
শেরপুর প্রতিনিধি :
শেরপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে রাতের আঁধারে বসতবাড়িতে প্রতিপক্ষের হামলা ও অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই বাড়ি পড়ে ছাই হয়ে গেছে। এসময় প্রতিপক্ষের হামলায় ভাসানী, বিমলা ও মিনাল নামে তিন জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।
গত ২৮ জুন শনিবার রাত ১১ টার দিকে সদর উপজেলার চরপক্ষীমারি ইউনিয়নের খাসপাড়া মরাকান্দি গ্রামের বিজিবি সদস্য বিল্লাল হোসেনের বসত বাড়িতে প্রতিপক্ষরা হামলা ও অগ্নি সংযোগ করে। এতে করে ওই বিজিবি সদস্যের বসতবাড়ি পুড়ে ভষ্মীভূত হয়ে যায়। এঘটনায় ভুক্তভোগী বিজিবি সদস্যের বাবা ভাসানী বাদি হয়ে বাচ্চু মিয়া, খোদেজা বেগম গংদের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগী ভাসানী বলেন , ঘটনার সময় রাতে আমি পাশ্ববর্তী শিমুলতলী বাজারে চা খেতে গেলে, আমার বসতবাড়িতে আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত বাড়ি ফিরে আসা মাত্রই বাচ্চু মিয়া, তার স্ত্রী খোদেজা বেগম, মাদক ব্যবসায়ী ভানুমিয়া সহ আরও কয়েকজন মিলে আমাকে মেরে ফেলতে মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে। এতে আমি মাথা সরিয়ে নিলে কোন রকম জানে বাঁচি। পরে তারা আমাকে আগুন নেভানোর জন্য বাঁধা দেয়। এতে আমার বাড়ির আসবাব পত্র, টিভি ফ্রিজ সহ ৮ লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে গেছে। এখন আমি হাসপাতালে ভর্তি আছি। আমি বাড়ি ফিরলে হুমকি দিচ্ছে মেরে ফেলবে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।"
ভুক্তভোগী বিজিবি সদস্য বিল্লাল হোসেন মুঠোফোনে এক ভিডিওবার্তায় জানান,আমি বর্তমানে আলী কদম ৫৭ ব্যাটালিয়ান বিজিবি তে কর্মরত আছি। এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ভানু মিয়া, সন্ত্রাসী বাচ্চু মিয়া তার স্ত্রী সহ তার বাপের বাড়ির লোকজন আমার বসতবাড়িতে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এবং আমার বাবা মাকে হত্যার জন্য দেশীয় অস্ত্র যোগে হামলা চালায়। আমি আলীকদম থাকা সত্ত্বেও আমার নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। আমি আর সুষ্ঠতদন্ত পূর্বক বিচার দাবি করছি। "
এব্যাপারে, অভিযুক্ত বাচ্চু মিয়ার সাথে ফোনে কথা বললে, তিনি বলেন আমি ইটভাটার কাজে বক্সীগঞ্জ আছি। এঘটনায় আমি জড়িত নই।কিন্তু ভিডিও ফুটেজে বাচ্চু মিয়াকে হামলার নির্দেশ দিতে দেখা যায়।
বিষয়টি নিয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই খালেক এর সাথে কথা বললে, এব্যাপারে আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ বলা যাবে।





























