
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে নিখোঁজের একদিন পর শারীরিক প্রতিবন্ধী এক অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির নাম মো. সোহেল (৪০)। তাঁর হাত-পা ও মুখ স্কচটেপ দিয়ে প্যাঁচানো ছিল।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ভোরে সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের মুছারচর এলাকার একটি সেতুর পাশের সড়কের ঢালের ঝোপ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ।
নিহত সোহেল সাদিপুর ইউনিয়নের নয়াপুর পশ্চিম পাড়া এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী ছিলেন এবং অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তাঁর স্ত্রী রাজিয়া আক্তার (৩২) এবং লামিয়া (১৫) ও সুরাই (১০) নামের দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে সোহেল অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হলেও তিনি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। রাত আটটার দিকে তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরদিন সকালে এলাকাবাসীর মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, মুছারচর উত্তর পাড়া সেতুর ঢালের পাশে একটি মরদেহ পাওয়া গেছে।
পরিবারের ধারণা, অটোরিকশা ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে সোহেলকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর মরদেহটি সড়কের পাশে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।
নিহতের স্ত্রী রাজিয়া আক্তার বলেন, “আমার স্বামী একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী মানুষ ছিলেন। তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমার দুটি ছোট মেয়ে রয়েছে। এখন আমরা কার কাছে যাব? আমি এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।”
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিববুল্লাহ বলেন, “মুছারচর এলাকা থেকে এক অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”





























