
নাহিদ ইসলাম, রাজশাহী ব্যুরো: বগুড়ায় ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (০৯ নভেম্বর ) দুপুরে দুপচাঁচিয়া থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) বগুড়ার ‘খ’ সার্কেলের একটি আভিযানিক টিম ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ ৬ জনকে আটক করা করে। এসময় বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো: তোহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়।
আটককৃতরা হলেন, বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া থানাধীন বারই উত্তরপাড়া এলাকার মৃত ইসা সর্দারের ছেলে শাহীন সর্দার (৪৪), দুপচাঁচিয়া থানাধীন সর্দারপাড়া এলাকার মৃত আতিজার রহমানের ছেলে খন্দকার মামুনূর রশিদ (৫৪), দুপচাঁচিয়া থানাধীন চৌমুহনী এলাকার হাবীল মিয়ার ছেলে হামিদুল ইসলাম (৪০), দুপচাঁচিয়া থানাধীন গোবিন্দপুর এলাকার মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৩৮), দুপচাঁচিয়া থানাধীন উত্তর চেলোপাড়া এলাকার মৃত মজনু ব্যাপারীর ছেলে বুলেট বেপারী (৪৮), দুপচাঁচিয়া থানাধীন খিয়ালী দক্ষিণপাড়া এলাকার জামাল উদ্দিন প্রামানিকের ছেলে রফিকুল ইসলাম(৪৫)।
অভিযান চলাকালে মোট ৩০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট আলামত হিসেবে জব্দ করা হয় এবং বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলেই আলামত ধ্বংস করেন। এসময় শাহীন সর্দারকে তিন মাসের কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড, খন্দকার মামুনূর রশিদকে ২০ দিনের কারাদণ্ড ও ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড, হামিদুল ইসলামকে ৪৫ দিনের কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড, জাহাঙ্গীর আলমকে ২০ দিনের কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড ও বুলেট বেপারীসহ রফিকুল ইসলামকে এক মাসের কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
দুপচাঁচিয়া উপজেলার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো: তোহিদুল ইসলাম বলেন,“মাদক দেশ ও সমাজের জন্য একটি ভয়ংকর হুমকি। জনস্বার্থে এবং আইন অনুযায়ী কোনো ধরনের ছাড় না দিয়ে এ ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একটি মাদকমুক্ত প্রজন্ম গড়তে আমাদের এ অভিযান চলবে।”
ডিএনসি বগুড়ার উপপরিচালক জিললুর রহমান বলেন,“মাদকবিরোধী এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। যুব সমাজকে ট্যাপেন্টাডলের মতো ভয়ংকর নেশাজাতীয় ওষুধের ছোবল থেকে রক্ষা করতে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।” তিনি আরো বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তাদের ধারাবাহিক অভিযান চলমান থাকবে।





























