
স্টাফ রিপোর্টার:
বিগত আওয়ামী লীগ শাসনামলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালনে একের পর এক বাধা, মামলা ও গ্রেপ্তারের মুখোমুখি হয়েও রাজপথ ছাড়েননি সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান,সুনামগঞ্জ–১ আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী জননেতা কামরুজ্জামান কামরুল।
রাজপথের আন্দোলনে তার ভূমিকা ছিল অনন্য। পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল,গ্রেপ্তার আতঙ্ক—কোনো কিছুই তাকে থামাতে পারেনি। দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে তিনি সবসময় সামনের কাতারে ছিলেন,নেতৃত্ব দিয়েছেন সাহসিকতার সঙ্গে। বহুবার রাজনৈতিক হয়রানি ও গ্রেপ্তারের ভয়ে ফেরারি জীবন কাটাতে হলেও দল ও আদর্শ থেকে একচুলও নড়েননি এই নির্ভীক নেতা।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষায়,“কামরুল ভাই ছিলেন আন্দোলনের মাঠের সবচেয়ে সাহসী মুখ। যখন সবাই পিছু হটতো,তখন তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতেন।
বর্তমানে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নতুন উদ্যমে মাঠে নেমেছেন তিনি। সুনামগঞ্জ–১ আসনের প্রতিটি ইউনিয়ন,গ্রাম ও জনপদে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছেন দলের বার্তা।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি শুধু কেন্দ্রীয় কর্মসূচি নয়,স্থানীয় সাংগঠনিক শক্তিকেও পুনর্গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। দীর্ঘদিনের ত্যাগ,নিষ্ঠা ও সাহসীকতার কারণে তৃণমূল নেতাকর্মীদের আস্থার জায়গা দখল করেছেন তিনি।
রাজনীতিতে তার এই নির্ভীক অবস্থান ও নিরলস কাজের কারণে স্থানীয় পর্যায়ে তিনি এখন বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর একটি।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ-১আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশি কামরুজ্জামান কামরুল বলেন,বিগত দিনে আমরা রাজপথে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছি,আজও সেই অবস্থানে অটল আছি। বিএনপি যে ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে,তা শুধু একটি রাজনৈতিক পরিকল্পনা নয়—এটি জনগণের মুক্তির রূপরেখা।আমি বিশ্বাস করি, জনগণের পাশে থাকলেই সত্যিকার পরিবর্তন সম্ভব। সুনামগঞ্জ–১ আসনের প্রতিটি গ্রামে, প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে আমরা সেই বার্তা পৌঁছে দিচ্ছি।বাধা যতই আসুক, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এই আন্দোলন থেকে আমরা পিছু হটব না।





























