
নিজস্ব প্রতিবেদক
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের কাদবা গ্রামের মিতালী পোল্ট্রি শিল্প প্রতিষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মৃত ফজলুর রহমানের পুত্র জাফর আহমদের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি প্রাপ্ত সুরক্ষিত পোল্ট্রি শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধের জন্য পারিবারিক শত্রুতার কারণে থানায় ও পরিবেশ অধিদপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ করেন অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাই মৃত ফজলুর রহমানের পুত্র আলী আকবর এবং তার পুত্র আহসান হাবিব।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মিতালি পোল্ট্রি শিল্প প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী জাফর আহমদ বলেন আমি দীর্ঘ ১১ বছর প্রবাসে ছিলাম পরে ২০০৪ সালে দেশে এসে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে প্রশিক্ষণ নিয়ে এলাকায় বিভিন্ন কৃষি প্রকল্প করে আসি। পরে ২০১৭ সালে পরিবেশ অধিদপ্তরে অনুমোদন নিয়ে মিতালি লেয়ার পোল্ট্রি শিল্প স্থাপন করি। আমি প্রবাসে থাকা অবস্থায় আমার ভাই ও ভাতিজা বিগত সরকারের আমলে মিজানুর রহমান, বেলায়েত হোসেন নেভী ও বর্তমান ওয়ার্ড মেম্বার জামাল উদ্দিন এর সহযোগিতায় আমার ১০ শতাংশ জমে জোরপূর্বক দখল করে নেয়। এবং চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয় সে সময় তাদের ক্ষমতার কারণে আমি তাদের বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারেনি। ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পরে আমি আমার জায়গা ও চলাচলের উদ্ধার করতে গেলে তারা বাধা প্রদান করে।
এবং তারা হিংসার বসতি হইয়া আমার ক্ষতি সাধনের লক্ষ্যে আমার মালিকানাধীন মিতালী পোল্ট্রি শিল্প প্রতিষ্ঠানটি বন্ধের জন্য থানায় ও পরিবেশ অধিদপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ করে। বর্তমানে আমার চারটি সেটে প্রায় ৫০০০ লেয়ার মুরগি রয়েছে। আমি সেট গুলো পরিবেশ বান্ধব রাখতে চায়না প্রযুক্তি ব্যবহার করে বায়োগ্যাস উৎপাদন করে বর্তমানে প্রায় চল্লিশটির ও অধিক পরিবারে বায়ুর গ্যাস প্রদান করি। এবং পর্যায়ক্রমে ৮০ পরিবারে বায়োগ্যাস প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে। পাঁচজন লোক এতে কর্মরত রয়েছে।
এ ব্যাপারে অভিযোগকারি আলী আকবর বলেন, আমি তার ১০ শতাংশ জমি দখল করিনি এটা আমার মায়ের দেওয়া।
এ ব্যাপারে মেম্বার জামাল উদ্দিন বলেন তারা দুজনই আমার কাকা আমি চেষ্টা করেছি বিষয়টি সমাধানের জন্য তারা কেউ আমার কথা শুনে না।
নাঙ্গলকোট থানা তদন্ত কর্মকর্তা এসআই গণেশ বলেন আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি বাদি বিবাদি আপন ভাই হওয়ায় এলাকায় সমাধানের জন্য পরামর্শ দিয়ে আসছি।
কুমিল্লা পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা রায়হান হোসেন বলেন আমাদের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ এসেছে আমরা ৩০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে ঘটনাস্থলে সরে জমিনে গিয়ে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।





























