
জাহিদ হাসান মুক্তার, পাকুন্দিয়া সংবাদদাতা:
একটি পত্রিকার অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বদলে দিল ঘাগড়া গ্রামের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ। সংবাদ প্রকাশের মাত্র এক মাসের মধ্যেই কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের কোদালিয়া গ্রামের হেকিম মাস্টার বাড়ি থেকে ঘাগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তার অংশ বিশেষে শুরু হয় সংস্কার কাজ।
গত ২৪ জুন জাতীয় একটি দৈনিকে প্রকাশিত হয় ‘নজর নেই কর্তৃপক্ষের, চাঁদা তুলে রাস্তা সংস্কার’ শিরোনামের একটি প্রতিবেদন। এরপরই বিষয়টি নজরে আসে পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বিল্লাল হোসেনের। তিনি অবিলম্বে চন্ডিপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শামছু উদ্দিনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন।
ইউএনও’র নির্দেশের পর চেয়ারম্যান নিজ উদ্যোগে দ্রুত সংস্কার প্রকল্প হাতে নেন। চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়া প্রায় ৬৫০ ফুট রাস্তা ইটের সলিংয়ের মাধ্যমে চলাচলের উপযোগী করা হয়। ২৩ জুলাই শুরু হওয়া কাজ শেষ হয় ২৫ জুলাইয়ের মধ্যেই।
বর্ষায় রাস্তাটি ছিল ভয়াবহ দুর্দশার নাম। শিশুরা স্কুলে যেতে পারত না, রোগী নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছানো ছিল দুঃস্বপ্ন। এলাকাবাসী জানান, এক মাস আগেও এই রাস্তায় পা ফেলার সাহস ছিল না কারও। এখন সেখানে স্বস্তি, সন্তুষ্টি এবং কৃতজ্ঞতা।
চেয়ারম্যান মো. শামছু উদ্দিন বলেন, “রাস্তাটি অনেক দিন অবহেলায় ছিল। ইউএনও স্যারের নির্দেশনায় দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নিই। এতে মানুষ উপকৃত হবে, সেটাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।”
ইউএনও মো. বিল্লাল হোসেন জানান,
"মানুষের দুর্ভোগের কথা জানার সাথে সাথেই ইউনিয়ন পরিষদের সহায়তায় এই রাস্তাটি ইটের সলিং করে দেওয়া হয়েছে।
মানুষের দুর্ভোগ নিরসনে উপজেলা প্রশাসন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে সবসময়ই কাজ করে যাবে।"





























