শিরোনাম
ভোটের সততা নষ্ট হওয়ার বিষয়ে ছাড় দেওয়া হবেনা: নোয়াখালীতে ইসি সানাউল্লাহ পত্নীতলায় জনগণের মুখোমুখি এমপি প্রার্থীরা প্রফেসর ইউনুসের সরকারের সময় দেশে সুবিচার কায়েম শুরু হয়েছে - মেজর হাফিজ জামালগঞ্জে সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন পত্নীতলায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ লালমোহনে বাস চাপায় মা-ছেলেসহ নিহত-৩ মুরাদনগরে সরকারি গুদামে চুরি করতে গিয়ে ৩ চোর আটক দুই সন্তানসহ ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে মায়ের আত্মহত্যা টাঙ্গাইলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সংসদ সদস্য প্রার্থী জাকিরের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালিগঞ্জে মাসিক আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

কিডনি চিকিৎসার সামর্থ্য নেই ৯০ শতাংশ রোগীর

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৪ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

তিন বছর ধরে ক্রনিক কিডনি ডিজিজে (সিকেডি) ভুগছেন গাজীপুরের বাসিন্দা জামাল হোসেন (ছদ্মনাম)। যখন কিডনি রোগ শনাক্ত হয় ততদিনে তার দুটো কিডনিই প্রায় বিকল হয়ে পড়েছে। চিকিৎসকরা প্রতি সপ্তাহে দুইবার করে ডায়ালাইসিসে পরামর্শ দিয়েছেন তাকে। তবে আর্থিক সংস্থান না থাকায় মাসে এক বা দুটি ডায়ালাইসিসি নিচ্ছেন তিনি।


রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে (নিকডো) ডায়ালাইসিসি নেওয়া এই রোগী জানান, ঢাকায় আসা যাওয়া ইনজেকশন, নানাবিধ পরীক্ষা ও আনুসাঙ্গিক খরচ মিলে প্রতি সপ্তাহে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা খরচ হয়। গরিব হওয়ায় এতো টাকা দেওয়ার সামর্থ নেই তার। তিনি বলেন, ‘এতো টাকা কোথায় পাবো? জমি বিক্রি করে চিকিৎসা চালাতে চালাতে এখন আমার কিছু নেই। সপ্তাহে দুইবার ডায়ালাইসিস করানোর কথা থাকলেও আমি নিচ্ছি মাসে।’



দেশে প্রতিবছর পাঁচ হাজার মানুষের কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে সর্বোচ্চ ৩৬৫ জনের। যা প্রয়োজনের মাত্র ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। দেশে কিডনি দাতার সংকট রয়েছে। একইসঙ্গে এ বিষয়ক আইনি জটিলতাও রয়েছে। এছাড়া বছরে আমাদের দেশে যে পরিমাণ অঙ্গ প্রতিস্থাপন প্রয়োজন, সে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে আমাদের দক্ষ লোকবল তৈরি করতে হবে। এ খাতে সরকারের কোনো বরাদ্দও নেই। ফলে রোগীরা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে।



তারই মতো আরেক রোগী জাকির হোসেনের অবস্থাও একই। তারও দুটি কিডনি নষ্ট। কিডনি রোগ শনাক্তের পর থেকেই নিয়মিত ডায়ালাইসিস করাতে হচ্ছে তাকে। আর্থিক সমস্যার কথা জানিয়ে জাকির হোসেন বলেন, প্রথম দিকে নিজের জমানো টাকা খরচ করে চিকিৎসা নিয়েছি। এরপর জমি, বাড়ি বিক্রি করে চিকিৎসা করিয়েছি, ডায়ালাইসিস চালিয়েছি। চার বছর ধরে এভাবে চলতে চলতে নিঃস্ব হয়ে গেছি। সন্তানদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে। এখন কেউ যদি দয়া করে কিছু টাকা দেয় তাহলে ডায়ালাসিসি চলে নয়তো বন্ধ থাকে।


একাধিক রোগীর স্বজনের তথ্যমতে, সরকারি হাসপাতালে ডায়ালাইসিস করাতে আসা-যাওয়া ও আনুসাঙ্গিক খরচ মিলে প্রতিবার দুই থেকে ৫ হাজার টাকা খরচ হয়। অন্যদিকে বেসরকারি হাসপাতালে  ডায়লাইসিসে নুন্যতম ৭ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা লাগে। একজন রোগীর সপ্তাহে দুইবার ডায়লাইসিস করতে হয়। আবার কারও তিনবার করতে হয়। সেক্ষেত্রে খরচ আরও বেড়ে যায়। এছাড়াও কিডনি রোগীর ডায়ালাইসিস চলাকালে যেকোনো মুহূর্তে আইসিইউ বা অক্সিজেন নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। সেটারও বড় ধরনের খরচ রয়েছে। ফলে রোগীরা দীর্ঘমেয়াদে ডায়ালাইসিসও করাতে পারছেন না, মাঝপথেই থেমে যাচ্ছে অনেকের চিকিৎসা। অনেকে ব্যয় মেটাতে নিঃস্ব হচ্ছেন। আবার কেউ কেউ সহায়-সম্বল হারাচ্ছেন।



কিডনি চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশে নানাবিধ কিডনি জটিলতায় ভোগা রোগীর সংখ্যা আনুমানিক ৩ কোটি ৮০ লাখ। যার মধ্যে কিডনি বিকল রোগীর সংখ্যা অন্তত ৪০ থেকে ৫০ হাজার। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ভেজাল খাদ্যগ্রহণ, ধূমপানসহ অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার ও ব্যথানাশক সেবনের কারণে দেশে কিডনি রোগীর সংখ্যা ক্রমে বেড়েই চলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিডনি রোগের চিকিৎসা বেশ ব্যয়বহুল হওয়ায় ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে পারছেন না। এতে মাঝপথে চিকিৎসা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন, যা তার জন্য বয়ে আনছে নিদারুণ কষ্ট এবং অকাল মৃত্যু।



ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালের তথ্যমতে, হাসপাতালটিতে সিডিউল পাওয়া একজন রোগীর প্রতিবার ডায়ালাইসিসের জন্য খরচ নেওয়া হয় ৫৬৩ টাকা। আর সিডিউল ছাড়া প্রতিবার ডায়ালিসিসের জন্য খরচ হচ্ছে ৩ হাজার ৮০ টাকা। অর্থাৎ প্রতিমাসে দুটি হিসেবে সাধারণ রোগীদের ৮টি ডায়ালিসিসের খরচ হচ্ছে ২৪ হাজার ৬৪০ টাকা। বেসরকারি হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠানগুলোর মান বিবেচনায় এ খরচ আরও বহুগুণ বেশি। এছাড়া যাতায়াত, হাসপাতালে অবস্থান, ওষুধ ও ডায়ালাইসিসি সংক্রান্ত আনুসঙ্গিক খরচ তো আছেই।


এমন অবস্থায় সচেতনতা বাড়ানোর বিষয়ে জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞদের। চিকিৎসকরা বলছেন, কিডনি মানব শরীরে অনেকটা ফিল্টারের মতো কাজ করে। এটি শরীরের দূষিত ও ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দেয়। কিন্তু কিডনি যদি সে কাজ করার সক্ষমতা হারায় তখন তাকে ক্রনিক কিডনি ডিজিজ বলা হয়। এ অবস্থায় রোগীর জন্য দুটি পথ খোলা থাকে। একটি ডায়ালাইসিসি অথবা কিডনি প্রতিস্থাপন, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। তবে প্রাথমিক অবস্থায় রোগটি ধরা পড়লে চিকিৎসা ও ওষুধের মাধ্যমে কিডনিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এতে খরচ ও ভোগান্তি উভয়ই কমে আসে।



এ বিষয়ে জানতে চাইলে কিডনি ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক হারুন-উর-রশিদ বলেন, শুরুর দিকে কিডনি রোগের কোনো উপসর্গ থাকে না। শতকরা ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর উপসর্গ দেখা দেয়। আক্রান্তদের একটা বড় অংশ দীর্ঘমেয়াদে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে ভোগে। কিন্তু ৫৫ শতাংশ মানুষ জানেই না তার ডায়াবেটিস রয়েছে। আর উচ্চ রক্তচাপে ভোগাদের  ৬০ শতাংশ রোগীও তা জানে না। কারণ তারা চিকিৎসকের কাছে যায় না। এতে রোগটি ক্রনিক রূপ নেয় এবং নিয়মিত ডায়ালাইসিস করাতে হয়। কিডনি যদি অকেজো হয়ে যায় তাহলে কিডনি প্রতিস্থাপন ও ডায়ালাইসিস ছাড়া বাঁচার উপায় থাকে না। কিন্তু এই দুটি চিকিৎসা পদ্ধতি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। ৯০ শতাংশ রোগীর সেই সামর্থ্য না থাকায় মাঝপথে চিকিৎসা বন্ধ করে দেয়।



দেশে কিডনি রোগ পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রতিস্থাপন বাড়াতে হবে বলে মনে করেন ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন অধ্যাপক ডা. মো. শওকত আলম।  তিনি বলেন, দেশে প্রতিবছর পাঁচ হাজার মানুষের কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে সর্বোচ্চ ৩৬৫ জনের। যা প্রয়োজনের মাত্র ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। দেশে কিডনি দাতার সংকট রয়েছে। একইসঙ্গে এ বিষয়ক আইনি জটিলতাও রয়েছে। এছাড়া বছরে আমাদের দেশে যে পরিমাণ অঙ্গ প্রতিস্থাপন প্রয়োজন, সে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে আমাদের দক্ষ লোকবল তৈরি করতে হবে। এ খাতে সরকারের কোনো বরাদ্দও নেই। ফলে রোগীরা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে।


দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের তথ্য তুলে ধরে শওকত আলম জানান, বাংলাদেশে প্রথম কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয় ১৯৮২ সালে। আর দ্বিতীয় প্রতিস্থাপনটি হয় ১৯৮৮ সালে। এর ধারাবাহিকতায় এ পর্যন্ত তিন হাজার ৬৫ কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। রোগীর সংখ্যা বিবেচনায় তা খুবই কম।


আরও খবর




ফতুল্লায় পাইপ গান, ককটেল ও গুলি উদ্ধার

ভোটের সততা নষ্ট হওয়ার বিষয়ে ছাড় দেওয়া হবেনা: নোয়াখালীতে ইসি সানাউল্লাহ

ফতুল্লায় প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন আওয়ামী লীগ কর্মী

ইসলামী আন্দোলনের উপজেলা সেক্রেটারিসহ ৫০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

গাজীপুরে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মা, মেয়েসহ নিহত-৩

বাগাতিপাড়ায় আ’লীগ নেতার দখলে ভ্যানচালকের একমাত্র রাস্তা, ৯৯৯-এ অভিযোগেও মিলেনি সেবা

উলিপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

পুতুলকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য বিএনপি নেতার কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের জবাব মানুষ ব্যালটের মাধ্যমেই দেবে : ব্যারিস্টার পুতুল

পত্নীতলায় জনগণের মুখোমুখি এমপি প্রার্থীরা

প্রফেসর ইউনুসের সরকারের সময় দেশে সুবিচার কায়েম শুরু হয়েছে - মেজর হাফিজ

জামালগঞ্জে সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন

পত্নীতলায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

লালমোহনে বাস চাপায় মা-ছেলেসহ নিহত-৩

মুরাদনগরে সরকারি গুদামে চুরি করতে গিয়ে ৩ চোর আটক

দুই সন্তানসহ ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে মায়ের আত্মহত্যা

ব্যবসায়ীর চোখ উপড়ে ও লিঙ্গ কর্তন করে হত্যা

খালেদা জিয়া মারা গেছেন

জামালগঞ্জে ডেবিল হান্ট অপারেশনে যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

সিংড়া উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত অধ্যক্ষ রকিবুল ইসলাম

কক্সবাজারে অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি: মাঠে নেমেছেন আপেল মাহমুদ

ঘাটাইলে শীতে খেজুর রস খেয়ে তৃপ্তি পাচ্ছে রসপ্রেমীরা

আখাউড়ায় খালেদা জিয়ার দোয়া মাহফিলে বিএনপির এমপি প্রার্থী কবির আহমেদ

মনোনয়ন বৈধ হলেও ধোঁয়াশা: সুনামগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির দুই প্রার্থী ঘিরে আলোচনা

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কমনওয়েলথ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের শোক

স্বতন্ত্র প্রার্থী সিগমার শোডাউনে কারণে আতঙ্কে কোমলমতি শিশু ও বৃদ্ধারা

সেনবাগ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক বেলাল হোসেন শামীম

সিরাজগঞ্জ–৩ আসনে ১২ দলীয় জোটের চূড়ান্ত এমপি প্রার্থী ড. আব্দুস সামাদ

সেনবাগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৪ ফার্মেসি মালিককে জরিমানা

নাইয়ারা দেশ প্রবাস উন্নয়ন ফোরামের চতুর্থ মেয়াদের কমিটি অনুমোদন

চলমান সংকট নিরসনে তৌহিদ ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের বিকল্প নেই শীর্ষক কর্মী সম্মেলন


এই সম্পর্কিত আরও খবর

ভোটের সততা নষ্ট হওয়ার বিষয়ে ছাড় দেওয়া হবেনা: নোয়াখালীতে ইসি সানাউল্লাহ

দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে: তারেক রহমান

নির্বাচনে লেভেলে প্লেয়িং ফিল্ড নেই: নাহিদ ইসলাম

নীরব এলাকা বাস্তবায়নে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হবে: রিজওয়ানা হাসান

ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে নির্বাচন কমিশন: সিইসি

গ্যাস ও এলপিজি সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত

বাইকে কর্মসংস্থান হাজারো তরুণের

রাজনীতিকে ‘সারভাইভাল ম্যানিফেস্টো’র পথে হাঁটার আহ্বান ড. কামরুজ্জামানের

অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান সুজনের

ঢাকায় অপ্রতিরোধ্য অটোরিকশা, কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া বিমানের চেয়েও বেশি