
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জোটের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও হেফাজতে ইসলাম নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি মুফতি মনির হোসেন কাসেমী বলেছেন, দেশের রাজনীতিতে চাঁদাবাজি, দখলবাজি, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান সবসময়ই কঠোর। তাঁর ভাষায়, ‘যে–দল বা গোষ্ঠীরই হোক, অন্যায়কারীরা কোনো ছাড় পাবে না।’
সোমবার (২৪ নভেম্বর) নারায়ণগঞ্জ শহরের সিনামন চাইনিজ রেস্টুরেন্টে কারামুক্তির দুই বছর উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। মনির কাসেমীর দাবি, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরবিরোধী কর্মসূচির পরিকল্পনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে তাঁকে কারাগারে যেতে হয়েছিল। আলোচনায় তিনি নিজেকে “ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সামনের সারির কর্মী” হিসেবেও উল্লেখ করেন।
সভায় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, রাজনৈতিক ভিন্নমত দমনে আলেমদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ অপরাধীরা তুলনামূলক স্বস্তিতে থাকলেও আলেমদের কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদের সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের প্রার্থী মাওলানা মাইনুদ্দিন আহমেদ বলেন, জনগণ ইসলামপন্থী শক্তিকে সমর্থন দিলে দেশ ন্যায় ও নৈতিকতার পথে এগোবে।
মনোনয়ন প্রসঙ্গে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মুফতি শরিফুল্লাহ বলেন, বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ অবস্থায় যদি আলেমদের মধ্যে কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হয়, তবে মুফতি মনির হোসেন কাসেমীই সেই প্রার্থী হতে পারেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সেক্রেটারি মাওলানা ফেরদৌসুর রহমান বলেন, আলেমদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি বা দখলবাজির অভিযোগ কখনো তুলনীয় নয়। তাঁর মতে, আলেমরা নেতৃত্বে এলে রাষ্ট্রের সার্বিক ন্যায়পরায়ণতা আরও সুদৃঢ় হবে।
মহানগর জমিয়তের সভাপতি মাওলানা কামাল উদ্দিন দায়েমীর বক্তব্য, অন্যায়ের সঙ্গে আপস না করায় মনির হোসেন কাসেমীকে কারাগারে কঠোরতা সহ্য করতে হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জেলা ও মহানগর জমিয়ত এবং হেফাজতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।





























