
আরাফাত আলী,স্টাফ রিপোর্টার :
সাতক্ষীরা-৩ (কালিগঞ্জ-আশাশুনি) আসনে বিএনপির প্রার্থী মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে আশাশুনিতে টানা সপ্তম দিনের মতো বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৯ নভেম্বর) সকাল ১০টায় আশাশুনি উপজেলার তুয়ারডাঙ্গা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ কর্মসূচি পালিত হয়। বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা স্লোগান দেন— “কাজী নয়, শহিদুল চাই”, “গরিবের ডাক্তারকে মনোনয়ন দাও”, “হটাও কাজী, বাঁচাও ধানের শীষ।এসময় গদাইপুর মৎস্য সেট থেকে তুয়ারডাঙ্গা ব্রিজ পর্যন্ত সড়কজুড়ে শত শত মানুষের স্লোগানে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। সমাবেশে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ছাড়াও বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খাজরা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি সালাউদ্দিন আহমেদ,
এবং সঞ্চালনা করেন উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সহ-সভাপতি আব্দুল লতিফ। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলী জুলি।
এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সদস্য আব্দুস সালাম বাচ্চু, ছাত্রদলের সভাপতি সেলিম হোসেন লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান হোসেন, ছাত্রনেতা জাকির হোসেন সান্টু, ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সেলিম মোল্লা,সাধারণ সম্পাদক শাহ জামাল হোসেন,৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাদশা আলমগীর কেনা, হাবিবুর রহমান বাবু, রমজান খা সুজন সরদার, পলাশ রায় প্রমুখ। বক্তারা বলেন, “ডা. শহিদুল আলম কোনো ব্যক্তি-নির্ভর রাজনীতির নাম নয়; তিনি মানুষের আশা ও ভরসার প্রতীক। গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিনা পারিশ্রমিকে চিকিৎসা দিয়েছেন, কোনো প্রতিদান চাননি। এমন একজন মানবিক প্রার্থীকে উপেক্ষা করা হলে দল জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। তারা আরও বলেন, “ভুল মনোনয়ন দিলে এই আসনটি হারাবে বিএনপি। কাজী আলাউদ্দিনের মনোনয়ন প্রত্যাহার না করা হলে আন্দোলন আরও কঠোর করা হবে।বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “কেন্দ্র সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না করলে রাস্তাই হবে আমাদের শেষ আশ্রয়স্থল।





























