
নারায়ণগঞ্জে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া ২১ পরিবারের মাঝে ৪২ লাখ টাকার সরকারি আর্থিক অনুদান বিতরণ করেছে জেলা পরিষদ। বুধবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা প্রত্যেক শহীদ পরিবারের স্বজনদের হাতে ২ লাখ টাকা করে এই অনুদানের চেক তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবারের সদস্যরা জেলার প্রতিটি শহীদের ছবি ও নামসহ একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ, মামলা পরিচালনায় সরকারি সহায়তা এবং শহীদদের কবর সংরক্ষণের দাবি জানান।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতা যে লক্ষ্য নিয়ে রক্ত দিয়েছেন, তাদের আন্দোলন সফল হয়েছে। ফ্যাসিবাদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করেছেন। তারা যে দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করাই হবে তাদের আত্মত্যাগের যথার্থ মর্যাদা। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে শহীদ পরিবারের পাশে থাকবে সরকার এবং জেলা প্রশাসন।”
অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসনে আরা বেগম সভাপতিত্ব করেন। আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) ড. মো. মনিরুজ্জামান, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মুশিউর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইব্রাহিম হোসেন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ, গণসংহতি আন্দোলনের জেলা সমন্বয়ক তরিকুল সুজন এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা আহ্বায়ক নিরব রায়হান।
অনুষ্ঠানে বক্তারা শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ মর্যাদা রক্ষায় সমাজ ও রাষ্ট্রকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।



































