
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও পি আর (Proportional Representation) পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা।
রোববার (১২ অক্টোবর) দুপুরে চাষাড়া শহীদ মিনারে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের পর একটি বর্ণাঢ্য মিছিল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা ও মহানগর জামায়াতের নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, পি আর পদ্ধতিতে নির্বাচন, ফ্যাসিবাদের বিচার এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত না করা পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত নির্বাচন অনুষ্ঠান অর্থবহ হবে না।”
তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই এবং জুলাই আন্দোলনে অসংখ্য মানুষের ত্যাগ ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক কল্যাণময় বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেছে—এটি দলীয় নয়, বরং জনগণের দাবি।”
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আমীর মুহাম্মদ মমিনুল হক সরকার।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও মহানগর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও মহানগর নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুল কাইউম, ড. ইকবাল হোসাইন ভূইয়া, মহানগর সেক্রেটারি মনোয়ার হোসাইন, জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন এবং নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লা প্রমুখ।
সমাবেশে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নে এখন সব রাজনৈতিক দল একমত। জনগণ আর কোনো টালবাহানা মেনে নেবে না। আসন্ন নির্বাচনের আগে গণভোটের মাধ্যমে এ সনদ সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।”
সভাপতির বক্তব্যে মমিনুল হক সরকার বলেন, “দেশকে যেন আর কেউ হাসিনার মতো ফ্যাসিস্ট শাসনে না নিতে পারে—এ জন্যই পি আর পদ্ধতিতে নির্বাচন অপরিহার্য।”
পরে জেলা প্রশাসক বরাবর পাঁচ দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।





























