
মাসুম বিল্লাহ রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম বর্তমানে অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে। ৫ আগস্টের পর থেকে দলটির অধিকাংশ শীর্ষ নেতা-কর্মীর অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুজ্জামান মামুন, উপজেলা যুবদলের সভাপতি হুমায়ন তালুকদার, সাধারন সম্পাদক রিয়াজ হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক শিমুল আকন, ছাত্রলীগ সভাপতি আরিফুজ্জামান সহ গুরুত্ব পূর্ণ অনেক নেতা কর্মী আত্মগোপনে আছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা বর্তমানে এলাকায় অনুপস্থিত রয়েছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ আত্মগোপনে আছেন বলেও জানা গেছে।৫ আগস্টের পর থেকে যারা আত্মগোপনে রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তাদের মধ্যে অনেকে বিভিন্ন গ্রুপ খুলে কিছু স্থানী নেতা কর্মীদের সাথে যোগাযোগ রাখছেন বলেও জানাগেছে। আবার অনেক স্থানীয় নেতা কর্মীদের সাথে কোন নেতার যোগাযোগ নেই বলে জানা গেছে। যাদের সাথে নেতাদের যোগাযোগ নেই, তাদের মধ্যে ক্ষোভ লক্ষ্য করা গেছে। সাভেক ছাত্রলীগ সাধারন সম্পাদক ও বর্তমান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদকে ফেজবুকে বিভিন্ন পোস্টে দেখা যায়। উক্ত নেতারা সকলেই মমলার আসামি হিসাবে রয়েছেন। অনেক নেতা-কর্মীরা মামলায় জামিন পেয়েও দেশে আসতে পারছে না। আবার কিছু সংখক জামিনের পর মাঝে মাঝে দেশে আসেন আবার চলে যান। আওয়ামী লীগের অনেক স্থানীয় কর্মীরা ধানের শীষে ভোট প্রদান করে বর্তমানে দেশে অবস্থান করছেন।উপজেলার সকল চেয়ারম্যানেরা দেশে আসতে পারছেন না। দুই ইউনিয়নে প্রশাসক ও বাকি চার ইউনিয়নে ভাইস চেয়ারম্যান দ্বার পরিচালিত হচ্ছে।উপজেলার সকল আওয়ামী লীগের কার্যালয় গুলো ভাংচুর অবস্থায় পরিত্যাক্ত হয়ে আছে।৫ আগস্টের পর থেকে এ উপজেলায় আওয়ামী লীগ বা এর সহযোগী সংগঠনের দৃশ্যমান কোনো কর্মসূচি লক্ষ্য করা যায়নি। ফলে মাঠ পর্যায়ের অনেক নেতাকর্মী নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নেতাদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।































