
সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না বলিউডের হিট অ্যান্ড ফিট অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির। একের পর এক বিতর্ক পিছু করছে তার। প্রায়ই স্বামী রাজ কুন্দ্রার বিষয়ে শিরোনামে আসতে হয় অভিনেত্রীকে। কখনো আবার তদন্তকারী সংস্থার তলব। এরপর নাম জড়িয়েছিল বিটকয়েন জালিয়াতি মামলায়। যার কারণে বাড়িছাড়া হতে হয়েছে শিল্পাকে। এই অভিনেত্রীর নামে কেনা জুহুর সমুদ্রমুখী বিলাসবহুল বাংলো বাড়িটি এখন ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ইডির (এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট) নজরদারিতে। শুধু এই বাড়ি নয়, তাদের প্রায় ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। এরপরও রেহাই মেলেনি অভিনেত্রীর। একাধিকবার সাক্ষাতের পরও রাজের পর্নোকাণ্ডের জেরে পুনরায় ইডি ডাক পাঠিয়েছে শিল্পাকে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, সম্প্রতি আরও একবার রাজ-শিল্পার বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি। বেশ কিছুদিন ধরে মুম্বাই এবং উত্তরপ্রদেশের ১৫টি এলাকায় চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তদন্তকারীরা। সে কারণে বাদ যায়নি রাজকুন্দ্রাসহ সংশ্লিষ্ট মামলায় জড়িত বাকিদের বাসস্থানও।
প্রাপ্তবয়স্কদের অ্যাপ খোলার জন্য বছরখানেক আগেই হাজতবাস হয়েছিল রাজের। দুই মাস জেলে কাটানোর পর জামিন পেয়েছিলেন। সেই স্মৃতি অতীতের খাতায় ফেলে যখন স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করছেন রাজ-শিল্পা, তখনই আবার দুয়ারে কড়া নাড়া শুরু করেছে ইডি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম থেকে আরও জানা গেছে, কয়েক মাস আগে মহারাষ্ট্র ও দিল্লি পুলিশের কাছে ভ্যারিয়েবল টেক প্রাইভেট লিমিটেড নামের একটি সংস্থার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে।
সেখানে অমিত ভরদ্বাজ, বিবেক ভরদ্বাজসহ আরও বেশ কয়েকজনের নাম উঠে আসে অভিযুক্ত হিসেবে। যারা বিটকয়েনে বিনিয়োগের নামে কয়েক হাজার কোটি টাকা তুলেছেন। যাদের কাছ থেকে তারা টাকা তোলেন, তাদের প্রতি মাসে বিটকয়েনে ১০ শতাংশ টাকা রিটার্ন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। ক্রিপ্টো সম্পত্তি গড়ে তোলার লোভে অনেকেই টাকা ঢালেন ওই সংস্থায়। কিন্তু ওই সংস্থা সবাইকে ঠকানোয় একাধিক মামলা দায়ের হয়।
এ মামলার তদন্তে নেমেই মূলত রাজের সঙ্গে ওই সংস্থার সংযোগ খুঁজে পায় ইডি। হাজার কোটির দুর্নীতি, ইডির মামলা, যাবতীয় আইনি জটের মাঝেই গত আগস্টে ৩ কোটি টাকার বিলাসবহুল গাড়ি কিনে আবার সংবাদ শিরোনামে আসেন রাজ ও শিল্পা। যার সুবাদে তাদের দিকে বেড়ে যায় ইডির নজরদারি।







































