
বিশেষ প্রতিনিধি
মুন্সিগঞ্জ জেলা গজারিয়া উপজেলা দড়ি বাউশিয়া পোড়াকান্দি গ্রামে জামাল উদ্দিন ওরপে ইনসান নামে আম পাড়তে গিয়ে বৈদ্যুতিক শর্টে মারাত্মক আহত। আহত জামালকে ভবেরচর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স নেওয়ার পর কর্তব্যরত ডাক্তার প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা বার্ন হসপিটালে রেফার করেন। আহত জামাল উদ্দিন ওরপে ইনসান গ্রামের বাড়ী দাউদকান্দি পৌর সভার গৌমতি চিনামা হলের সংলগ্ন। তার স্ত্রীকে নিয়ে ১/২ মাস ধরে পোড়াচক মির্দা বাড়ীর মৃত রুহুল আমিনের পাকা বিল্ডিং বাড়ীতে ভাড়া থাকেন। ভবনের সাথে থাকা আম গাছ। গত ২২ই মে ২০২৫ইং ১.৩০ঘটিকার সময় আম পাড়ার জন্য গাছে উঠে। ভবন ও গাছের সাথে লেগে ১১০০০ কিঃওঃ এর লাইন চলে গেছে। আম পাড়ার সময় বৈদ্যুতিক লাইনের সাথে তার শরীর লেগে যায় এবং সাথে সাথে তার শরীর পুড়ে যায় এবং ট্রান্সফরমারে বিকট শব্দ হয়। তার গায়ের কাপড়ে আগুন লেগে যায় এবং নিচে পড়ে যায়। তার স্ত্রী সুমা পাকের ঘর থেকে আওয়াজ শুনে বেড়িয়ে এসে দেখে তার স্বামীর গায়ে আগুন। সুমার চিৎকার শুনে আশে-পাশের লোকজন চলে আসে। আহসান নামে একজন এসে ঘর থেকে কাঁথা বের করে তার গায়ের আগুন নিভায় এবং হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঢাকা বার্ন হাসপাতালে যাওয়ার সময় তার স্ত্রী সুমা শুশুরকে ঘটনা অবগত করেন এবং হাসপাতালে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। জামাল উদ্দিন ওরপে ইনসান এর বাবা হালিম তালুকদার এবং মা উম্মে কুলসুম, বোন সুমাইয়া, ছোট ও বড় সবাই হাসপাতালে যাই। যেয়ে ছেলেকে না দেখে ইনসানের স্ত্রী সুমাকে অর্তকিত হামলে করে শরীরে বিভিন্ন জায়গায় ফুলা জখম করে, সেখানে সুমা অজ্ঞান হয়ে পরে। হাসপাতালের লোকেরা তাকে পানি ঢেলে সুস্থ করে তাকে গাড়িতে উঠে দেয় সে বাড়ী চলে আসে। সুমি বলেন আমার স্বামীকে আমাকে দেখতে দিচ্ছে না। সেবার করার সুযোগ দিচ্ছে না। আমার স্বামীকে চিকিৎসা না করিয়ে মেরে আমাকে ও আমার পরিবার হত্যা মামলার আসামী করবে বলে হুমকি দিচ্ছে। আরও অভিযোগ উঠেছে হালিমের ৩ ভগ্নীপতি (দেলোয়ার হোসেন দুলাল, বসিরুল ইসলাম, মোহন মিয়ার) সাথে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ ও মামলা মোকদ্দমা চলিতেছে। আগুনে পোড়া ছেলেকে দিয়ে হালিমের ৩ ভগ্নিপতিসহ, ইনসানের স্ত্রী ও স্ত্রীর পরিবারকে মামলা জড়ানোর হুমকি। স্ত্রী সুমা বলেন আমার স্বামী যদি চিকিৎসার অবহেলায় মারা যায় তাহলে আমি আমার শুশুর-শাশুরীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করবেন বলে জানান।





























