
নাহিদ ইসলাম, রাজশাহী ব্যুরো: রাজশাহী জেলার মোহনপুরে অভিযান চালিয়ে ৫০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। এঘটনায় মাদক পাচারকারী পালাতক রয়েছেন।
রবিবার (১৮ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যালয়ের সদস্যরা মোহনপুর থানাধীন ত্রিমোহনী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৫০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে।
পালাতক মাদক পাচারকারী মোহনপুরে উপজেলার বাকশিমইল ইউনিয়নের খাড়ইল এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে খোরশেদ আলম ওরফে সবুজ (৩২)।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএনসি জানতে পারে খোরশেদ আলম ওরফে সবুজ (৩২) নামের মাদক কারবারি একটা রেজিষ্ট্রেশন বিহীন ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সা যোগে ফেনসিডিল পাচার করছে।
এমন সংবাদে ভিত্তিতে মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জিললুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মোহনপুর থানাধীন পত্তরপুর এলাকায় অবস্থিত জুটমিল সংলগ্ন উত্তর পার্শ্বে নওগা থেকে রাজশাহী গামী পাকা রাস্তায় অবস্থান করেন।
এসময় রেজিষ্ট্রেশন বিহীন সেই ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সাটি দেখতে পেয়ে তাকে থামতে সিগনাল দেয় ডিএনসির সদস্যরা।
তাদের দেওয়া সিগনাল অমান্য করে দ্রুত বেগে সামনে গিয়ে রাস্তার বামে থাকা একটি খাদে অটোরিক্সাটি নামিয়ে দিয়ে বিলের মধ্যে দিয়ে দ্রুতগতিতে পালিয়ে যান মাদক পাচারকারী সবুজ।
পরবর্তীতে ডিএনসি’র সদস্যরা ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সাটি তল্লাশি শুরু করলে সিটে তিনটি নেভীরু রংয়ের মাদক বহনের কাজে ব্যবহৃত বিশেষ ভাবে টেট্রন কাপড়ের তৈরি পকেটযুক্ত পাঁচটি জ্যাকেটের ভিতর থেকে ৫০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।
মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জিললুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান,মাদক পাচারকারী সবুজ দীর্ঘদিন ধরেই মাদক পাচারের সাথে জড়িত এমন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে নজরদারিতে রাখে ডিএনসি।
তিনি আরো জানান, অটোরিক্সায় ফেনসিডিল পাচার করছে সবুজ এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করলে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা যায়নি। তাকে গ্রেফতার করতে বাকশিমইল ইউনিয়নের খাড়ইল এলাকায় অবস্থিত তার বসত বাড়ি ঘেরাও করে
অভিযান পরিচালনা করা হলে বসত বাড়িতে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে সবুজের স্ত্রী রোজিনা খাতুনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বসত ঘরের ভিতরে খাটের নিচে মেঝে থেকে মাদক বহনের কাজে ব্যবহৃত একই রকমের টেট্রন কাপড়ের তৈরি পকেটযুক্ত দুইটি জ্যাকেট উদ্ধার করা হয়।
সবুজের বিরুদ্ধে মোহনপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান ডিএনসির এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।





























