
জাহিদ হাসান মুক্তার, পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় নবনির্মিত দুই কিলোমিটার বাইপাস সড়ক দিয়ে ছোট-বড় সবধরনের যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে। এতে যানজট কমলেও বেড়েছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। বিশেষ করে বাইপাসের মধ্যভাগে চারটি সড়কের সংযোগস্থলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে ঝুঁকি। দুর্ঘটনা রোধে সেখানে দ্রুত একটি গোলচত্বর নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পাকুন্দিয়া পৌরসদর বাজারের পশ্চিম পাশে যানজট নিরসনে নির্মিত হয়েছে বাইপাসটি। এর মধ্য দিয়ে পাকুন্দিয়া-হোসেনপুর, কিশোরগঞ্জ-ঢাকা, চরফরাদী ও গুণিবাড়ি-আনোয়ারখালী সড়ক এক হয়েছে। ফলে এটি চার রাস্তার ব্যস্ত সংযোগস্থলে পরিণত হয়েছে। নতুন সড়ক হওয়ায় যানবাহন চলছে অতিরিক্ত গতিতে। ইতোমধ্যে কয়েকটি ছোট দুর্ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, “বাজারের যানজট কমলেও বাইপাসে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণে নেই। গোলচত্বর নির্মিত হলে দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমবে।”
অন্য এক স্থানীয় যুবক জয় বলেন, “আমরা সচেতনতা বাড়াতে সাইনবোর্ড লাগিয়েছি, তবুও দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়ে গেছে। গোলচত্বরই একমাত্র সমাধান।”
পৌর প্রশাসক রিফাত জাহান জানান, “বাইপাসের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর যদি গোলচত্বর নির্মাণ না করে, পৌরসভা নিজ উদ্যোগে তা করবে।”
অন্যদিকে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শাকিল মোহাম্মদ ফয়সাল বলেন, “প্রকল্পে গোলচত্বরের উল্লেখ নেই। তবে আপাতত গতিরোধক বসানো হয়েছে, ভবিষ্যতে গোলচত্বর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।”
স্থানীয়দের মতে, গোলচত্বর নির্মাণই পারে ব্যস্ত বাইপাস সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে।





























