
ফজলুল করিম শেরপুর প্রতিনিধি :
ময়মনসিংহ বিভাগের গারো পাহাড় অধ্যুষিত সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুরে জেঁকে বসেছে শীতের দাপট। ভারতীয় মেঘালয় পর্বতের কোল ঘেঁষা হওয়ায় শীতের দাপট এখানে প্রতিবছরই দেখা যায়। ফলে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষেররা।
তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর শীতের তীব্রতা অনেকটাই বেশি। গত দুই দিন ধরে (২২ ডিসেম্বর হতে ) শীতের তীব্রতা বেড়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য থেকে জানা গেছে মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সাথে রয়েছে মাঝারি শৈত্য প্রবাহ। ফলে দিনের বেলায় বেশির ভাগ সময় সূর্যের আলোর দেখা মেলেনি।
ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক গুলোতে হেডলাইট জালিয়ে যান চলাচল করতে দেখা গেছে।
এদিকে কৃষি ও শ্রমনির্ভর এলাকা হওয়ায় নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষেরা পড়েছেন বিপাকে। চরাঞ্চলের সবজি শ্রমিক ও রিকশাচালক সহ বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত শ্রমিকরা শৈত্য প্রবাহ কে উপেক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তবে জেলায় এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন ধরনের শীত বস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম দেখা যায় নি। এবং কোন ব্যক্তি বা সংগঠন ও শীত বস্ত্র বিতরণ করেনি।
সদর উপজেলার বাজিতখিলা এলাকার ইটভাটা শ্রমিক ছানা মিয়া শীতে কাঁপতে কাঁপতে জানান, কয়েকদিন ধইরা বেশি শীত পড়ছে। কেউ কোন শীতের কাপড় দেয় নাই । কষ্ট কইরা কাম করতাছি।
এব্যাপারে শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ মাহবুবা হকের সাথে কথা বললে তিনি জানান, সদর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ইতিমধ্যে শীতবস্ত্র কম্বল পাঠানো হয়েছে। আমাদের শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম চলমান আছে।





























