
হুজাইফা হিজল রায়গঞ্জ:
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত স্থান সংস্কার করেন চান্দাইকোনা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও রায়গঞ্জ উপজেলা ইট ভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মো. আবু হানিফ খান।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, দীর্ঘ বছরের অধিক সময়ে ধরে চান্দাইকোনা ইউনিয়নের পশ্চিম লক্ষীকোলা ও দাথিয়া দিগরের চলাচলের রাস্তার সংস্কারের অভাবে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এলাকাবাসী।
এ সংবাদ পেয়ে রাস্তাগুলো ব্যক্তিগত নিজ অর্থায়নে সংস্কার উদ্যোগ দেন উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতি ব্যক্তিত্ব মো. আবু হানিফ খান।
কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নয়, মানবিক দিক বিবেচনা করে রাস্তা সংস্কারের কাজে হাত দেওয়া হয়েছে বলেন জানান বিএনপির সাবেক এই নেতা।
গ্রামবাসিরা বলেন, আমাদের বাড়ি থেকে বের হতে অনেক সমস্যা হতো, এখন রাস্তাটি তৈরি হওয়ায় আমরা অনেক খুশি।
জনসাধারণের ভোগান্তির কারণ বিবেচনা করে আবু হানিফ খান রাস্তাগুলো মেরামতের উদ্যোগ নেন। তিনি গত কয়েক দিন ধরে ইটভাটা থেকে ইটের রাবিশ নিয়ে রাস্তার বড় বড় খানাখন্দকে ফেলে মেরামত করছেন। তার এই কাজে সহযোগিতা করছেন গ্রামের লোকজনও। গত এক সপ্তাহ ধরে তিনি গ্রামবাসীদের নিয়ে রাস্তায় ইট ও রাবিশ ফেলছেন।
গ্রামবাসীরা জানান, রাস্তায় বড় বড় খানাখন্দক সৃষ্টি হওয়ায় তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হতো। এতে তাদের খুব কষ্ট হতো। বিএনপির সাবেক নেতা ও রায়গঞ্জ উপজেলা ইট ভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মো. আবু হানিফ খান তার নিজের পকেটের টাকা দিয়ে রাস্তায় ইট ও মাটি ফেলে দেওয়ায় তাদের খুবই উপকার হয়েছে।
সড়কে চলাচলকারী পশ্চিম লক্ষীকোলা ও দাগিয়াদিগর এলাকার পথচারীরা বলেন, রাস্তাটিতে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করেন এলাকার সর্বস্তরের মানুষ। জনদুর্ভোগ নিরসনে বিএনপি নেতা আবু হানিফ খান এলাকার লোকজন নিয়ে রাস্তাটি মেরামত করে দেন। এখন এ এলাকার মানুষ রাস্তাটিতে ঝুঁকি মুক্তভাবে চলাচল করতে পারবে।
সবুজ নামে স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, আগে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা খুব কষ্টকর ছিল। আবু হানিফ খান রাস্তাটি সংস্কার করে যাতায়াতের উপযোগী করে তুলেছে। এজন্য আমরা অনেক খুশি।
বিএনপি নেতা ও রায়গঞ্জ উপজেলা ইট ভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মো. আবু হানিফ খান বলেন, চান্দাইকোনা ইউনিয়নের কয়েকটি রাস্তা দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হতো। স্কুল-কলেজসহ এলাকার মানুষজন অনেক কষ্ট করে চলাচল করতো। বিশেষ করে রোগীদের সমস্যা হতো। অনেক সময় কাদাপানির জন্য বড় গাড়ি গ্রামে আসতে চাইতো না। বর্ষকালে রাস্তাগুলোর অবস্থা আরো খারাপ হয়। কাদা পানিতে যাতায়াত করা যায় না। তিনি আরো বলেন, তাই গ্রামবাসীদের নিয়ে নিজ অর্থায়নে ইট, মাটি ও বালু ফেলে ভাঙাচোরা রাস্তাগুলো মেরামতের করে দিচ্ছি। যাতে শিক্ষার্থী ও এলাকার লোকজন যাতায়াত করতে পারে।





























