
মোহনগঞ্জ প্রতিনিধি
নেত্রকোনার খালিয়াজুরীতে ট্রলারে যাওয়ার পথে হাওরের মাঝে ফেরী ট্রলার আটকিয়ে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে গেছে ডাকাত দল।
২৭ সেপ্টেম্বর ( শনিবার) সন্ধ্যায় নেত্রকোণার খালিয়াজুরী উপজেলাধীন মেন্দিপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রাম থেকে ট্রলার যোগে বোয়ালী যাওয়ার পথে বোয়ালী গ্রামের কাছাকাছি নুরপুর কুরের কাছে ছোট দুইটি ট্রলার ঘটনার স্থানে পৌঁছামাত্র ৮ থেকে ১০ জনের ডাকাত দল ছোট দুটি ট্রলারের গতিপথ রোধ করে ট্রলার দুটিতে উঠে এলোপাথারিভাবে মারধর শুরু করে। এবং ট্রলারে থাকা জগন্নাথপুর পুর্ব পাড়ার মনিরের উপর আক্রমণ তার হাত ভেঙ্গে দেয় এবং কোমরে লুঙ্গিতে মোড়ানো ত্রিশ হাজার টাকা নিয়ে যায় এবং নৌকার মাঝি ইব্রাহীমকে তার উরুতে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করে। এদিকে অপর ট্রলারে থাকা জগন্নাথপুর পশ্চিম বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী কাছে প্রায় পাঁচ ভরি স্বর্ণ ও একশত সত্তর ভরি পুরাতন রূপার স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় এবং নৌকার মাঝি যীশুকে মারধর করে আহত করে।
ডাকাতের হামলায় আহত জগন্নাথপুর গ্রামের জমির উদ্দীন সরকারের ছেলে মনির হোসেন বলেন, সন্ধ্যা আগে আমাদের গ্রামের ট্রলার চালক ইব্রাহীমের ছোট ট্রলার করে বোয়ালী হয়ে মোহনগঞ্জ যাবার পথে কুরের পাড় নামক স্থানে পৌঁছা মাত্রই দক্ষিণ দিক থেকে ৮/১০ জনের অপরিচিত ডাকাত দল আমাদের গতিরোধ করে আমাকে মেরে হাত ভেঙ্গে দেয় ও ট্রলার চালক ইব্রাহীমকে ছুরিকাঘাত করে আমার কোমরে লুঙ্গির ভাঁজে প্যাচাঁনো ত্রিশ হাজার টাকা নিয়ে যায় ডাকাত দল।
অপর নৌকায় থাকা জগন্নাথপুর পশ্চিম বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী অত্র জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার দেওথান গ্রামের হীরা বণিকের ছেলে হিমেল বণিকের কাছে থাকা পাঁচ ভরি স্বর্ণ ও সত্তর ভরি রূপালংকার ছিনিয়ে নেয় ডাকাত দল।
স্বর্ণ ব্যবসায়ী হিমেল বণিকের বাবা হীরা বণিক বলেন,গতকাল সন্ধ্যায় আমার ছেলে জগন্নাথপুর বাজার থেকে মোহনগঞ্জ আসার পথে কুরের পাড় ডাকাতের কবলে পড়ে সর্ব্বস্য হারিয়েছে এমনকি তার সাথে থাকা তিনটি মোবাইল ফোনও নিয়ে গেছে এমনকি তাকে আঘাত করে স্বর্ণ ও রূপার স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে ডাকাত দল। ট্রলার চালক যীশুকেও মেরে আহত করে।
এ বিষয়ে খালিয়াজুরীর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মকবুল হোসেনকে বারবার ফোন দেওয়ার পর ফোন রিসিভ না করায় মেন্দিপুর ইউনিয়নের বিট অফিসার মোঃ মঞ্জু মিয়া জানান, ঘটনাটি শুনার পর আমরা ঘটনার তদন্ত করার জন্য ভূক্তভোগীর বক্তব্য সংগ্রহ করি ও তদন্ত চলমান আছে। তবে এখন পর্যন্ত ভূক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





























