শিরোনাম
বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভা চাটখিলে সাংবাদিকের ওপর হামলা,জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন,২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি চাটখিলে সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন,জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে যুব সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য আনন্দ আনন্দ মিছিল কুমিল্লার নাঙ্গলকোট বাজার ব্যবসায়ী সংস্থার নির্বাচনে সভাপতি কাউছার সেক্রেটারী আনোয়ার ও সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগ নির্বাচিত নাঙ্গলকোটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মাদ্রাসার সভাপতি মাস্টার ইয়াছিনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন অসুস্থ জামায়াত কর্মী সাজুকে দেখতে রাজশাহী মেডিকেলে ডা. জাহাঙ্গীর বাসায় ডেকে জিম্মি করে মুক্তিপণ দাবি; রাজশাহীতে দুই আসামি গ্রেপ্তার পদ্মা পাড়ে নগরবাসীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়, এনসিপি প্রার্থী মোবাশ্বেরের গণসংযোগ শুরু
রবিবার ০১ নভেম্বর ২০২৬
রবিবার ০১ নভেম্বর ২০২৬

কিডনি চিকিৎসার সামর্থ্য নেই ৯০ শতাংশ রোগীর

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৪ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

তিন বছর ধরে ক্রনিক কিডনি ডিজিজে (সিকেডি) ভুগছেন গাজীপুরের বাসিন্দা জামাল হোসেন (ছদ্মনাম)। যখন কিডনি রোগ শনাক্ত হয় ততদিনে তার দুটো কিডনিই প্রায় বিকল হয়ে পড়েছে। চিকিৎসকরা প্রতি সপ্তাহে দুইবার করে ডায়ালাইসিসে পরামর্শ দিয়েছেন তাকে। তবে আর্থিক সংস্থান না থাকায় মাসে এক বা দুটি ডায়ালাইসিসি নিচ্ছেন তিনি।


রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে (নিকডো) ডায়ালাইসিসি নেওয়া এই রোগী জানান, ঢাকায় আসা যাওয়া ইনজেকশন, নানাবিধ পরীক্ষা ও আনুসাঙ্গিক খরচ মিলে প্রতি সপ্তাহে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা খরচ হয়। গরিব হওয়ায় এতো টাকা দেওয়ার সামর্থ নেই তার। তিনি বলেন, ‘এতো টাকা কোথায় পাবো? জমি বিক্রি করে চিকিৎসা চালাতে চালাতে এখন আমার কিছু নেই। সপ্তাহে দুইবার ডায়ালাইসিস করানোর কথা থাকলেও আমি নিচ্ছি মাসে।’



দেশে প্রতিবছর পাঁচ হাজার মানুষের কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে সর্বোচ্চ ৩৬৫ জনের। যা প্রয়োজনের মাত্র ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। দেশে কিডনি দাতার সংকট রয়েছে। একইসঙ্গে এ বিষয়ক আইনি জটিলতাও রয়েছে। এছাড়া বছরে আমাদের দেশে যে পরিমাণ অঙ্গ প্রতিস্থাপন প্রয়োজন, সে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে আমাদের দক্ষ লোকবল তৈরি করতে হবে। এ খাতে সরকারের কোনো বরাদ্দও নেই। ফলে রোগীরা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে।



তারই মতো আরেক রোগী জাকির হোসেনের অবস্থাও একই। তারও দুটি কিডনি নষ্ট। কিডনি রোগ শনাক্তের পর থেকেই নিয়মিত ডায়ালাইসিস করাতে হচ্ছে তাকে। আর্থিক সমস্যার কথা জানিয়ে জাকির হোসেন বলেন, প্রথম দিকে নিজের জমানো টাকা খরচ করে চিকিৎসা নিয়েছি। এরপর জমি, বাড়ি বিক্রি করে চিকিৎসা করিয়েছি, ডায়ালাইসিস চালিয়েছি। চার বছর ধরে এভাবে চলতে চলতে নিঃস্ব হয়ে গেছি। সন্তানদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে। এখন কেউ যদি দয়া করে কিছু টাকা দেয় তাহলে ডায়ালাসিসি চলে নয়তো বন্ধ থাকে।


একাধিক রোগীর স্বজনের তথ্যমতে, সরকারি হাসপাতালে ডায়ালাইসিস করাতে আসা-যাওয়া ও আনুসাঙ্গিক খরচ মিলে প্রতিবার দুই থেকে ৫ হাজার টাকা খরচ হয়। অন্যদিকে বেসরকারি হাসপাতালে  ডায়লাইসিসে নুন্যতম ৭ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা লাগে। একজন রোগীর সপ্তাহে দুইবার ডায়লাইসিস করতে হয়। আবার কারও তিনবার করতে হয়। সেক্ষেত্রে খরচ আরও বেড়ে যায়। এছাড়াও কিডনি রোগীর ডায়ালাইসিস চলাকালে যেকোনো মুহূর্তে আইসিইউ বা অক্সিজেন নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। সেটারও বড় ধরনের খরচ রয়েছে। ফলে রোগীরা দীর্ঘমেয়াদে ডায়ালাইসিসও করাতে পারছেন না, মাঝপথেই থেমে যাচ্ছে অনেকের চিকিৎসা। অনেকে ব্যয় মেটাতে নিঃস্ব হচ্ছেন। আবার কেউ কেউ সহায়-সম্বল হারাচ্ছেন।



কিডনি চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশে নানাবিধ কিডনি জটিলতায় ভোগা রোগীর সংখ্যা আনুমানিক ৩ কোটি ৮০ লাখ। যার মধ্যে কিডনি বিকল রোগীর সংখ্যা অন্তত ৪০ থেকে ৫০ হাজার। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ভেজাল খাদ্যগ্রহণ, ধূমপানসহ অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার ও ব্যথানাশক সেবনের কারণে দেশে কিডনি রোগীর সংখ্যা ক্রমে বেড়েই চলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিডনি রোগের চিকিৎসা বেশ ব্যয়বহুল হওয়ায় ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে পারছেন না। এতে মাঝপথে চিকিৎসা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন, যা তার জন্য বয়ে আনছে নিদারুণ কষ্ট এবং অকাল মৃত্যু।



ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালের তথ্যমতে, হাসপাতালটিতে সিডিউল পাওয়া একজন রোগীর প্রতিবার ডায়ালাইসিসের জন্য খরচ নেওয়া হয় ৫৬৩ টাকা। আর সিডিউল ছাড়া প্রতিবার ডায়ালিসিসের জন্য খরচ হচ্ছে ৩ হাজার ৮০ টাকা। অর্থাৎ প্রতিমাসে দুটি হিসেবে সাধারণ রোগীদের ৮টি ডায়ালিসিসের খরচ হচ্ছে ২৪ হাজার ৬৪০ টাকা। বেসরকারি হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠানগুলোর মান বিবেচনায় এ খরচ আরও বহুগুণ বেশি। এছাড়া যাতায়াত, হাসপাতালে অবস্থান, ওষুধ ও ডায়ালাইসিসি সংক্রান্ত আনুসঙ্গিক খরচ তো আছেই।


এমন অবস্থায় সচেতনতা বাড়ানোর বিষয়ে জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞদের। চিকিৎসকরা বলছেন, কিডনি মানব শরীরে অনেকটা ফিল্টারের মতো কাজ করে। এটি শরীরের দূষিত ও ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দেয়। কিন্তু কিডনি যদি সে কাজ করার সক্ষমতা হারায় তখন তাকে ক্রনিক কিডনি ডিজিজ বলা হয়। এ অবস্থায় রোগীর জন্য দুটি পথ খোলা থাকে। একটি ডায়ালাইসিসি অথবা কিডনি প্রতিস্থাপন, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। তবে প্রাথমিক অবস্থায় রোগটি ধরা পড়লে চিকিৎসা ও ওষুধের মাধ্যমে কিডনিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এতে খরচ ও ভোগান্তি উভয়ই কমে আসে।



এ বিষয়ে জানতে চাইলে কিডনি ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক হারুন-উর-রশিদ বলেন, শুরুর দিকে কিডনি রোগের কোনো উপসর্গ থাকে না। শতকরা ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর উপসর্গ দেখা দেয়। আক্রান্তদের একটা বড় অংশ দীর্ঘমেয়াদে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে ভোগে। কিন্তু ৫৫ শতাংশ মানুষ জানেই না তার ডায়াবেটিস রয়েছে। আর উচ্চ রক্তচাপে ভোগাদের  ৬০ শতাংশ রোগীও তা জানে না। কারণ তারা চিকিৎসকের কাছে যায় না। এতে রোগটি ক্রনিক রূপ নেয় এবং নিয়মিত ডায়ালাইসিস করাতে হয়। কিডনি যদি অকেজো হয়ে যায় তাহলে কিডনি প্রতিস্থাপন ও ডায়ালাইসিস ছাড়া বাঁচার উপায় থাকে না। কিন্তু এই দুটি চিকিৎসা পদ্ধতি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। ৯০ শতাংশ রোগীর সেই সামর্থ্য না থাকায় মাঝপথে চিকিৎসা বন্ধ করে দেয়।



দেশে কিডনি রোগ পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রতিস্থাপন বাড়াতে হবে বলে মনে করেন ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন অধ্যাপক ডা. মো. শওকত আলম।  তিনি বলেন, দেশে প্রতিবছর পাঁচ হাজার মানুষের কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে সর্বোচ্চ ৩৬৫ জনের। যা প্রয়োজনের মাত্র ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। দেশে কিডনি দাতার সংকট রয়েছে। একইসঙ্গে এ বিষয়ক আইনি জটিলতাও রয়েছে। এছাড়া বছরে আমাদের দেশে যে পরিমাণ অঙ্গ প্রতিস্থাপন প্রয়োজন, সে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে আমাদের দক্ষ লোকবল তৈরি করতে হবে। এ খাতে সরকারের কোনো বরাদ্দও নেই। ফলে রোগীরা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে।


দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের তথ্য তুলে ধরে শওকত আলম জানান, বাংলাদেশে প্রথম কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয় ১৯৮২ সালে। আর দ্বিতীয় প্রতিস্থাপনটি হয় ১৯৮৮ সালে। এর ধারাবাহিকতায় এ পর্যন্ত তিন হাজার ৬৫ কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। রোগীর সংখ্যা বিবেচনায় তা খুবই কম।


আরও খবর




বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভা

চাটখিলে সাংবাদিকের ওপর হামলা,জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন,২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি

চাটখিলে সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন,জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি

যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে যুব সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য আনন্দ আনন্দ মিছিল

বন্দরে নিশা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন হাইকো‌র্টে

সিদ্ধিরগঞ্জে ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৪

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট বাজার ব্যবসায়ী সংস্থার নির্বাচনে সভাপতি কাউছার সেক্রেটারী আনোয়ার ও সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগ নির্বাচিত

নাঙ্গলকোটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মাদ্রাসার সভাপতি মাস্টার ইয়াছিনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন

মান্দায় দলিল লেখক সমিতির নতুন কমিটিকে ফুল দিয়ে বরণ করলেন এমপি ডাঃ ইকরামুল বারী টিপু

রাঙ্গাবালীতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘি‌রে স‌ন্দেহ স্বজন‌দের

গত বছরের তুলনায় কুমিল্লা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় অর্ধেকের বেশি কমেছে জিপিএ-৫'র সংখ্যা

নড়াইলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

জনসেবা ও এলাকার উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে মৌমি কুইন সাথীর মতবিনিময় সভা

ভোলায় এইচএসসির পাসের হারে শীর্ষে লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

জনপ্রিয়তার শীর্ষে ১০ নং গড়জরিপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ জলিল

‘বাবা নির্দোষ, প্রভাবশালীর আক্রোশের শিকার’ জিসান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার কালু ড্রাইভারের পরিবারের দাবি

সশস্ত্রবাহিনী বোর্ডের সচিবের সাথে সাক্ষাৎ: সৈনিকদের রেশন ও ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পে’সহ ৫ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা

গাজীপুরে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

গাজীপুরের কাশিমপুরে পিকআপসহ আটক ৩ জন কোথায় গেলেন?

স্বপ্নের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় গোলজার হোসেনের

রূপগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ,মারধর ও জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে সই নেয়ার অভিযোগ

গাজীপুর জেলায় অনুষ্ঠানে অসকস নেতৃবৃন্দের মিলনমেলা

উলিপুরে জমি দখল করে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

রূপগঞ্জে ভূয়া দলিল ও জালিয়াতি করে জমি দখলের প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

শ্যামনগর-কালিগঞ্জে ডিলারদের জিম্মি করে মাসে দেড় লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ

নাঙ্গলকোটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলা-ভাঙচুর,আহত ২

তিন দশকের পথচলার অবসান: খবরের কাগজ হাতে আর দেখা যাবে না নিতাইকে

আমতলীতে ১৪৫ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

বাউফলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ, সাইবার ট্রাইবুনালে মামলা


এই সম্পর্কিত আরও খবর

পুষ্টি নিরাপত্তায় খাদ্য ফোর্টিফিকেশন জোরদারের আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর

সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, প্রধান আসামী আমিনী গ্রেপ্তার

শিশুদের মালিকানাবোধেই লুকিয়ে আছে জলবায়ু সংকটের সমাধান

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম

কপ৩১-এর প্রস্তুতি: জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে সংসদে তরুণদের সম্মেলন

অস্ত্রের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার, বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত পাচ্ছেন ব্যবসায়ী আলহাজ সোহাগ

তেলের দাম বাড়িয়ে জনগণকে কষ্টে ফেলা যাবে না: পীর সাহেব চরমোনাই

খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় হাম-ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ

গুজব ও উস্কানি রুখে প্রমাণনির্ভর রাজনীতি চর্চার আহ্বানে ঢাকায় প্রচারণা