
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন আব্দুল্লাহ খান রায়হান নামে এক কিশোর। শুক্রবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কদমতলীর ডিএন্ডডি লেকপাড় এলাকায় হৃদয়ের ক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নিহত রায়হান তার বাবার সঙ্গে এসি সার্ভিসিংয়ের কাজ করতেন। ঘটনার সময় বন্ধুদের সঙ্গে ক্লাবের পাশে আড্ডা দিচ্ছিলেন তিনি। পূর্ব বিরোধের জেরে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু করে। পরে সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালিয়ে সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে রায়হানের বুকে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে সুফিয়া জেনারেল হাসপাতাল ও পরে খানপুরে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় রায়হানের বাবা সামিম খান বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় উল্লেখ রয়েছে, ঘটনার সূচনা হয় পূর্ব পরিচিত একজন বন্ধুকে মারধরের বিষয় নিয়ে কথাবার্তা চলাকালে। পরে এক আসামি মোবাইলে ফোন দিয়ে আরও হামলাকারীকে ডেকে আনে। রায়হান ও তার বন্ধুরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে চাইলে বাধা দেওয়া হয়। এরপর সংঘবদ্ধভাবে তাদের উপর হামলা চালানো হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া চারজন হলো: মোঃ হৃদয় (৩০), মোঃ সাব্বির (১৮), মোঃ আতিক (২২) ও মোঃ জাহিদ (১৮)। পুলিশ জানিয়েছে, বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, “এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত ও সংঘবদ্ধ হামলা। ভিকটিমের পরিবার মামলা করেছে, আমরা তদন্তের মাধ্যমে সব আসামিকে গ্রেপ্তারে কাজ করছি।”
নিহতের পরিবার বলছে, “আমাদের ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। ওদের কাউকে ছাড় দেওয়া যাবে না।”





























