শিরোনাম
পত্নীতলায় জনগণের মুখোমুখি এমপি প্রার্থীরা প্রফেসর ইউনুসের সরকারের সময় দেশে সুবিচার কায়েম শুরু হয়েছে - মেজর হাফিজ জামালগঞ্জে সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন পত্নীতলায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ লালমোহনে বাস চাপায় মা-ছেলেসহ নিহত-৩ মুরাদনগরে সরকারি গুদামে চুরি করতে গিয়ে ৩ চোর আটক দুই সন্তানসহ ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে মায়ের আত্মহত্যা টাঙ্গাইলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সংসদ সদস্য প্রার্থী জাকিরের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালিগঞ্জে মাসিক আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধাদের থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ সাবেক কমান্ডার হাকিমের বিরুদ্ধে
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

ক্রসফায়ার ছাড়াই উন্নতি আইনশৃঙ্খলার

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

কথিত ক্রসফায়ার প্রায় ৩ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। তারপরেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক উন্নতি হয়েছে বলে দাবী করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড গ্রহণযোগ্য নয়। একটা সময়ে বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে ক্রসফায়ার সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হলেও পরবর্তীতে ক্রসফায়ার নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয় । সর্বশেষ মেজর (অব) সিনহা হত্যার পর বহুল আলোচনা সমালোচনা এবং কিছু কর্মকর্তাদের উপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেদ্ধাজ্ঞার পর থেকে কথিত ক্রসফায়ার বন্ধ রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই কক্সবাজার- টেকনাফে পুলিশের গুলিতে মেজর (অবঃ) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যার পর সারাদেশে এ হত্যাকান্ড নিয়ে তুমুল বিতর্ক এবং আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরবর্তীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও মানবাধিকার নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করে র‌্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তার প্রতি। এসব ঘটনায় বর্তমানে ক্রসফায়ার প্রায় বন্ধই রয়েছে বলে দাবী করছেন সংশ্লিষ্টরা। পুলিশের সাবেক আইজি নুরুল হুদা বলেন, আপাতত মনে হচ্ছে, "ক্রসফায়ার" বন্ধ। এটি একটি ভাল দিক। তিনি বলেন, বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞাই মূলত কাজ হয়েছে। এর আগে অনেক তর্কবিতর্ক এবং প্রতিবাদ হয়েছে। কিন্তু বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড বন্ধ হয়নি।

মানবাধিকার নেত্রী অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেছেন, দেশে ২০১৮, ২০১৯ এবং ২০২০ সালে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছিল বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড। যদিও ২০২২ সালের শেষ কয় মাস ক্রসফায়ার কমছিল । সুলতানা কামাল বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দেয়ার পর বিচার বহির্ভূত হত্যা কমেছে । সরকার বিশ্বের কাছে, জাতিসংঘের কাছে তাদের মানবাধিকার ভাল আছে এ বিষয়টি প্রমাণ করতেই এখন বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড কমেছে। আমরা আশা করবো, এ পরিস্থিতি সরকার অব্যাহত রাখবেন। আইন শৃংখলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা বলেন, র‌্যাব গঠনের পর প্রথম দিকে র‌্যাব সন্ত্রাসী ও জঙ্গিবাদ দমনের অভিযান শুরু করে। ওই সময় ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটতে থাকে। শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হান্নান ক্রসফায়ারে নিহতের পর র‌্যাব জনপ্রিয় হয়েছিল। কিন্তু একটা পর্যায় সমালোচনা শুরু হয়। বলছেন পুলিশের সাবেক একজন পুলিশ। কর্মকর্তা। তিনি আরো বলেন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু বিএনপি সরকার আমলে শীর্ষ সন্ত্রাসী, চরমপন্থী ও জঙ্গিবাদ যেভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল তাদের দমন করতে তখন ব্রাবের প্রয়োজন ছিল। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান আইনশৃঙ্খলারা অনেকটা উন্নতি লাভ করে।

পুলিশ প্রধান আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে ভাল। অপরাধ বিষয়ে অর্থাৎ জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কারণে এখন আইনশৃঙ্খলার উন্নতি হয়েছে। তিনি বলেন, একটা সময় ছিল, দেশের মানুষ সন্ত্রাসী চাঁদাবাজদের হাতে জিম্মি ছিল। ঢাকা মহানগরীতে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের বেপরোয়া দাপট ছিল। এখন সেই পরিস্থিতি নেই। ফলে র‌্যাব- পুলিশের অভিযানের সময় আগে যেভাবে সন্ত্রাসীরা র‌্যাব-পুলিশ সদস্যদের উপরে হামলা করত, এখন সেরকম ঘটে না। ফলে সারাদেশে ক্রসফায়ারও নেই। আজিপির মতে, র‌্যাব-পুলিশ আত্মরক্ষার্থে সন্ত্রাসীদের হামলা প্রতিরোধ করার সময় ক্রসফায়ার হত, এখন তা একেবারেই নেই।

একাদিক মানবাধিকার কর্মী বলছেন, দেশে হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে গেছে কথিত “ক্রসফায়ার” বা “বন্দুক যুদ্ধ”। ২০২৩ সালে তেমন একটা বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেনি। এর আগে সারাদেশে গত ১৯ বছরে ৪ হাজার ৩৮০ জন কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। শুধু ২০০৪ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছেন ৩ হাজার ৮৮০ জন। ২০২২ সালের প্রথম ৮ মাসে অর্থাৎ আগস্ট পর্যন্ত ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছেন ১৮৪ জন। বিচার বহির্ভূত এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আদালতে মামলা হলেও অধিকাংশ ঘটনার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ। ফলে বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের দায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোন শাস্তি হচ্ছে না। এ দাবী করেছেন মানবাধিকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। ২০২২ সালের আগস্ট মাসে সিলেটের জকিগঞ্জে পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ১ জন নিহত হন। পরবর্তীতে ওই বছরের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বর এ ৪ মাস ক্রসফায়ার প্রায়ই বন্ধ থাকে। মানবাধিকার সংগঠন বলছে, ২০২১ -২২ সালে ১৮৪ জনকে ক্রসফায়ারে হত্যার অভিযোগ রয়েছে পুলিশের বিরুদ্ধে। তন্মধ্যে ৭ জন ডিবি পুলিশের ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছে।

নামপ্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেন, অপরাধ দমনের জন্য ক্রসফায়ার গ্রহণযোগ্য নয়। অপরাধীকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। আইন কখনো নিজের হাতে তুলে নেয়া যায় না। অপরাধ বিচারের দায়িত্ব আদালতের। অপরাধীকে গ্রেফতারের পর তার জীবন রক্ষা করা কিংবা হেফাজতে থাকা অবস্থায় যাতে আসামীর শারীরিক কোন ক্ষতি না হয় সে বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে বিবেচনায় রাখা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নৈতিক ও আইনগত দায়িত্ব। র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, সন্ত্রাস দমন ও মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। র‌্যাব বিভিন্ন সময় ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান চালিয়েছে। তবে এখন আগের মতো বন্দুকযুদ্ধের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে না। র‌্যাব কখনোই বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডকে সমর্থন করে না। তবে অনেক সময় ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে নিজেদের জানমালের রক্ষা করতে গিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। এখন সে ধরনের ঘটনাও ঘটছে না।

মানবাধিকার সংগঠনের তথ্য অনুযায়ী, মহামারি করোনাকালীন সময়েও ২০২০ সালে ৩০০টি বিচার বহির্ভূত হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ সময়ে পুলিশ হেফাজতে ১২ জন নিহত হয়েছেন। ২০২১ সালে ক্রসফায়ারে ২১ জন নিহত হয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে হঠাৎ করেই বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড বন্ধ হয়ে গেছে। কথিত “বন্দুকযুদ্ধ” বা ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেনি গত দেড় বছর ধরে। এর আগে ২০২২ প্রথম ৮ মাসে বন্দুকযুদ্ধে ১৮৪ জন নিহত হয়েছেন। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এ তথ্য জানিয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনের বিশিষ্ট নেতা ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ নুর খান লিটন বলেছেন, অপরাধ দমনের নামে কাউকে হত্যা করা বড় অপরাধ। বর্তমানে কথিত “বন্দুকযুদ্ধ” বা ক্রসফায়ার প্রায় বন্ধ রয়েছে।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) এর এক পরিসংখ্যান মতে, ২০০৪ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত কথিত “বন্দুকযুদ্ধ” বা ক্রসফায়ারের ঘটনায় ৪ হাজার ৩৪০ জন নিহত হয়েছেন। বিচার বহির্ভূত এসব হত্যাকান্ডে আদালতে কয়েকটি মামলা হলেও পরবর্তীতে পুলিশ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দায়মুক্তি দিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন আসকের হিসাব মতে, ২০১৯ সালে শুধু অক্টোবর মাসেই ৩১ জনকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়েছে। ২০১৯ সালের জানুয়ারী থেকে নভেম্বর পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহি নীর হাতে ৩৬১ জন নিহত হয়েছেন কথিত ক্রসফায়ারে। তবে ২০১৮ সালে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ৪২১ জনকে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবী করছেন মানবাধিকার সংগঠনের নেতারা। ইতোপূর্বে মানবাধিকার সংস্থা অধিকার এক প্রতিবেদনে বলেছে, ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত চারদলীয় জোট সরকার আমলে “অপারেশন ক্লিন হার্ট” ও ক্রসফায়ারে ১ হাজার ১৯৯ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এসব হত্যাকান্ডের বিচার আজো হয়নি। ২০০২ সাল থেকে ২০০৩ সালে টানা ৮৫ দিনে যৌথ বাহিনীর "ক্লিন হার্ট” অভিযানে এ সময় ৪৬ জনকে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসলেও তা অব্যাহত থাকে। ২০০৭ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত অন্তত ৩৪০ জনকে বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের শিকার হতে হয়েছে। আবার মানবাধিকারের হিসাব মতে ২০০৯ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ২ হাজার ৫৭০ জনকে বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের শিকার হতে হয়েছে। তবে বিভিন্ন সংস্থা তথ্য পরিসংখ্যানে অনেক গড় মিল রয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, দেশে খুন, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ধর্ষণ, নারী-শিশু নির্যাতন ও অপহরণ কমেছে। ফলে এ সংক্রান্ত মামলাও কমেছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানায়, রাজধানী ঢাকায় ২০২২ সালে বিভিন্ন অপরাধে ২৮ হাজার ৭৪৯টি মামলা হয়েছে। ২০২২ সালে ১৭৩ জন খুন হয়েছেন ।

বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট সরকার আমলে আইনশৃঙ্খলা উন্নতির লক্ষ্যে গঠন করা হয় র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব)। প্রথমে এ বিশেষ বাহিনীর নাম রাখা হয়েছিল র‌্যাপিড অ্যাকশন টিম বা র‌্যাট। এ বাহিনীর প্রধান ছিলেন একজন উপ-পুলিশ কমিশনার। কিন্তু এ বাহিনীর নামের ইংরেজি অদ্যক্ষর দিয়ে এর সংক্ষিপ্ত নাম দাঁড়ায় র‌্যাট- যার বাংলা অর্থ ইঁদুর। এ নিয়ে পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনী আপত্তি জানালে র‌্যাট পরিবর্তন করে র‌্যাব নাম রাখা হয়। তবে র‌্যাট নামে এ বিশেষ বাহিনী গঠনের পরপরই তৎকালীন সময়ের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী লিয়াকত হোসেনকে গ্রেফতার করে এ বিশেষ বাহিনী আলোচনায় আসে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিএনপি জোট সরকার যখন ক্ষমতায় আসে তখন দেশে অনেকগুলো সন্ত্রাসী বাহিনী ছিল। পেশাদার এসব সন্ত্রাসী বাহিনীর মধ্যে প্রায় প্রতিদিনই গোলাগুলি, খুনোখুনি হত। এসব সন্ত্রাসীর কারণে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়ঙ্করভাবে অবনতি ঘটে। রাজধানীতে শীর্ষ সন্ত্রাসী কালা জাহাঙ্গীরের নামে জাহাঙ্গীর গ্রুপ, জিসান গ্রুপ, পিচ্ছি হান্নান গ্রুপ ইত্যাদি নামে সন্ত্রাসী বাহিনীগুলো চাদাবাজি, হত্যা, অপহরণ, ডাকাতি করে মানুষকে জিম্মি করে রাখে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চ্যালেঞ্জ করে এসব বাহিনী দেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। তখন দেশে চরমপন্থী ও জঙ্গি সংগঠনসহ বিভি- ন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপ সৃষ্টি হয়। এ কারণেই বিশেষ বাহিনী র‌্যাব গঠন করে বড় বড় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে র‌্যাব।

২০০৪ সালের ২৬শে মার্চ র‌্যাব গঠন করা হলেও তাদের কার্যক্রম শুরু হয় ওই বছরের জুন মাসে। বিশেষ বাহিনী র‌্যাব-পুলিশের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি), বিমান বাহিনী, পুলিশ, আনসার ও কোস্টগার্ড থেকে চৌকস সদস্যদের নিয়ে র‌্যাব তাদের কার্যক্রম চালায়। তখন থেকেই সন্ত্রাস দমনের অভিযানে কথিত বন্দুকযুদ্ধ বা ক্রসফায়ারে সন্ত্রাসী নিহত হয়। র‌্যাবের অভিযান শুরুর পর পর বিএনপি সরকার আমলে থেকেই শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার, জঙ্গি বিরোধী অভিযান এবং চরমপন্থী দমনে ব্যাপক সফলতা অর্জন করে র‌্যাব। ফলে রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে র‌্যাব। পরবর্তীতে এই র‌্যাব সমালোচনার মুখে বিতর্কিত হতে থাকে ক্রসফায়ারের কারণে। শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হান্নানের ক্রসফায়ারের মধ্য দিয়ে শুরু হয় র‌্যাবের কথিত বন্দুকযুদ্ধ। সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহাকে টেকনাফে ওসি প্রদীপের নেতৃত্বে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা করা হয়। এরপরেও কয়েকটা ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটে। মূলত মেজর (অবঃ) সিনহার ঘটনার পর থেকে প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে ক্রসফায়ার।



আরও খবর




ফতুল্লায় প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন আওয়ামী লীগ কর্মী

ইসলামী আন্দোলনের উপজেলা সেক্রেটারিসহ ৫০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

গাজীপুরে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মা, মেয়েসহ নিহত-৩

বাগাতিপাড়ায় আ’লীগ নেতার দখলে ভ্যানচালকের একমাত্র রাস্তা, ৯৯৯-এ অভিযোগেও মিলেনি সেবা

উলিপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

পুতুলকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য বিএনপি নেতার কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের জবাব মানুষ ব্যালটের মাধ্যমেই দেবে : ব্যারিস্টার পুতুল

পত্নীতলায় জনগণের মুখোমুখি এমপি প্রার্থীরা

প্রফেসর ইউনুসের সরকারের সময় দেশে সুবিচার কায়েম শুরু হয়েছে - মেজর হাফিজ

জামালগঞ্জে সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন

পত্নীতলায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

লালমোহনে বাস চাপায় মা-ছেলেসহ নিহত-৩

মুরাদনগরে সরকারি গুদামে চুরি করতে গিয়ে ৩ চোর আটক

দুই সন্তানসহ ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে মায়ের আত্মহত্যা

টাঙ্গাইলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সংসদ সদস্য প্রার্থী জাকিরের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়

কালিগঞ্জে মাসিক আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

ব্যবসায়ীর চোখ উপড়ে ও লিঙ্গ কর্তন করে হত্যা

খালেদা জিয়া মারা গেছেন

জামালগঞ্জে ডেবিল হান্ট অপারেশনে যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

সিংড়া উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত অধ্যক্ষ রকিবুল ইসলাম

কক্সবাজারে অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি: মাঠে নেমেছেন আপেল মাহমুদ

ঘাটাইলে শীতে খেজুর রস খেয়ে তৃপ্তি পাচ্ছে রসপ্রেমীরা

আখাউড়ায় খালেদা জিয়ার দোয়া মাহফিলে বিএনপির এমপি প্রার্থী কবির আহমেদ

মনোনয়ন বৈধ হলেও ধোঁয়াশা: সুনামগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির দুই প্রার্থী ঘিরে আলোচনা

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কমনওয়েলথ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের শোক

সেনবাগ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক বেলাল হোসেন শামীম

সিরাজগঞ্জ–৩ আসনে ১২ দলীয় জোটের চূড়ান্ত এমপি প্রার্থী ড. আব্দুস সামাদ

সেনবাগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৪ ফার্মেসি মালিককে জরিমানা

স্বতন্ত্র প্রার্থী সিগমার শোডাউনে কারণে আতঙ্কে কোমলমতি শিশু ও বৃদ্ধারা

নাইয়ারা দেশ প্রবাস উন্নয়ন ফোরামের চতুর্থ মেয়াদের কমিটি অনুমোদন

চলমান সংকট নিরসনে তৌহিদ ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের বিকল্প নেই শীর্ষক কর্মী সম্মেলন


এই সম্পর্কিত আরও খবর

দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে: তারেক রহমান

নির্বাচনে লেভেলে প্লেয়িং ফিল্ড নেই: নাহিদ ইসলাম

নীরব এলাকা বাস্তবায়নে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হবে: রিজওয়ানা হাসান

ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে নির্বাচন কমিশন: সিইসি

গ্যাস ও এলপিজি সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত

বাইকে কর্মসংস্থান হাজারো তরুণের

রাজনীতিকে ‘সারভাইভাল ম্যানিফেস্টো’র পথে হাঁটার আহ্বান ড. কামরুজ্জামানের

অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান সুজনের

ঢাকায় অপ্রতিরোধ্য অটোরিকশা, কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া বিমানের চেয়েও বেশি

নির্বাচন ঘিরে বডি ক্যামেরা সংকট; দায়িত্বে থেকেও বন্ধ অনেকের ক্যামেরা