
ইয়ার রহমান আনান:কক্সবাজার ব্যুরো
নানা দুর্নীতি ও অনিয়মে অভিযুক্ত ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ( তহশিলদার) সেলিম উল্লাহ ঘুরেফিরে কক্সবাজার জেলায়ই কর্মরত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি কর্মরত আছেন রামু উপজেলার ধেছুয়াপালং ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হিসেবে। জাল দলিল তৈরি, জালিয়াতি করে খতিয়ান সৃজনসহ নানা অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
সাধারণ মানুষ বলছেন, এই অফিসে কোনো কাজ বিনা টাকায় সম্ভব নয়। টাকা দিলে সেকেন্ডে কাজ হয়, না দিলে হয়রানির শিকার হতে হয়।
ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) সেলিম উল্লাহর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঘুরেফিরে কক্সবাজার জেলাতেই দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ— সেলিম উল্লাহর দালালচক্রের মাধ্যমে জাল দলিল তৈরি, জালিয়াতির মাধ্যমে খতিয়ান সৃজন, এবং কম্পিউটার অপারেটর ওসমান এর মাধ্যমে নিয়মিত ঘুষ আদায় করা এখন নিয়মিত চিত্রে পরিণত হয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, সেলিম উল্লাহ'র এমন কর্মকাণ্ডে ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত ও দোষীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের মন্তব্য: “ধেছুয়াপালং" ভূমি অফিসে কাজ করতে গেলে টাকার দাবি করে, টাকা না দিলে হয়রানি শুরু হয়,” বলেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী।
তহশিলদার সেলিম উল্লাহ'কে অফিস সময়ে গিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না—এমন অভিযোগ উঠেছে সেবাপ্রার্থীদের পক্ষ থেকে। নিয়মিত অফিস সময়ে অনুপস্থিত থাকার কারণে ভূমি সংক্রান্ত নানা সেবা নিতে এসে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
ভুক্তভোগীরা জানান, নামজারি, খাজনা প্রদান ও বিভিন্ন কাগজপত্রের প্রয়োজনীয় কাজে দিনের পর দিন অফিসে ঘুরেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার দেখা মিলছে না। এতে সময় ও অর্থ দুইয়েরই অপচয় হচ্ছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, কোনো পূর্ব ঘোষণা বা নোটিশ ছাড়াই তহসিলদারের অনুপস্থিতি জনদুর্ভোগ বাড়িয়ে তুলছে।
এ বিষয়ে প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত হলে পুরো দুর্নীতির চিত্র উঠে আসবে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।




































