
আহম্মদ কবির,স্টাফ রিপোর্টারঃ
পরিকল্পিত উন্নয়নের ধারা, নগর সমস্যার সাড়া এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে সারা দেশের ন্যায় সুনামগঞ্জেও উদযাপিত হয়েছে বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৫। দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (৬ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রঙিন বেলুন ও ফেস্টুনে সজ্জিত এক বর্ণাঢ্য র্যালির আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে র্যালিটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে গিয়ে আলোচনা সভায় পরিণত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ড.মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া।দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গণপূর্ত অধিদপ্তর সুনামগঞ্জ শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হাসান হীরা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সমর কুমার পাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষ, গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. ইমরান হোসেন, এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক কৃষিবিদ মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, পরিকল্পিত উন্নয়ন ছাড়া টেকসই নগর গঠন সম্ভব নয়। বর্তমানে গ্রাম-গঞ্জে যেসব বহুতল ভবন গড়ে উঠছে, সেগুলো যেন যথাযথ নকশা ও আইনি প্রক্রিয়া মেনে নির্মাণ করা হয় এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে। তারা আরও বলেন, কৃষিজমি দখল বা ভরাট করে উন্নয়ন কার্যক্রম চালানো হলে তা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।
জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন,স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে আমাদের প্রতিটি উন্নয়ন পরিকল্পনা হতে হবে টেকসই ও নাগরিকবান্ধব। এলোমেলো বসতি গড়ে উঠলে তা ভবিষ্যতে বিপর্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই উন্নয়ন হবে আইন মেনে, পরিকল্পনার ভিত্তিতে।
আলোচনা সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সাংবাদিক, শিক্ষক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে গণপূর্ত অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে একটি চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়, যেখানে টেকসই বসতি ও পরিকল্পিত নগর গঠনের নানা দিক তুলে ধরা হয়।
দিবসের শেষে জেলা প্রশাসক অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “পরিকল্পিত উন্নয়নের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হলে সচেতন নাগরিক সমাজের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।





























