শিরোনাম
মুরাদনগরে ​সম্পত্তির বিরোধে ভাইয়ের হাতে বোন ও ভাতিজা খুন মুরাদনগরে ​সম্পত্তির বিরোধে ভাইয়ের হাতে বোন ও ভাতিজা খুন সালিশ বৈঠকে যুবককে হত্যা,একজনের যাবজ্জীবন,একজনের ৫ বছরের কারাদণ্ড লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ অসহায় পরিবারের পাশে আলহাজ্ব হযরত আলী: মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত নাঙ্গকোটে হাফেজে কোরআনের মা-বাবা হতে চাই শীর্ষক আলোচনা সভা ও অভিভাবক সমাবেশ আজমিরীগঞ্জে ৫০ শয্যার আধুনিক ভবন,তবু সেবা মিলছে ৩১ শয্যার! বাক্সবন্দি যন্ত্রপাতি নষ্ট শেরপুর সীমান্তে ২৭৩ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্পিকার
মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কিডনি চিকিৎসার সামর্থ্য নেই ৯০ শতাংশ রোগীর

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৪ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

তিন বছর ধরে ক্রনিক কিডনি ডিজিজে (সিকেডি) ভুগছেন গাজীপুরের বাসিন্দা জামাল হোসেন (ছদ্মনাম)। যখন কিডনি রোগ শনাক্ত হয় ততদিনে তার দুটো কিডনিই প্রায় বিকল হয়ে পড়েছে। চিকিৎসকরা প্রতি সপ্তাহে দুইবার করে ডায়ালাইসিসে পরামর্শ দিয়েছেন তাকে। তবে আর্থিক সংস্থান না থাকায় মাসে এক বা দুটি ডায়ালাইসিসি নিচ্ছেন তিনি।


রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে (নিকডো) ডায়ালাইসিসি নেওয়া এই রোগী জানান, ঢাকায় আসা যাওয়া ইনজেকশন, নানাবিধ পরীক্ষা ও আনুসাঙ্গিক খরচ মিলে প্রতি সপ্তাহে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা খরচ হয়। গরিব হওয়ায় এতো টাকা দেওয়ার সামর্থ নেই তার। তিনি বলেন, ‘এতো টাকা কোথায় পাবো? জমি বিক্রি করে চিকিৎসা চালাতে চালাতে এখন আমার কিছু নেই। সপ্তাহে দুইবার ডায়ালাইসিস করানোর কথা থাকলেও আমি নিচ্ছি মাসে।’



দেশে প্রতিবছর পাঁচ হাজার মানুষের কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে সর্বোচ্চ ৩৬৫ জনের। যা প্রয়োজনের মাত্র ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। দেশে কিডনি দাতার সংকট রয়েছে। একইসঙ্গে এ বিষয়ক আইনি জটিলতাও রয়েছে। এছাড়া বছরে আমাদের দেশে যে পরিমাণ অঙ্গ প্রতিস্থাপন প্রয়োজন, সে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে আমাদের দক্ষ লোকবল তৈরি করতে হবে। এ খাতে সরকারের কোনো বরাদ্দও নেই। ফলে রোগীরা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে।



তারই মতো আরেক রোগী জাকির হোসেনের অবস্থাও একই। তারও দুটি কিডনি নষ্ট। কিডনি রোগ শনাক্তের পর থেকেই নিয়মিত ডায়ালাইসিস করাতে হচ্ছে তাকে। আর্থিক সমস্যার কথা জানিয়ে জাকির হোসেন বলেন, প্রথম দিকে নিজের জমানো টাকা খরচ করে চিকিৎসা নিয়েছি। এরপর জমি, বাড়ি বিক্রি করে চিকিৎসা করিয়েছি, ডায়ালাইসিস চালিয়েছি। চার বছর ধরে এভাবে চলতে চলতে নিঃস্ব হয়ে গেছি। সন্তানদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে। এখন কেউ যদি দয়া করে কিছু টাকা দেয় তাহলে ডায়ালাসিসি চলে নয়তো বন্ধ থাকে।


একাধিক রোগীর স্বজনের তথ্যমতে, সরকারি হাসপাতালে ডায়ালাইসিস করাতে আসা-যাওয়া ও আনুসাঙ্গিক খরচ মিলে প্রতিবার দুই থেকে ৫ হাজার টাকা খরচ হয়। অন্যদিকে বেসরকারি হাসপাতালে  ডায়লাইসিসে নুন্যতম ৭ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা লাগে। একজন রোগীর সপ্তাহে দুইবার ডায়লাইসিস করতে হয়। আবার কারও তিনবার করতে হয়। সেক্ষেত্রে খরচ আরও বেড়ে যায়। এছাড়াও কিডনি রোগীর ডায়ালাইসিস চলাকালে যেকোনো মুহূর্তে আইসিইউ বা অক্সিজেন নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। সেটারও বড় ধরনের খরচ রয়েছে। ফলে রোগীরা দীর্ঘমেয়াদে ডায়ালাইসিসও করাতে পারছেন না, মাঝপথেই থেমে যাচ্ছে অনেকের চিকিৎসা। অনেকে ব্যয় মেটাতে নিঃস্ব হচ্ছেন। আবার কেউ কেউ সহায়-সম্বল হারাচ্ছেন।



কিডনি চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশে নানাবিধ কিডনি জটিলতায় ভোগা রোগীর সংখ্যা আনুমানিক ৩ কোটি ৮০ লাখ। যার মধ্যে কিডনি বিকল রোগীর সংখ্যা অন্তত ৪০ থেকে ৫০ হাজার। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ভেজাল খাদ্যগ্রহণ, ধূমপানসহ অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার ও ব্যথানাশক সেবনের কারণে দেশে কিডনি রোগীর সংখ্যা ক্রমে বেড়েই চলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিডনি রোগের চিকিৎসা বেশ ব্যয়বহুল হওয়ায় ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে পারছেন না। এতে মাঝপথে চিকিৎসা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন, যা তার জন্য বয়ে আনছে নিদারুণ কষ্ট এবং অকাল মৃত্যু।



ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালের তথ্যমতে, হাসপাতালটিতে সিডিউল পাওয়া একজন রোগীর প্রতিবার ডায়ালাইসিসের জন্য খরচ নেওয়া হয় ৫৬৩ টাকা। আর সিডিউল ছাড়া প্রতিবার ডায়ালিসিসের জন্য খরচ হচ্ছে ৩ হাজার ৮০ টাকা। অর্থাৎ প্রতিমাসে দুটি হিসেবে সাধারণ রোগীদের ৮টি ডায়ালিসিসের খরচ হচ্ছে ২৪ হাজার ৬৪০ টাকা। বেসরকারি হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠানগুলোর মান বিবেচনায় এ খরচ আরও বহুগুণ বেশি। এছাড়া যাতায়াত, হাসপাতালে অবস্থান, ওষুধ ও ডায়ালাইসিসি সংক্রান্ত আনুসঙ্গিক খরচ তো আছেই।


এমন অবস্থায় সচেতনতা বাড়ানোর বিষয়ে জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞদের। চিকিৎসকরা বলছেন, কিডনি মানব শরীরে অনেকটা ফিল্টারের মতো কাজ করে। এটি শরীরের দূষিত ও ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দেয়। কিন্তু কিডনি যদি সে কাজ করার সক্ষমতা হারায় তখন তাকে ক্রনিক কিডনি ডিজিজ বলা হয়। এ অবস্থায় রোগীর জন্য দুটি পথ খোলা থাকে। একটি ডায়ালাইসিসি অথবা কিডনি প্রতিস্থাপন, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। তবে প্রাথমিক অবস্থায় রোগটি ধরা পড়লে চিকিৎসা ও ওষুধের মাধ্যমে কিডনিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এতে খরচ ও ভোগান্তি উভয়ই কমে আসে।



এ বিষয়ে জানতে চাইলে কিডনি ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক হারুন-উর-রশিদ বলেন, শুরুর দিকে কিডনি রোগের কোনো উপসর্গ থাকে না। শতকরা ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর উপসর্গ দেখা দেয়। আক্রান্তদের একটা বড় অংশ দীর্ঘমেয়াদে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে ভোগে। কিন্তু ৫৫ শতাংশ মানুষ জানেই না তার ডায়াবেটিস রয়েছে। আর উচ্চ রক্তচাপে ভোগাদের  ৬০ শতাংশ রোগীও তা জানে না। কারণ তারা চিকিৎসকের কাছে যায় না। এতে রোগটি ক্রনিক রূপ নেয় এবং নিয়মিত ডায়ালাইসিস করাতে হয়। কিডনি যদি অকেজো হয়ে যায় তাহলে কিডনি প্রতিস্থাপন ও ডায়ালাইসিস ছাড়া বাঁচার উপায় থাকে না। কিন্তু এই দুটি চিকিৎসা পদ্ধতি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। ৯০ শতাংশ রোগীর সেই সামর্থ্য না থাকায় মাঝপথে চিকিৎসা বন্ধ করে দেয়।



দেশে কিডনি রোগ পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রতিস্থাপন বাড়াতে হবে বলে মনে করেন ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন অধ্যাপক ডা. মো. শওকত আলম।  তিনি বলেন, দেশে প্রতিবছর পাঁচ হাজার মানুষের কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে সর্বোচ্চ ৩৬৫ জনের। যা প্রয়োজনের মাত্র ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। দেশে কিডনি দাতার সংকট রয়েছে। একইসঙ্গে এ বিষয়ক আইনি জটিলতাও রয়েছে। এছাড়া বছরে আমাদের দেশে যে পরিমাণ অঙ্গ প্রতিস্থাপন প্রয়োজন, সে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে আমাদের দক্ষ লোকবল তৈরি করতে হবে। এ খাতে সরকারের কোনো বরাদ্দও নেই। ফলে রোগীরা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে।


দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের তথ্য তুলে ধরে শওকত আলম জানান, বাংলাদেশে প্রথম কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয় ১৯৮২ সালে। আর দ্বিতীয় প্রতিস্থাপনটি হয় ১৯৮৮ সালে। এর ধারাবাহিকতায় এ পর্যন্ত তিন হাজার ৬৫ কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। রোগীর সংখ্যা বিবেচনায় তা খুবই কম।


আরও খবর




চিরিরবন্দরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুইজনের কারাদন্ড

মুরাদনগরে ​সম্পত্তির বিরোধে ভাইয়ের হাতে বোন ও ভাতিজা খুন

চিরিরবন্দরে মাদকবিরোধী অভিযানে ২ জনের কারাদন্ড

মুরাদনগরে ​সম্পত্তির বিরোধে ভাইয়ের হাতে বোন ও ভাতিজা খুন

মুরাদনগরে সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

মুরাদনগরে ফুফু-ভাতিজা নিহত, জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে হামলার অভিযোগ

শাজাহানপুরে আমরুল ইউনিয়ন যুবদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।

মাঠের বাস্তব চিত্র তুলে ধরুন, আমরা ব্যবস্থা নেব’: নারায়ণগঞ্জের এসপি

চন্দনাইশে বন্যার্ত ৭৬৬ পরিবারে নগদ অর্থ ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন রেড ক্রিসেন্ট

সেনবাগে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম

সালিশ বৈঠকে যুবককে হত্যা,একজনের যাবজ্জীবন,একজনের ৫ বছরের কারাদণ্ড

বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমাতে উলিপুরে ‘প্রভাতী’ প্রকল্পের সভা অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জ সদরের বি‌ভিন্ন জলাশয়-পুকুরে ১০ হাজার পোনা অবমুক্ত

ফতুল্লায় দুই বেকারিকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদে রসুলপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

গাইবান্ধায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ও তার ভাই আটক

সোনারগাঁয়ে ৩১ নং লাধুরচর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আশরাফুল হাসান পলাশ

জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগে পঞ্চগড়ে আনন্দ, চলছে মিষ্টি বিতরণ

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে ‘অসকস’ সভাপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও চারটি দাবি উপস্থাপন

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছে সালেহ মোঃ আদনান

রংপুরের তারাগঞ্জে বড় বোনের বাসা থেকে ছোট বোনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ময়মনসিংহে কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটস ওয়ার্ল্ডের বিভাগীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত

স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিলেন নওগাঁ ম্যাটসের শিক্ষার্থীরা

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে তেলিজানা আলিম মাদ্রাসায় আলোচনা,রচনা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

শেৱপুরে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আ.লীগ কর্মী সেলিম গ্রেপ্তার

মুরাদনগরে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

সর্বগামী তেতুলিয়া নদীর গ্রাস থেকে মুক্তি চায় গ্রামবাসী

চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টেন্ডার বাণিজ্য নিয়ে তুলকালাম কান্ড, অভিযোগ-বদলি নিয়ে চলছে তদবির

রংপুরের তারাগঞ্জে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচিতে এমপি সাকিলা ফারজানা


এই সম্পর্কিত আরও খবর

খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় হাম-ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ

গুজব ও উস্কানি রুখে প্রমাণনির্ভর রাজনীতি চর্চার আহ্বানে ঢাকায় প্রচারণা

বাবা-মায়ের ভুলে সন্তান ডিভাইসে আসক্তিততে .নীরব মহামারি. হিসেবে দেখা দিয়েছে

১৬ আগস্ট জাতীয় মৎস্য পক্ষ শুরু, ১৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বর্ণপদক

আরো ১২ জেলায় অনলাইন ই-বেইলবন্ড সিস্টেম চালু

রাতেও বিদ্যুতের চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট : জ্বালানিমন্ত্রী

তারেক রহমানের ‘ট্রিলিয়ন ডলার’ ভিশনে বিশ্বাসী মার্কিন ব্যবসায়ীরা: অতুল কেশপ

গ্যাসের সংকট আরও তীব্র, ভোগান্তি চরমে

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের বৈঠক