
মো কামরুল হোসেন সুমন, মনপুরাঃভোলা জেলার মৎস্য দপ্তর ও মনপুরা উপজেলা মৎস্য দপ্তরের পরিচালিত বিশেষ কম্বিং অপারেশন ২০২৬ এর ২য় ধাপের অভিযানে ও মনপুরা উপজেলা মৎস্য দপ্তরের ও উপজেলা প্রশাসনের একটি যৌথ টিম আজ ১৫-জানুয়ারী-২৬ খ্রিস্টাব্দ রোজ শনিবার মেঘনা নদীর ৪নং দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়ন লতাখালি ঘাট,আলমপুর রাস্তার মাথা,জনতা বাজার মাছ ঘাট পয়েন্টে অভিযান চালািয়ে ৫ টি বিহুন্দী জাল আটক করে।যার বাজার মূল্য আনুমানিক ২লাখ৫০ হাজার টাকা। তবে এসময় কোনো নৌকা বা জেলেকে আটক করা সম্ভব হয়নি।জব্দকৃত জাল গুলো আগুনে পুড়িয়ে বৃনষ্ট করা হয়েছ। বিশেষ কম্বিং অপারেশন -২০২৬ এর ২য় ধাপের দ্বিতীয় দিনের অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ড.মো: মোতালেব হোসেন, পরিচালক(অভ্যন্তরীণ মৎস্য) ,মো আবুল কালাম আজাদ, সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা শাখা), জনাব মোঃ মাহবুবুর রহমান উপ-প্রকল্প পরিচালক,ইলিশ সম্পদ ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প, মৎস্য অধিদপ্তর, রমনা, ঢাকা।মোঃ ইকবাল হোসেন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভোলা, মো: আবু মুছা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার,মনপুরা, উজ্জ্বল বনিক, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনপুরা ও অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক জানান, মেঘনার জনতা বাজার,লতাখালি,রাস্তার মাথা ও পচা কোড়ালিয়া মাছ ঘাট পয়েন্টে আমরা ক্ষতিকর বিহুন্দী জাল জব্দ করতে পেরেছি।যারা বিহুন্দী জাল দিয়ে ছোট মাছ শিকার করবে তাদের আটক করার জন্য মৎস্য দপ্তরের টিম নিয়মিত অভিযানে রয়েছে।ছোট মাছের পোনা ধ্বংসকারী বিহুন্দী জালের উপর অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন,কিছু অসাধু জেলে সুযোগ বুঝে নদীতে বিহুন্দী জাল বসিয়ে মাছ শিকারে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলে তাদের আটক করার চেষ্টা করা হয়। জেলেদের পাওয়া না গেলেও জব্দ করা হয় জাল।উক্ত অসাধু জেলেরা যাতে নদীতে অবৈধ জাল দিয়ে বিহুন্দী জাল বসিয়ে মাছ ধরতে না পারে সেই জন্য এলাকার সচেতন মহলের সহযোগিতা চান মৎস্য কর্মকর্তা।





























