
গোসাইরহাট(শরীয়তপুর)প্রতিনিধি
শরীয়তপুর গোসাইরহাটে দিপ্তি গোলদার (৩৮) নামে এক এনজিও কর্মী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে গোসাইরহাট থানা পুলিশ উপজেলার ধীপুর গ্রামের শামীম হাওলাদারের ভারা বাসায় এক তলার একটি কক্ষ থেকে জানালার গ্রিলের সাথে ঝুলতে থাকা অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে।
মৃত দিপ্তি গোলদার মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার কদম বাড়ি গ্রামের ধন্য গোলদারের মেয়ে ও গোসাইরহাটে ব্রাক এনজিও সংস্থা ফিল্ড অফিসার হিসাবে কর্মরত ছিলেন এবং ঐএলাকার শামীম হাওলাদারের ভারা বাড়িতে তার স্বামীসহ বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানান গেছে, বুধবার রাতে দিপ্তি গোলদার স্বামী পরিতোষ গাইনের সাথে ঝগড়াবিবাদ হওয়ায় পাশের রুমে দর্জা লক করে ঘুমিয়ে পরে এবং আরেক রুমে পরিতোষ ঘুমিয়ে যায়। পরেদিন বৃহস্পতিবার সকালে দিপ্তির রুমের দর্জা বন্ধ পান স্বামী পরিতোষ এসময় একাধিকবার নক দিলেও দিপ্তি দর্জা না খোলায় তার মোবাইল ফোন দেন এসমস একাধিকবার মোবাইলে ফোন দিলেও দিপ্তি ফোন রিসিভ করেননি। পরে পাশের জানালা দিয়ে স্বামী পরেতোষ দেখেন জানালার গ্রিলের সাথে গলায় ফাস দিয়ে ঝুলে আছেন স্ত্রী দিপ্তি। তখন আশ-পাশের লোকজন ডেকে স্থানীয় থানা পুলিশকে খবর দেয় স্বামী পরিতোষ। পুলিশ এসে স্থানীয়দের সহযোগীতায় দরজা ভেঙ্গে ঘরের ভিতরে গিয়ে দেখেন রুমের জানালার গ্রিলের সাথে রসি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় দিপ্তি গোলদার ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছেন। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কি কারনে আত্মহত্যা করেছে। সে বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছেন।
গোসাইরহাট থানা অফিসার ইনচার্জ মো.মাকসুদ আলম জানান, ব্রাক এনজিও কর্মীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে তবে কি কারণে আত্মহত্যা করেছে সেটি জানা যায়নি। পুলিশ এটি নিয়ে কাজ করছে। মরদেহ উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।



































