
নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীতে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীর দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে সেতু এনজিওর এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। বর্তমানে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় কর্মরত আছেন। এ ঘটনার বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মোসা: রিমা নামের এক নারী। এঘটনায় ভুক্তভোগী রিমা
গত (৮ অক্টোবর) রাজশাহীর বিজ্ঞ আদালতে স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুকের মামলা দায়ের করেছেন।
শনিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর সপুরা বিসিক এলাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ তোলেন তিনি।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, গত (১৮ এপ্রিল) রাজপাড়া থানাধীন দাসপুকুর এলাকার মৃত আসলাম শেখের ছেলে বেল্লাল হোসেনের সাথে চন্ডিপুর এলাকার মৃত তোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে মোসা: রিমার সাথে বিবাহ হয়। বিবাহের সময় নগদ দুই লক্ষ্য টাকা ও সাংসারিক কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রকার জিনিস পত্র রিমার পরিবারের কাছে থেকে নেন।
ভুক্তভোগী বলেন, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে টাকার জন্য তাকে নানাভাবে চাপ দিতেন বেল্লাল।
সেই দাবি মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায় ভুক্তভোগী ও তার পরিবার। ভুক্তভোগী রিমার সংসার টিকিয়ে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে আসছিলেন। কিন্তু প্রতিনিয়ত স্বামী বেল্লাল শাশুড়ী ও হাজী জমির উদ্দিন শাফিনা উইমেন্স ডিগ্রী কলেজের পদার্থবিজ্ঞানে ল্যাব এসিস্ট্যান্ট রাবেয়া খাতুন (ননদ) এর গালিগালাজ, মারধর, ভয়ভীতি ও হুমকি ছিল তাদের নিত্যদিনের আচরণ। গত (৪অক্টোবর) স্বামী বেল্লাল হোসেন স্ত্রী রিমাকে তালাকনামা পাঠান।
লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী রিমা জানান, স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুকের মামলা দায়ের করার পর থেকে তাকে তার স্বামী বেল্লাল হোসেন ও তার পরিবার প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছেন।
রিমা আরও বলেন, আজ আমি আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ন্যায়বিচার চাই।আমি চাই, যৌতুক ও নারীর প্রতি নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আমার স্বামী ও তার পরিবারকে আইনের আওতায় আনা হোক। আর যেন কোনো নারী এভাবে ভুক্তভোগী না হয়, সেজন্য সমাজকে সচেতন করা হোক।
এ বিষয়ে সেতু এনজিওর কর্মকর্তা বেল্লাল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার মুঠোফোনটি বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগীর ননদ রাবেয়া খাতুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগের বিষয়টি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।





























