
গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি.
নাটোরের গুরুদাসপুরে গ্রাহকদের দশ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মানবিক সাহায্য সংস্থা মহিলা ঋণদান প্রকল্প নামক এনজিওর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সোমবার (১২ মে) গুরুদাসপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। তাদের কষ্টার্জিত সঞ্চয়ের টাকা ফিরে পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
ভুক্তভোগী আখি খাতুন, খালেদা বেগম, রাফিজান বেগম, শারমিন আক্তার, নাসিমা বেগম সহ অনেকে বলেন, পৌর সদরের দুখা ফকিরের মোড়ে অফিস রুম ভাড়া নিয়ে ‘মানবিক সাহায্য সংস্থা (এমএসএস) মহিলা ঋণদান প্রকল্প (ডাব্লিউসিপি)’ নামে একটি শাখা অফিস চালু হয়। গ্রামের অসহায় নারীদের অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে সঞ্চয় জমা নিতে থাকেন। সহজ সরল এসব নারীরা নিজেদের জমানো টাকা জমা দেন এনজিওটিতে। একপর্যায়ে সোমবার (১২ মে) ওই এনজিও অফিসে ঋণ নিতে গিয়ে তালা ঝুলতে দেখেন গ্রাহকেরা। ঋণ দেয়ার কথা বলে গ্রাহকদের লাখ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে কর্মকর্তারা।
গ্রাহকরা আরো জানান, ঋণ নিতে গেলে বাড়ির মালিক আব্দুর রাজ্জাক দ্রুত এনজিওর সাইনবোর্ড সরিয়ে ফেলেন এবং ভুক্তভোগী গ্রাহকদের সাথেও রাগারাগি করেন তিনি।
এনজিওটির সাইনবোর্ডে লেখা আছে ‘মানবিক সাহায্য সংস্থা (এমএসএস) মহিলা ঋণদান প্রকল্প (ডাব্লিউসিপি)। মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি হতে সনদপ্রাপ্ত (সনদ নং- ০০১৬৫-০১০৩৩-০০২৩৩)। অর্থায়নে- পিকেএসএফ, শাখা কার্যালয়, গুরুদাসপুর। এছাড়া সঞ্চয় আমানতের পাশবই ইস্যুকারীর স্বাক্ষর করেছেন জাকির হোসেন নামের কোষাধ্যক্ষ।
অফিস ভাড়া দেওয়ার মালিক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এনজিও সংস্থাটি আমার কাছে বাড়ি ভাড়ার জন্য আসলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাওয়া হয়। কিন্তু এক সপ্তাহের সময় নেন তারা। এভাবে তারা পালিয়ে যাবে বুঝতে পারিনি।
এ ব্যাপারে গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসমাউল হক বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





























