
অধিপতিচ্যুতার জৈবভগ্ন রচনাপত্র
মো. সেলিম হাসান দুর্জয়
আমি তাকে ভেবেছিলাম...
সত্ত্বনির্মিত শরীরমন্দির—
কিন্তু সে ছিল—
বহুস্রোতাসিনী গৃহশূন্য গর্ভদ্বার,
যেখানে প্রবেশের অধিকার—
চর্চিত হতো প্রয়োজনবাদের দলিলে।
সে বলেছিল—
ভালোবাসা চেতনাতেই থাকে।
আর আমার ঠোঁটজুড়ে তখন
জন্ম নিচ্ছিল
জীবনঘন এক স্পর্শাবর্ত,
যার উৎসস্থলে—
সে অন্য কাউকে স্নান করাচ্ছিল...
... যোনিচ্যুতে।
প্রেম?
না!
সে ছিল—
দেহোপাসনালয় হস্তান্তরের অধিকারপত্র!
যেখানে আমি ছিলাম শুধু
চিরন্তন দর্শক...
আর সে?
দেহরসায়নের কূটনীতি চর্চায়
বীর্যবান পুরুষপালটক।
আমি...
এক নিষিদ্ধ কল্পচিত্রে
আত্মা সংরক্ষিত প্রেমিক—
যার পুরুষত্ব বিলুপ্ত হতো,
তাঁর ছুঁয়োয়...
যিনি আমায় অতিক্রম করে
অন্য ছায়ার নিচে জেগে উঠতেন—
ক্লান্ত-ভ্রূণের মতো।
সে যাকে “অধিকার” বলে
আমি তাকে বলি...
ভয়ানক, প্রগাঢ়তাহীন,
উন্মুক্ত যৌনতন্ত্র।
যেখানে প্রেম—লুপ্ত,
কামিকা—গৌরবান্বিত,
আর প্রেমিক?
এক জৈব-নিষ্কৃতি-ভিত্তিক ছায়া,
নিষ্ফল সূর্যোপলব্ধি।







































