
ছায়াপথে বিষণ্নতা
মো. সেলিম হাসান দুর্জয়
জানালা খোলা- সাঁই সাঁই করে চলছে- ট্রেন।
এক টুকরো হাওয়ার মতো আমি,
ঝুলে আছি শব্দহীন চলাচলের কোলাহলে—
পিছনে পড়ে থাকে এক দুপুর,
যেখানে কান্না ছিল,
শব্দহীন নীরব কান্না।
তুমি ছিলে—
ছিলে এক নিঃশব্দ প্রতিমা,
মুখে স্বাভাবিকতা, চোখে রক্তাক্ত ছায়া—
সে চোখে আমি দেখি অন্য আঙুলের স্পর্শ,
অন্য জিহ্বার চিহ্ন—
এক কল্পনার শরীরে বাস্তবের আঁচড়।
তোমার ওষুধের ড্রয়ারে
এক বোতল বিষণ্নতা—
লেবেলহীন কামনা,
যার গন্ধ আমাকে চেনে না।
কিন্তু...
ঘর্মাক্ত করে অন্য কারো শরীর
দুমড়ে মুচড়ে দলিত হও তুমি মহানন্দে।
তুমি বলো: “সন্দেহ কেন?”
আর আমি দেখি—
তোমার উচ্চারণে বুনো আগুন,
যা একদিন আমাকে দাহ করেছিল,
এখন তা অন্যের আলো।
জানি, এই মৌসুমে তুমি উত্তাল
বুঝবে না -
আলোর মাঝেও সে কি অন্ধকার
তা তোমার ছুঁবে না একবিন্দু।
আমার চোখের জল আর এই মেঘলা বিকেল—
দুই যমজ যন্ত্রণা,
যারা ট্রেনের ছাদে বসে বাজায়
একটি বেহালা—
যার সুরে তুমি নেই,
কিন্তু প্রতিধ্বনি শুধু ‘তুমি... তুমি... তুমি।’







































