
আরাফাত আলী,স্টাফ রিপোর্টার:
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদের অভিযোগে মোবাইল কোর্টের অভিযানে প্রায় ১ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়েছে। রবিবার (১২ এপ্রিল)দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে উপজেলার মৌতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বাড়িতে এ অভিযান পরিচালিত হয়।জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইশতিয়াক আহমেদ অপু ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ঘটনাস্থল থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি তেল উদ্ধার করে তা বাজেয়াপ্ত করে। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, চেয়ারম্যান ফেরদৌস মোড়লের একাধিক ভেকু (খননযন্ত্র) এবং বিস্তীর্ণ মৎস্য ঘের রয়েছে। এসব কার্যক্রম সচল রাখতে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেলের প্রয়োজন হয়। তাদের মতে, এ ধরনের কাজে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সংরক্ষণ করা অস্বাভাবিক নয়।
এদিকে অভিযানের পর অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—কৃষি ও মৎস্য খাতে ব্যবহারের জন্য জ্বালানি তেল মজুদ রাখা কতটা বৈধ বা অবৈধ। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যদি এ ধরনের উদ্যোগের কারণে জ্বালানি ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়, তাহলে কৃষি ও মৎস্য খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে মৌতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফেরদৌস মোড়ল জানান, তার নিজস্ব ৫টি ভেকু মেশিন চালাতে প্রতিদিন প্রায় ৮০০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়। পাশাপাশি প্রায় ১ হাজার বিঘা মৎস্য ঘের পরিচালনার জন্য দৈনিক আরও ৫০০ লিটার ডিজেলের দরকার হয়। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে জ্বালানি সংকটের কারণে চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল পাচ্ছেন না, ফলে ব্যবসা পরিচালনায় চরম সমস্যায় পড়েছেন।
তিনি আরও বলেন, “আমার প্রয়োজনীয় কাজের জন্যই কিছু ডিজেল সংরক্ষণ করা হয়েছিল। কিন্তু ভ্রাম্যমাণ আদালত তা জব্দ করায় আমি হতাশ হয়েছি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইশতিয়াক আহমেদ অপু’র ব্যবহৃত সরকারি মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।





























