
এমডি, আরাফাত আলী:
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার স্থানীয় মথুরেশপুর ইউনিয়নে বিএনপির সদস্য ফরম সংগ্রহ অনুষ্ঠানে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ১ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
বিএনপির স্থানীয় নেতা কর্মীরা জানান, দেশব্যাপী চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবে মথুরেশপুর ইউনিয়নের ৭ নাম্বার ওয়ার্ডে বিএনপির সদস্য সংগ্রহের জন্য ফরম বিতরণ চলছিল। এ সময় ফরম বিতরণের বিষয়টি নিয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব হেমায়েত হোসেন ছোট বাবু ও শহিদুল ইসলাম বদুর সমার্থকদের মধ্যে হট্টগোল শুরু হয়, যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় হামলা-পাল্টা হামলায় হেমায়েত হোসেন গ্রুপের সাহেদ হোসেন বেলু(৪৮) আহত হয়।
ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব হেমায়েত হোসেন ছোট বাবুর অভিযোগ, মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সার্চ কমিটিত দায়িত্ব পেয়েছেন আওয়ামীলীগের কয়েকজন দোসর। গত মঙ্গলবার ৭ নাম্বার ওয়ার্ডে ফরম পূরণ করেছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার মেম্বারের ভাতিজা আনিছুর ইসলাম। এনিয়ে ইউনিয়ন বিএনপির ত্যাগী নেতা কর্মীরা বাঁধা প্রদান করে। এসময় সার্চ কমিটির সদস্য শহিদুল ইসলাম বদুর সমার্থকদের হামলার আহত হয় ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য কাজী সাহেদ হোসেন বেলু। পরবর্তীতে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের হস্তক্ষেপে ফরম পূরণ অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। হেমায়েত হোসেন আরো জানান, সার্চ কমিটির সদস্য শহিদুল ইসলাম বদু গত পড়শু দিন ইউনিয়ন পরিষদে ফরম পুরন অনুষ্ঠান থেকে ১'শ কপি সদস্য ফরম চুরি করেন। ওই চুরি করা ফরম দিয়ে আওয়ামীলীগের দোসরদের সদস্য করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া শফিকুল ইসলাম টোকন ও আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ ১৮ সালে বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে সংবাদ সম্মেলন মাধ্যমে আওয়ামীলীগে যোগদান করে বলে জানান তিনি।
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সার্চ কমিটির সদস্য শহিদুল ইসলাম বদু বলেন,মথুরেশপুর ইউনিয়নের ৭ ওয়ার্ডে ফরম বিতরণ অনুষ্ঠানে আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার ইসলাম মনোর ভাইপো উপস্থিত ছিলেন। তবে সে বিএনপির দুঃসময়ের কর্মী ছিলো। এছাড়া ফরম চুরি করে আওয়ামীলীগের দোসরদের বিএনপির সদস্য করার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।
বিষয়টি সম্পর্কে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ডাক্তার শফিকুল ইসলাম বাবু বলেন বিএনপির সার্স কমিটিতে আওয়ামীলীগের অনেক দোসর ঢুকে পড়েছে। যে কারণে অধিকাংশ ইউনিয়নে ফরম পুরণে অনিয়ম হচ্ছে। অতিদ্রুত আওয়ামীলীগের দোসরদের বিরুদ্ধে দল যদি সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তবে উপজেলা ও ইউনিয়নের বিভিন্ন যায়গায় বড় ধরনের সংঘর্ষ বাঁধার আশাংকা করছেন বলে জানান তিনি।





























