
সৈয়দ মোহাম্মদ ইমরান হাসান, জেলা প্রতিনিধি, নরসিংদী প্রতিনিধি :
নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার আয়ূবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ত্যাগী নেতা অহিদ উল্লাহ। যিনি বিগত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ৪টি মামলাসহ শিকার হয়েছেন বিভিন্ন ধরণের নির্যাতণের। এতে সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্থও হয়েছেন তিনি।
অহিদ উল্লাহ টানা তিন বার স্থানীয় আয়ূবপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। পাশাপাশি তিনি শিবপুর উপজেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও আইয়ুবপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। এছাড়াও কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সাথেও ছিলো বেশ সখ্যতা।
জানা যায়, বিএনপির এই কর্মীর বিরুদ্ধে দুটি নাশকতার মামলা দায়ের করে বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার। যার একটি মামলার প্রধান আসামী ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হারিছ রিকাবদার এবং ৬ নম্বর আসামী করা হয় অহিদ মেম্বারকে। আরেকটি মামলায় ভিপি তোফাজ্জল হোসেনকে প্রধান আসামী করে ওনাকে ২২ নম্বর আসামী করা হয়। উভয় মামলায় আসামী হয়ে তিনি এক বছর ছিলেন পলাতক। সরকার পরিবর্তনের পর নিজ এলাকায় ফিরেছেন অহিদ উল্লাহ মেম্বার।
সরেজমিনে এলাকায় ঘুরে জানা গেছে, অহিদ উল্লাহ ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়েছেন এবং বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ে বিভিন্ন সভা সমাবেশ করেছেন। তিনি বিগত সরকারের আমলে জনগনের ভোটে মেম্বার নির্বাচিত হতে পারলেও ইউনিয়ন পরিষদের বসতে পারেনি তাদের অত্যাচারে। আওয়ামী লীগের লোকজন তাকে ইউনিয়ন পরিষদ আসতে নিষেধ করেছে এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড থেকে তাকে বিরত রেখেছে বলে অভিযোগ তার। এছাড়া তিনি বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিকভাবে একাধিক মামলার আসামীও হয়েছেন।
এবিষয়ে অহিদ উল্লাহ মেম্বার সাংবাদিকদের বলেন, আমি ছোট থেকেই শহীদ জিয়ার আদর্শের রাজনীতি করেছি। যুবদলের ইউনিয়ন ও উপজেলার দায়িত্ব পালন করেছি। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছি। বাকী দিনগুলোও শহীদ জিয়ার আদর্শের রাজনীতির মাধ্যমে মানুষের সেবা করে যেতে চাই।
তিনি বলেন, আমি যেহেতু ইউপি সদস্য সেহেতু এলাকার স্বার্থে উপজেলা চেয়ারম্যান, নির্বাহী কর্মকর্তাসহ অনেক ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে আমাকে নানা সময় বসতে হয়েছে। আর এসব ছবি ফেসবুকে ছেড়ে সম্প্রতি আওয়ামী দোসররা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি সেসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।





























