
স্টাফ রিপোর্টার:
তৃণমূলের শক্তি যখন জাগ্রত হয় ইতিহাস তার দিক বদলায়।ঠিক এমনই এক স্পন্দন,এমনই এক জাগরণ দেখা গেল শনিবার (১৫ নভেম্বর) তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের নতুন বাজার সংলগ্ন খোলা মাঠে।স্থানীয় বিএনপির আয়োজিত উঠান বৈঠকটি যেন পরিণত হয়েছিল তৃণমূলের মহাসমাবেশে,জনতার ঢল আর উচ্ছ্বাসে পুরো এলাকা রূপ নেয় উৎসবের মাঠে।
ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী আনিসুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে বৈঠকে উপস্থিত হলে সমবেত নেতাকর্মীদের করতালিতে মাঠ কেঁপে ওঠে। বহুদিনের অপেক্ষা,ক্ষোভ,স্বপ্ন আর প্রত্যাশা যেন সেদিন একসাথে মিলেমিশে জ্বলে ওঠে নতুন আলোর মতো।
আনিসুল হক তার আবেগঘন বক্তব্যে বলেন এই তৃণমূলই আমার অগাধ শক্তি,এই মানুষই আমার সাহস। ধানের শীষের বিজয় মানে মানুষের মুক্তির পথ উন্মুক্ত হওয়া। অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার সময় আজই এখনই।তার কণ্ঠের প্রত্যয়, চোখের দৃঢ়তা আর কথার শক্তি মুহূর্তেই উপস্থিত জনতাকে আলোড়িত করে তারা হাততালি,স্লোগান আর উচ্ছ্বাসে দিগন্ত মুখরিত করে তোলে।
বক্তব্যের পর সভা শেষে শুরু হয় তৃণমূলের ঐতিহাসিক মুহূর্ত র্ঐক্যের শপথ।শত শত নেতাকর্মী,তরুণ-যুবক, কৃষক,দিনমজুর,নৌ-শ্রমিক,ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ পালাক্রমে দাঁড়িয়ে আনিসুল হকের হাত ধরে প্রতিজ্ঞা উচ্চারণ করেন।ধানের শীষ যার সাথে আমরা আছি তার সাথে।এছাড়াও তাদের কণ্ঠে ছিল আগুনঝরা শপথ,গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনব,অধিকার ফিরিয়ে আনব। জনগণের ভোটের মর্যাদা আমরা রক্ষা করব।ধানের শীষকে বিজয়ের মুকুট পরাব ইনশাআল্লাহ।
এই শপথপাঠের সময় সমবেত জনতার চোখে ছিল উচ্ছ্বাস,কেউ কেউ আবার আবেগে টলমল হয়ে পড়েন।বহুদিন পর তৃণমূলের এমন ঐক্য,এমন দৃঢ় অবস্থান স্থানীয়ভাবে এক নতুন আলোড়ন তোলে। অনেকেই বলেন আজকের এই শপথ শুধু রাজনৈতিক প্রতিজ্ঞা নয় এটা আমাদের জীবনের দাবি,বেঁচে থাকার অধিকার,পরিবর্তনের অঙ্গীকার।
শপথ শেষে স্থানীয় এলাকায় শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনার ঢেউ। দোকানপাট,হাটঘাট,চায়ের স্টল থেকে শুরু করে ঘরোয়া আড্ডায় একটাই বিষয় নিয়ে সবার উচ্ছ্বাস তৃণমূলের এই শপথই নাকি বদলে দিতে পারে আসন্ন রাজনীতির মানচিত্র।
উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের বিশ্বাস এই শপথ,এই ঐক্য,এই জনজাগরণ আনিসুল হকের নেতৃত্বকে কেন্দ্র করেই ভবিষ্যতের পরিবর্তনের পথে বড় পদক্ষেপ হয়ে উঠবে।
এ যেন শুধু একটি উঠান বৈঠক নয়,ছিল তৃণমূলের জাগরণের নতুন ঘোষণা বিপ্লবের পথে প্রথম অগ্নিস্ফুলিঙ্গ।





























