
নেত্রকোনা স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মানিক: মিয়া
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় হাওড়ে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত করার অভিযোগে মোঃ হেলাল মিয়ার আবেদনের পর ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩৩ ধারায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) সুখময় সরকার। এ বিষয়ে তিনি ১৯ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে আদেশনামা জারি করেন।
জারি করা আদেশে মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জকে অভিযোগের বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দেন এডিএম। এ ছাড়া পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আদেশের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
অভিযোগকারী হেলাল মিয়া বলেন,
“আবুল কালাম বহুদিন ধরে ব্যক্তিগত স্বার্থে রাস্তা কেটে মাছ ধরে। এতে এলাকাবাসী ভোগান্তিতে পড়লেও আমরা বলতে পারিনি। এবার যাতে এমন আর না হয়, তাই আইনের দ্বারস্থ হয়েছি।”
স্থানীয়দের অভিযোগ—রাস্তা কেটে দেওয়ায় আগাম বন্যায় ফসলহানির ঝুঁকি বাড়ে, হাওড়পাড়ের মানুষের চলাচল বিঘ্নিত হয় এবং ধান আনা-নেওয়াতেও সমস্যা দেখা দেয়। তারা ঘটনার দ্রুত তদন্ত ও স্থায়ী সমাধান দাবি করেছেন।
অভিযুক্ত আবুল কালাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,
“রাস্তাটি আমার জমির ওপর। মাছ ধরার সময় রাস্তা কাটলেও পরে আমি ঠিক করে দিই। মাছ বিক্রির অর্ধেক টাকা মসজিদ ও এতিমদের জন্য দান করি। এতদিন কোনো সমস্যা হয়নি, এখন হঠাৎ আপত্তি তুলছে।”
তিনি আরও জানান, তার প্রাপ্য ক্ষুণ্ণ না হলে তিনি আইনগত সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন।
চলমান এই তদন্তের ফলাফলের দিকে এখন তাকিয়ে আছে হাওড়পাড়ের সাধারণ মানুষ।





























