
! ইয়ার রহমান আনান:কক্সবাজার ব্যুরো টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ শিলখালী এলাকার চৌকিদারপাড়ায় এক ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে তুলকালাম শুরু হয়েছে। ধর্ষণ হওয়া নারী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়। এই ধর্ষণ কান্ডে স্থানীয় এক বিবাহিত যুবকের ঘাড়ে দায় তুলে দিচ্ছে বলেও জানান স্থানীয়রা।স্থানীয়ভাবে একাধিক সচেতনমহলের দাবি, ঐ নারী রহস্যময়ী এক অলৌকিক বহুরূপী ও বহু পুরুষে আসক্ত। একাধিক পুরুষের সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলায় এই নারীর সাথে ধর্ষণের ডিএনএ টেস্ট এবং ধর্ষণকারী সনাক্ত করতে ধোয়াশা তৈরি হয়েছে। এমন ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।ধর্ষণের শিকার গর্ভবতী ঐ নারী পরিচয় একই এলাকার আবদুর রহিমের মেয়ে শাহেনা আক্তার।জানা যায় যে, বহুরূপী ঐ নারী শাহেনা আক্তার বিভিন্নভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইমু, ওয়াটসঅ্যাপ এবং মেসেঞ্জারসহ নানাভাবে ভিডিও কলে প্রেমের ফাঁদ তৈরি করে নিজের গোপাঙ্গনা খুলে লোলুপ দেখিয়ে অবৈধভাবে টাকা আত্মসাৎ করেন । এমনকি তার খোলামেলা কাপড়ে ভিডিও কলে একাধিক পুরুষের সাথে কথা বলতেও দেখা যায় একাধিক ইমুতে। ভিডিও কলে বিভিন্নভাবে অঙ্গীভঙ্গি দেখিয়ে বহু পুরুষের সাথে অবৈধভাবে সম্পর্ক গড়ে তুলেন ঐ নারী। পরে তাদের সাথে আবাসিক হোটেলে রাত্রিযাপন করে অবৈধ মেলামেশা করার কথাও জানান এলাকাবাসী। এমন কয়েকটি আপত্তিকর ডকুমেন্টস প্রতিবেদকের হাতে আসছে।সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় মৃত হাসান আলীর ছেলে মুসলেহ উদ্দীনের সাথে কথা বলে জানা যায় যে, স্থানীয় কিছু কুচক্রী মহল আমার পরিবার এবং আমার উপর ক্ষুব্ধ হয়ে একজন এলাকার অবৈধ বেহায়াপনা নারীর মাধ্যমে ভিন্ন ফাঁদ তৈরি করে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। যার কারণে আমার পারিবারিক এবং সামাজিক মান ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা। এমন ঘটনায় এলাকাবাসী পর্যন্ত প্রমাণ করতে পারেনি। আমাকে এমন তকমা দিয়ে মোটা অংকের টাকার হাতিয়ে নিতে চেষ্টা চলছে। শাহেনা আক্তার যে মেয়ে গর্ভবতী হয়েছে তার সম্পর্কে এলাকায় সবাই জানে। সে বহু পুরুষের সাথে অবৈধভাবে সম্পর্ক গড়ে তুলেন। তবে এসব বিষয়ে আমাদের ফাসিয়ে দিয়ে সামজিক আত্নমর্যাদাহীণ করে তুলার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।মুসলেহ উদ্দিনের চাচা হাফেজ মৌলানা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, শাহিনা আক্তার নামের এক মেয়ে কোথায় গর্ভবতী হয়েছ,কীভাবে হয়েছে তা জানা নেই,তবে হঠাৎ আমার ভাতিজার বিরুদ্ধে ধর্ষণের কান্ড এনে এমন অবান্তর অভিযোগ করলে এলাকাবাসী ও ক্ষুব্ধ হয় ঐ নারীর উপর। এই নারী বহুরূপী ও একাধিক পরপুরুষের সাথে আসক্ত হয়ার কথাও শুনেছি। এমনকি ঐ নারী বহু কেলেঙ্কারির ভিডিও ডকুমেন্টস আমরা পেয়েছি। আমার ভাতিজা থেকে ঘটনার মিমাংসা করার কথা বলে ছয় লাখ টাকা দাবি করে বসে আছে ঐ নারীর পরিবার।একইভাবে মুসলেহ উদ্দিনের বোন তাসলিমা, সারজিনা প্রতিবেদককে স্পষ্ট করে বলেন যে, আমাদের পরিবারের সম্মান নষ্ট করতে এবং মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিতে একটি অবৈধ নারীর ফাঁদ তৈরি হয়েছে। যা পুরো এলাকাবাসী পর্যন্ত জানে। তারা বিচার সালিসের কথা বলে আমার ভাই মুসলেহ উদ্দিন থেকে ছয় লাখ টাকা দাবি করছে। যখন বিষয়টি মিডিয়াপাড়ায় জানাজানি হলে বিয়ে করতে চাপ তৈরি করেছে। তারা অভিযোগ করে বলেন যে, শাহেনা নামের এই মেয়েটি এনজিওতে চাকরি করত, তখন বিভিন্ন সময় তাদের কলিগদের সাথে ঘুরতে যেত, এমনকি তাদের সাথে একেক সময় একেকটি পরপুরুষের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে হোটেলে রাত্রিযাপন করত। এসব অবৈধ মেলামেশা করতে করতে একপর্যায়ে গর্ভবতী হয়ে গেলে আমাদের ঘরের পাশের বাড়ি হওয়ায় আমার ভাইয়ে ঘাড়ে তার কলঙ্কের দাগ তুলে দিচ্ছে।স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার বলেন, এলাকার একটি চরিত্রহীন মেয়ে নানা সময় নানাভাবে অবৈধ কর্মকান্ড জড়িয়ে পড়ার খবর শুনছি,পরে তার বিভিন্ন পর পুরুষের সাথে শারীরিক সম্পর্কে ভিডিও দেখা যায়। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বহু আপত্তিকর ছবি ভিডিওতে নিজে গোপাঙ্গ খুলে দেখাতেও দেখা যায়। তবে সে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানি। কার সাথে এমন কান্ড করে গর্ভ হয়েছে তা নিয়ে এখন ধোঁয়াশা হয়েছে। তবে মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা ছড়ানো একধরনের সামাজিক মান ক্ষুন্ন করার অপপ্রয়াস।এবিষয়ে মুসলেহ উদ্দিনের পরিবার এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ও ইউপি সদস্যসহ এলাকাবাসীর একটাই দাবি, বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি সুদৃষ্টি কামনা করছে অনেকেই। অন্যতায় এমন চরিত্রহীনা নারী ফাঁদে পড়ে অনেক নিরীহ এবং স্থানীয় সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের সম্মান ক্ষুন্ন হওয়ার মতো ঘটনা হরহামেশাই ঘটবে।তবে এবিষয়ে শাহেনার মোবাইলে একাধিক কল দিয়েও কল রিসিভ না করায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।




























