
মোঃ আশিকুর রহমান আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি-
আজমিরীগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালের নতুন ভবন থাকা সত্ত্বেও পরিত্যক্তঘোষিত এক পুরোনো বা ভাঙা ভবনে রোগীর চিকিৎসা দেওয়া হয়, যা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়। এর কারণ হিসেবে চিকিৎসক ও জনবল সংকট, অব্যবস্থাপনা প্রশাসনের অনুমোদন এবং নতুন করে সংস্করণ কে দায়ী করা হয় পূর্ননির্মানের ১ নাম্বারে তালিকায় তাকলে ও কোন গতি নেই।খসে পড়ছে ছাদের পলেস্তারা। এ অবস্থায় উপজেলা হাসপাতালের পুরাতন ভবনে চলছে রোগীর চিকিৎসা। যেকোনাে সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা। এতে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে যেমন ভয় ও উৎকণ্ঠা রয়েছে, তেমনি চিকিৎসকেরাও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, জরাজীর্ণ ভবনটির ছাদে ফাটল ধরেছে, দেয়াল থেকে খসে পড়ছে পলেস্তারা। রড বের হয়ে রয়েছে অনেক জায়গায়। ভবনের একাধিক কক্ষ ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ার মত রোগীদেরকে সেগুলোতেও সেবা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে নতুন ভবন তৈরি হলেও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদনের কারনে, সেখানে চিকিৎসা কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু ঝরাঝির্ন ভবন থেকে হাসপাতালের প্রশাসনিক কাজের জন্য নতুন ভবনের ৩য় তলা ব্যাবহার করা হচ্ছে। কিন্তু সাধারণ রোগীর জন্য কেন নয় ভুক্তভোগী সাধারণ রোগী ও সচেতন মহলের প্রশ্ন।
২০২২ সালের ২০শে ডিসেম্বর মাসে নতুন ওই বহুতল ভবনটির নির্মাণকাজ শেষ হয়। ২০২২ সালে জুন মাসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে আজমিরীগঞ্জ উপজেলার হাসপাতালকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ২০২২সালের ডিসেম্বর মাসে বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়, এবং ২০২২সালে জুন মাসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু প্রশাসনিক অনুমোদন না পাওয়ায় ভবনটি এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি।সাধারণ মানুষ জানান, নতুন হাসপাতাল তৈরি করে রেখে, পুরোনো ভাঙা ভবনে চিকিৎসা চালানো এটা কোনো মানবিক কাজ হতে পারে না। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ভেঙ্গে পূর্ন সংস্করণ করা এবং নতুন হাসপাতাল ভবন চালু করে নিরাপদ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হোক।
চিকিৎসা নিতে আসা রফিক মিয়া বলেন, ‘এখানে এসে মনে হলো—হাসপাতালে নয়, যেন মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছি। সামান্য ভূমিকম্প হলেই এ ভবন আর থাকবে না।’আরেক রোগী হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘পাশেই তো বিশাল নতুন ভবন তৈরি হয়েছে, সেটা খালি পড়ে আছে। সেখানে আমাদের নিয়ে গেলে কী সমস্যা?। এই বিষয় নিয়ে আজমিরীগঞ্জ
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ ইকবাল হোসেন সঙ্গে মুঠোফোন আলাপ করলে তিনি জানান এই ভবনটি মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে এবং পরিত্যক্ত তালিকায় ও আছে পূর্ণ নির্মানের জন্য কাজ চলমান আছে। আর নতুন ভবন প্রশাসনিক অনুমোদন হলে জনবল ওলাগবে।এবং প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনিয় কাগজ পত্র পাটিয়েছি এরি সাথে জনবলের চাহিদা ও দিয়েছি, এই সব মন্ত্রণালয়ে আছে। তবে আশা করা যাচ্ছে এই সব আগামী নির্বাচনের আগে অথবা পরে হয়ে যাবে।




























