিবারের অভিযোগ, মামলা দায়ের ও তদন্তের আগেই ওই সংবাদ সম্মেলনে তারিনকে নির্দোষ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। একইসঙ্গে খোরশেদের কাকা তারেককে হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা হিসেবে দাবি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।পরবর্তীতে তারেকের অবস্থানসংক্রান্ত সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এলে পুলিশের ওই দাবি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। খোরশেদের পরিবারের অভিযোগ, তারিনকে মামলায় আসামি না করে সাক্ষী করা হয়েছে এবং প্রকৃত সন্দেহভাজনদের বাদ দিয়ে ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, পুলিশ সুপারের কড়া আপত্তির কারণে তারিনকে জিজ্ঞাসাবাদ কিংবা তাকে ঘিরে প্রয়োজনীয় অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। ফলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকার পরও পুলিশ কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি বলে ওই সূত্রের দাবি। উপকমিটি গঠনের কারণেও মামলার মূল তদন্ত বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। ছাত্রদল ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের দাবি উঠলেও পুলিশ ব্যবস্থা নেয়নি—এমন অভিযোগও রয়েছে। পরে মামলার বাদী নাওশাদ হোসেন আদালতের মাধ্যমে মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন বা পিবিআইয়ে স্থানান্তর করেন। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, তারিন বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন।অন্যদিকে গত ২২ এপ্রিল খুরুশকুলে মন্দিরের সেবায়েত নয়ন সাধুকে হত্যার পর মরদেহ গাছে ঝুলিয়ে রাখার ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ক্লুলেস হিসেবে বিবেচিত এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করেন সাংবাদিক অন্তর দে বিশাল। তার প্রতিবেদনের সূত্র ধরে আবদুর রহিম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে গ্রেপ্তার ও তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে ফলোআপ প্রতিবেদন প্রকাশ করেন ওই সাংবাদিক।
অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাংবাদিক অন্তর দে বিশালের কাছে হুমকি আসে। সংবাদ মুছে না ফেললে তাকে ওই হত্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে তার অভিযোগ। অন্তর দে-এর দাবি, পুলিশ সুপারের ঘনিষ্ঠ এলআইসি সদস্য সোহেল তাকে এ ধরনের হুমকি দিয়েছেন। তবে সোহেল অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন। বিষয়টি পুলিশ সুপারকে জানানো হলে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে উল্টো তাকে প্রশ্ন করা হয়, ‘আপনাকে নিউজ করতে কে বলছে?’ এমনকি সাধারণ ডায়েরি না করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন অন্তর দে। পরে দ্বিতীয় দফায় হুমকি পাওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রতিবাদের মুখে সদর থানা জিডি গ্রহণ করে বলে জানা গেছে।সাংবাদিক অন্তর দে বলেন, জিডি তদন্ত করতে হবে না—এমন অবস্থান কীভাবে নেওয়া হয়, তা তিনি বুঝতে পারছেন না। তিনি প্রশ্ন তোলেন, পুলিশ সুপার কি তার কোনো বড় ধরনের ক্ষতির অপেক্ষায় ছিলেন? ঘটনার প্রতিবাদে সাংবাদিকরা মানববন্ধন করেন। পূজা উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকেও জড়িতদের বিচারের দাবি জানানো হয়। পরে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজলের হস্তক্ষেপে আন্দোলন থামলেও অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।এদিকে রামু থানা পুলিশের বিরুদ্ধে একটি বড় ইয়াবা চালান আত্মসাতের অভিযোগ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগের বিষয়ে তথ্য-প্রমাণসহ বক্তব্য জানতে চাইলে জাতীয় দৈনিকের সাংবাদিক শাহেদ ফেরদৌস হিরুকে পুলিশ সুপার পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘ইয়াবা নিয়ে সাংবাদিকদের এত আগ্রহ কেন?’ সাংবাদিক শাহেদ ফেরদৌস হিরুর অভিযোগ, পুলিশের বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য দেওয়ার পরও অধিকাংশ ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পুলিশ সুপারের ব্যর্থতা, অদক্ষতা এবং পক্ষপাতমূলক আচরণকেই এর জন্য দায়ী করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন তদন্ত ছাড়া এগুলোকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকেও পুলিশ সুপারের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষের অভিযোগ উঠেছে। কমিটির একাধিক সদস্যের দাবি, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে কেউ বক্তব্য শুরু করলে পুলিশ সুপার অনেক সময় মাঝপথে তাকে থামিয়ে নিজেই কথা বলা শুরু করেন। এতে সভায় উপস্থিত সদস্যদের মুক্তভাবে মতামত প্রকাশের পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে বলে তাদের অভিযোগ। স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সভা চলাকালে পুলিশ সুপারের মুঠোফোনে কথা বলা কিংবা কখনো উচ্চস্বরে কথা বলার বিষয়টিও উপস্থিতদের মধ্যে বিরক্তির সৃষ্টি করেছে বলে দাবি করা হয়। সম্প্রতি এক বৈঠকে এমন আচরণের প্রকাশ্য প্রতিবাদ জানান কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ ফরিদ।নাম প্রকাশ না করার শর্তে আইনশৃঙ্খলা কমিটির একজন সদস্য বলেন, যার নিজের মধ্যেই ন্যূনতম শৃঙ্খলা নেই, তিনি কীভাবে একটি জেলার পুলিশ বাহিনীকে শৃঙ্খলার সঙ্গে পরিচালনা করবেন—এ প্রশ্ন এখন অনেকের মধ্যেই তৈরি হয়েছে।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রভাব জেলা পুলিশের অভ্যন্তরেও পড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। অন্তত ৩৫ জন পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের একটি অংশ জেলার বর্তমান পরিস্থিতির জন্য পুলিশ সুপারের হঠকারী সিদ্ধান্ত, অদক্ষতা এবং দুর্বল পুলিশিংকে দায়ী করছেন। তবে পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে দেওয়া এসব বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।সম্প্রতি গোপন তথ্য ফাঁসের অভিযোগে কক্সবাজার জেলা পুলিশের ১০১ সদস্যকে বদলি করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। বদলি হওয়া সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ৭ জন ইন্সপেক্টর, ৩৬ জন এসআই, ২৪ জন এএসআই এবং ৩৪ জন কনস্টেবল। সূত্রের দাবি, বদলি হওয়া সদস্যদের প্রায় ৯৫ শতাংশই চট্টগ্রাম অঞ্চলের। অভিযোগ উঠেছে, দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারে কর্মরত অভিজ্ঞ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের সরিয়ে অপেক্ষাকৃত কম অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে জেলার অপরাধপ্রবণ এলাকা, অপরাধীদের গতিবিধি এবং স্থানীয় অপরাধচক্র সম্পর্কে অভিজ্ঞতা থাকা কর্মকর্তাদের সরিয়ে নেওয়ায় মাঠপর্যায়ের পুলিশিং দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কেউ কেউ।পুলিশ বিভাগের ভেতরে আরও অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ সুপারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করাই অনেকের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। বদলির পাশাপাশি এসিআর ও সার্ভিস বুকে বিরূপ মন্তব্যের আশঙ্কাও কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এত অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমানের বক্তব্য তুলনামূলক সংক্ষিপ্ত। তিনি বলেন, সারাদেশে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৩০০টি হত্যাকাণ্ড হয়। এর মধ্যে কক্সবাজারে মাসে ১৫ থেকে ২০টি হত্যাকাণ্ড নতুন কোনো বিষয় নয়; আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। তার দাবি, এসব হত্যাকাণ্ডের বড় একটি অংশ পরকীয়া ও পারিবারিক বিরোধের কারণে ঘটে এবং সংশ্লিষ্টদের ইতোমধ্যে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় পুলিশ সুপার কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘আমি তো অথর্ব এসপি। আপনাদের প্রিয় এসপি যখন ছিল, তখনো মার্ডার এমন হতো।’ এরপর তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন বলে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের দাবি।





























