
আজিজুল হাকিম তুহিন, লামাদেশে বর্তমানে এবারের গ্রীষ্মে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা ১৬ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে। উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ১৩ থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াট। এই ২ থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি মেটাতে গিয়ে মূলত গ্রামের মানুষের ওপরই লোডশেডিংয়ের পুরো বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।বান্দরবানের লামা উপজেলাতেও তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। লামা বিদ্যুৎ সরবরাহ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ৭ মেগাওয়াট হলেও বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে মাত্র ২ থেকে ৩ মেগাওয়াট। ফলে দিন-রাত ঘনঘন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ।বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকায় সন্ধ্যার পর পড়ালেখা ব্যাহত হচ্ছে, পরীক্ষার্থীরা পড়েছে চরম অনিশ্চয়তায়।এছাড়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ক্ষুদ্র শিল্প ও কৃষি খাতেও মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় কৃষকেরা পড়ছেন বিপাকে, অন্যদিকে দোকানপাট ও অনলাইন নির্ভর কাজ প্রায় স্থবির হয়ে যাচ্ছে।এদিকে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় খাবার সংরক্ষণে সমস্যা, মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবাও দুর্বল হয়ে পড়ছে। গরমে অসহনীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় শিশু ও বয়স্কদের কষ্ট আরও বেড়েছে।উৎপাদন ও সরবরাহ ঘাটতির কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও গ্রামাঞ্চলে বৈষম্যমূলক বিদ্যুৎ বণ্টনের অভিযোগ রয়েছে। দ্রুত লামা উপজেলায় বিদ্যুতের বরাদ্দ বৃদ্ধি ও সুষম বণ্টন নিশ্চিত না করা হলে জনদুর্ভোগ আরও চরমে পৌঁছাবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।






























