
পাকুন্দিয়া সংবাদদাতা:কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের কোদালিয়া হেকিম মাস্টারের বাড়ি থেকে ঘাগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তা বর্ষা মৌসুমে কর্দমাক্ত ও চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী।প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে প্রায় ১২০০ মানুষ পায়ে হেঁটে, মোটরসাইকেলে কিংবা অটোরিকশায় যাতায়াত করেন। যাতায়াত করেন ঘাগড়া ও আশপাশের গ্রামের শত শত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বর্ষায় কাদা-পানির কারণে এ পথ পাড়ি দেওয়া যেন দুর্ভোগের আরেক নাম। কেউ হঠাৎ অসুস্থ হলে হাসপাতালে পৌঁছানোও হয়ে পড়ে কঠিন।বিশেষ করে রাস্তার একাংশ খালের পাড় ঘেঁষে হওয়ায় ভারী বৃষ্টিপাতে মাটি ধসে পড়ার ঘটনাও ঘটছে। এর ফলে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। অথচ দীর্ঘদিনেও রাস্তাটি টেকসই উন্নয়নের মুখ দেখেনি।সরকারি উদ্যোগের অভাবে এলাকার কিছু যুবক নিজেদের উদ্যোগে রাস্তাটি সংস্কারে হাত লাগিয়েছেন। এলাবাসীর কাছ থেকে চাঁদা তুলে সংগ্রহ করেছেন ইটের খোয়া, মাটি ও অন্যান্য সামগ্রী। এরপর স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করে রাস্তাটি সাময়িকভাবে চলাচলের উপযোগী করে তোলার চেষ্টা করছেন তারা।ঘাগড়া গ্রামের ইদ্রিস মিয়া বলেন ," দীর্ঘদিন ধরে আমরা এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করি।কিন্তু যখন বর্ষাকাল আসে তখন পায়ে হেটে চলাচল করার মতও উপযোগী থাকে না।বাধ্য হয়ে আমরা এলাকা থেকে চাঁদা তুলে ইটের সুরকি আর বালু দিয়ে সাময়িক চলাচলের ব্যবস্থা করেছি।"একই এলাকার আঃ মোমেন মাষ্টার জানান,আমরা খুব কষ্ট করে এইন রাস্তা দিয়ে চলাচল করি। সামাজিক কোন অনুষ্ঠানে যানবাহন নিয়ে যাওয়া তো দুরের কথা সেই গ্রামের অসুস্থ কোন ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিতে হলে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয় সংগ্রাম করে। যা আমাদের জন্য বেদনাদায়ক।"স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. শামছুদ্দিন জানান, “ঘাগড়া গ্রামের রাস্তাটির কিছু অংশে আগে ইট দ্বারা সলিং করা হয়েছিল, তবে এখন তা প্রায় নষ্ট। বর্ষায় গর্ত আর কাদা তৈরি হয়, এতে চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। সরকারি বরাদ্দ পেলে দ্রুত রাস্তাটির টেকসই সংস্কার করা হবে।”এলাকাবাসীর দাবি শুধু অস্থায়ী মেরামত নয়, বরং টেকসই সড়ক নির্মাণের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান চান তারা।





























