
পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:ফুটবল ম্যাচ ঘিরে শুরু হওয়া উত্তেজনা শেষ পর্যন্ত রূপ নেয় ভয়াবহ সংঘর্ষে। কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় দুই গ্রামের মধ্যে ঘটে যাওয়া সেই সহিংস ঘটনার জেরে এবার আইনের কঠোর পদক্ষেপ—দায়র হয়েছে মামলা, আটক করা হয়েছে ১৩ জনকে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় পাকুন্দিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মশিউর রহমান বাদী হয়ে ৩৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং সহস্রাধিক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন—শামীম, রাকিব, রিপন, শহিদুল ইসলাম, স্বপন, কফিল, মাসুদ, এখলাস, শামীম, জালাল উদ্দীন নয়ন, জুয়েল, আসাদ ও হানিফ। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুপম দাস এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কটিয়াদি সার্কেল) তোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে শতাধিক পুলিশ সদস্য দুই গ্রামে সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করেন। এলাকায় জোরদার করা হয়েছে টহল ব্যবস্থা।ঘটনার সূত্রপাত গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে টান লক্ষিয়া ও হাপানিয়া গ্রামের মধ্যকার একটি ফুটবল ম্যাচে। খেলাকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথাকাটাকাটি, পরে তা দ্রুত রূপ নেয় সংঘর্ষে। পুলিশ সেদিন পরিস্থিতি সামাল দিলেও পরদিন (১৮ এপ্রিল) দুপুরে আবারও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমানসহ চার পুলিশ সদস্য এবং নারী-পুরুষ মিলিয়ে অন্তত ২০ জন আহত হন।পাকুন্দিয়া থানার ওসি এস এম আরিফুর রহমান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে টহল জোরদার করা হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এদিকে গ্রেপ্তার আতঙ্কে হাপানিয়া ও টান লক্ষিয়া গ্রাম প্রায় পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। পুরো এলাকায় বিরাজ করছে চাপা উত্তেজনা ও থমথমে পরিবেশ।



























