
এম এম ইউসুফ আলী
স্টাফ রিপোর্টার।
নাঙ্গলকোটে বেপরোয়া ভাবে চালানো মোটর সাইকেলের ধাক্কায় গুরুতর আবদুল খালেকের (৬০) চার দিনেও জ্ঞান ফিরেনী। গত ১১ জুন বুধবার সকালে উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের বক্সগঞ্জ- অষ্টগ্রাম সড়কের জালাল আহমেদের বাড়ীর সামনে বেপরোয়া ভাবে চালানো মোটর সাইকেলের ধাক্কায় সে গুরুতর আহত হয়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে পরে কুমিল্লায় নিয়ে যায়। কুমিল্লা থেকে উন্নত চিকিৎসার ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। বর্তমানে আবদুল খালেক ঢাকার নিউরোসাইন্স হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তার অবস্থা খুবই আশংকাজনক। ইতিমধ্যে মাথায় একটি অপারেশন করা হয়েছে। তবে এখনো জ্ঞান ফিরে নাই। প্রত্যক্ষদর্শিরা জানায়, বুধবার সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে আবদুল খালেক তার বাড়ী থেকে মোটর সাইকেল চালিয়ে বক্সগঞ্জ বাজার যাচ্ছিলেন। এসময় বিপরীত থেকে তিনজন আরোহী নিয়ে বেপরোয়া ভাবে আসা একটি মোটর সাইকেল আবদুল খালেকের মোটর সাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত প্রাপ্ত হয়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে পরে কুমিল্লায় নিয়ে যায়। কুমিল্লা থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। বর্তমানে আবদুল খালেক ঢাকার নিউরোসাইন্স হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তবে চিকিৎসকরা তার অবস্থা আশংকাজনক বলে জানান।
বেপরোয়া ভাবে মোটর সাইকেল চালানো কিশোররা হলেন, বাইক চালক নোমান (১৮), মিনহাজ (১৬) ও বাবু (১৮) তাদের বাড়ীও অষ্টগ্রাম এলাকায় বলে জানান স্থানীয়রা।
এলাকা বাসীরা জানান, কিছু উঠতি বয়সের ছেলে খুব বেপরোয় ভাবে জোরে জোরে হর্ণ বাজিয়ে রাস্তায় মোটর সাইকেল চালায়। এতে প্রায় সময় ঘটছে দুর্ঘটনা। এদের বিরুদ্ধে কেউ কোন প্রদক্ষেপ নিচ্ছেনা। দিন দিন এদের উৎপাত বেড়েই চলছে। প্রশাসনিক ও স্থানীয় ভাবে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আসন্ন দিন গুলোতে আরো ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করবে।





























