
মোঃ আল মামুন,বিশেষ প্রতিনিধিঃ
গত ৩ নভেম্বর আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বিএনপির ২৩৭ জন সম্ভব্য সংসদ সদস্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে বিএনপির মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। যেখানে সাংসদীয় আসন-১২৮ বা পিরোজপুর-৩(মঠবাড়িয়া উপজেলা) থেকে বিএনপির মনোনয়ন পান আলহাজ্ব রুহুল আমিন দুলাল। এই আসনেই মনোয়ন পাওয়ার জোর আলোচনা ছিলো ছিলো যুবদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এ.আর মামুন খান।কিন্তু মনোনয়ন না পেলেও দমে জাননি তিনি। কাজ করে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা নিয়ে।
ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা তৃণমূলের সাধারণ নাগরিকদের মাঝে পৌঁছে দিতে "বটম টু টপ" মেথড পদ্ধতিতে সরাসরি তৃণমূল জনগনের সাথে "নাগরিক প্রত্যাশা ও বিএনপির ৩১ দফা" শীর্ষক "পিপলস ডায়ালগ" বাংলাদেশ প্রথম এই ব্যতিক্রম অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন এ.আর মামুন খান।
চলমান এই প্রোগ্রামটি মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার বড় মাছুয়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে অনুষ্ঠিত হয় মামুন খানের নেতৃত্বে। এ সময়ে সিএনজি চালক, রিকশা চালক, চা বিক্রেতা, দোকানদার, নাপিত,কৃষক, জেলে, শ্রমিক, চাকরিজীবী, সাংবাদিক,ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসক, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রবাসী এবং এলাকার সম্মানিত ব্যক্তিরা অতিথি হিসাবে থাকেন।উপস্থিত অতিথিদের মাঝে এ সময় ডিজিটাল প্রজেক্টারের মাধ্যমে ৪টি পর্বের মাধ্যমে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শাসনামলে কেমন ছিল, তা প্রচার করা হয়।
এ সময় কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহপ্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক আরাফাত বিল্লাহ খান, বেতমোর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এসএম ফেরদৌস রুম্মান, মঠবাড়িয়া উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন, মঠবাড়িয়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক অহিদুজ্জামান মিল্টন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে আগত বিভিন্ন পেশার অতিথিরা বিএনপির কাছে তাদের প্রত্যাশা তুলে ধরেন।
বেতমোর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এসএম ফেরদৌস রুম্মান বলেন, ‘বিগত স্বৈরাচার স্থানীয় সরকারকে ধ্বংস করে দিয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে আমার প্রত্যাশা থাকবে যেন, স্থানীয় সরকারকে পুনরায় শক্তিশালী করা।’
এ.আর মামুন খান বলেন, 'শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামল এবং বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশ নায়ক জনাব তারেক রহমানের ৩১ দফা সকল নাগরিকদের মাঝে তুলে ধরার জন্যই এই আয়োজন করা হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফায় দেশের সকল জনগনের আশা-আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরা হয়েছে।এছাড়া গত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আমলে নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়ার শাসনামল তাদের দেশ গঠনে ভূমিকা জানতে দেওয়া হয়নি। এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আমরা এই প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আমি চাই, এই প্রজন্ম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সম্পর্কে জানুক, জিয়াউর রহমানের শাসনামল সম্পর্কে জানুক।’দেশ নায়ক জনাব তারেক রহমানের রাষ্ট্র চিন্তা সম্পর্কে জানুক, বিএনপির জনগণকে নিয়ে পরিকল্পনা নিয়ে জানুক।'
তিনি আরো বলেন, 'নির্বাচন এলেই অনেকই কর্মীদের ব্যবহার করে কিন্তু নির্বাচনের পর তাদের খোঁজ খবর থাকে না।আমি এই পদ্ধতি থেকে বের হয়ে আসতে চাই।আমি মঠবাড়িয়া থেকে বেকার মুক্ত করতে চাই।হৃদয়ে মঠবাড়িয়া ধারণ করে সকলকে নিজের একটি সুন্দর মঠবাড়িয়া করতে চাই।'
তিনি আরো বলেন,'আমি দল থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলাম কিন্তু দল যাকে যোগ্য মনে করেছে, তাকে মনোনীত করেছে। আমি দলের মনোনীত প্রার্থীর হয়ে কাজ করব।’




























