
শেরপুর প্রতিনিধি :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাইভেট কার নিয়ে গিয়ে খুনের শিকার শেরপুরের মোহাম্মদ আলী। নিহত মোহাম্মদ আলী (৪২) শেরপুর সদর উপজেলার কুমরী কৃষ্ণপুর এলাকার আ: খালেকের পুত্র ছিলেন। তিনি স্ত্রী সন্তান নিয়ে রাজধানী ঢাকার উত্তরায় বসবাস করতেন।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মোহাম্মদ আলী ৩ জানুয়ারি শনিবার রাতে তার প্রাইভেটকার নিয়ে যাত্রী তুলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ এলাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়ার পর তার সাথে ফোনে যোগাযোগ করা যাচ্ছিলো না। পরে ৪ জানুয়ারি রবিবার সকালে নিহত রবিউলের লাশ স্থানীয় সোহাগপুর গ্রাম থেকে উদ্ধার করে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ। এবং গাড়িটি সরাইল থানা হেফাজতে রয়েছে।
এব্যাপারে আশুগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক নাজমুল হোসাইন এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, মোহাম্মদ আলীর লাশ শেরপুরে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এঘটনায় তার বাবা আ : খালেক বাদী হয়ে আশুগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আমরা অভিযান চালিয়ে এঘটনায় জড়িত সন্দেহে সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা আদিব (১৯) নামে এক যুবককে আটক করেছি। সে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিহত গাড়িচালক মোহাম্মদ আলীর লাশ শেরপুরের বাজিতখিলার কুমরী কৃষ্ণপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হলে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশ তৈরী হয়। এ ঘটনায় গ্রামে শোকে ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত মোহাম্মদ আলীর বাবা বলেন, আমার ছেলেকে যারা হত্যা করেছে তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই " আমার ছেলের তিন সন্তান নিয়ে এখন কোথায় যাবে।
ক্যাপশন : নিহত মোহাম্মদ আলীর নিথর দেহের সামনে দাঁড়িয়ে আছে তার সন্তানেরা।





























