
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার খাগকান্দা ইউনিয়নের চম্পক নগর ও আশপাশের এলাকায় চোরের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশেষ করে দোকানদার ও ব্যবসায়ীরা মূল্যবান মালামাল রক্ষায় বিপাকে পড়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক চুরির ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক আরও বেড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, রাতে ঘনিয়ে এলে চোরচক্র সক্রিয় হয়ে উঠে। তাদের মূল টার্গেট থাকে ফাঁকা বাড়ি, দোকানপাট, গুদাম ও ছোট কারখানা। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে চম্পকগর বাজারের ব্যবসায়ী মালেকের দোকানে রাখা প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার ১১ ব্যাগ সুতা চুরি হয়ে যায়।
শনিবার রাতে একই বাজারের পাশেই অবস্থিত প্রফেসর রহমতুল্লাহ রতনের মালিকানাধীন ড্রাগন এলোভেরা বাগানবাড়ির পুকুর থেকে সেচপাম্প ও মূল্যবান মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় চোরচক্র। কয়েক মাস আগেও একই বাগানবাড়ি থেকে মোটর ও অন্যান্য মালামাল চুরি হয়েছিল বলে জানান কেয়ারটেকার হোসেন। তিনি বলেন, “প্রায়শই বাগানের ফলমূল চুরি হয়ে যাচ্ছে। কিছুই নিরাপদ নয়।”
এলাকার ব্যবসায়ী বাচ্চু মিয়া বলেন, “চোরদের অধিকাংশই এলাকার মাদকসেবী। তারা নেশার টাকা জোগাড় করতেই এসব চুরি করছে। এছাড়াও এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি হচ্ছে, কিন্তু প্রশাসনের কোন তৎপরতা নেই।” তিনি আরও জানান, “কয়েকটি স্থানে নিয়মিত জুয়ার আসর বসে। সেসব জুয়াড়িরা হেরে গিয়ে চুরি করছে। চুরি এখন নেশা ও জুয়ার টাকা যোগাড়ের সহজ উপায় হয়ে গেছে।”
স্থানীয়রা দ্রুত পুলিশি টহল বাড়ানো ও মাদক-জুয়া নির্মূলের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। এলাকাবাসীর মতে, কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।





























