
ধোঁয়ার দেশে, ঘর্মাক্ত তার স্বর্গ
মো. সেলিম হাসান দুর্জয়
আমি অপেক্ষা করি—
ধোঁয়ার পর ধোঁয়া টেনে জাগিয়ে রাখি নিঃশব্দ ঘর,
প্রতিটি সিগারেটের ছাইয়ে গড়ে তুলি এক সম্ভাব্য ক্ষমা।
নরম বিছানায় নয়—
আমি ঘুমাই কাঁটার উপর, যে কাঁটাগুলো তুমি রেখে গেলে
কামনার পরিশ্রান্ত হাসি পরে।
আর সে?
সে অপেক্ষায় থাকে,
নয় অনুভবের জন্য—
বরং কার ঠোঁট কতটা উষ্ণ
কার স্পর্শে উঠে আসে শরীরের নিচু সুর।
একজন আসে—
ঔষধে চঞ্চল রক্ত,
আঙুলে ঘামে ভেজা সাহস নিয়ে।
তাদের শরীরে বাজে,
যে সঙ্গীত আমার হৃদয়ে কোনোদিন হয়নি সাড়া।
আমি জানি, সে আর প্রার্থনার ঈশ্বরী নয়—
তবুও তাকে ঠাঁই দিই, বুকের সর্বনাশী মন্দিরে।
আমি পূজা করি ছলনার প্রতিমা,
আর সে আরামে গলে পড়ে অন্য এক পূজারীর উষ্ণতায়।
এভাবেই দিন ফুরোয়, রাত কাটে,
আমার নিঃশ্বাসে জমে বিষ,
তার তৃপ্ত ঘুমে বাজে কোনো অপরিচিত নাম।
তবুও আমি স্থির অবিচল
দোষ দিই না—
ভালোবাসা যে শেষ পর্যন্ত
নিজেকেই দগ্ধ করে,
প্রিয়কে মুক্তি দিয়ে।







































