শিরোনাম
পত্নীতলায় জনগণের মুখোমুখি এমপি প্রার্থীরা প্রফেসর ইউনুসের সরকারের সময় দেশে সুবিচার কায়েম শুরু হয়েছে - মেজর হাফিজ জামালগঞ্জে সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন পত্নীতলায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ লালমোহনে বাস চাপায় মা-ছেলেসহ নিহত-৩ মুরাদনগরে সরকারি গুদামে চুরি করতে গিয়ে ৩ চোর আটক দুই সন্তানসহ ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে মায়ের আত্মহত্যা টাঙ্গাইলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সংসদ সদস্য প্রার্থী জাকিরের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালিগঞ্জে মাসিক আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধাদের থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ সাবেক কমান্ডার হাকিমের বিরুদ্ধে
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

ব্যাংক থেকে টাকা তুলছেন কারা?

আলোকিত বাণিজ্য ডেস্ক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ আগস্ট ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ আগস্ট ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

আগে মানুষ ব্যাংকে টাকা রাখতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন। কিন্তু এখন অনেকেই ব্যাংকে টাকা রাখছেন না। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এখন মানুষের হাতে টাকা রাখার প্রবণতা বেড়েছে। ৬ মাসের ব্যবধানে হাতে রাখা নগদ টাকার পরিমাণ বেড়েছে ৪৩ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা। অর্থাৎ এই পরিমাণ টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলনের পর ব্যাংকিং সিস্টেমে আর প্রবেশ করেনি।


এদিকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আমানতের সুদহার বাড়তে বাড়তে এখন ১৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এই সুদহার গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। তবে এমন আকর্ষণীয় সুদেও ব্যাংকে টাকা রাখার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন দেশের মানুষ। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত মে পর্যন্ত এক বছরে ব্যাংক খাতের আমানত ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেড়ে ১৭ লাখ ৬০৮ কোটি টাকা হয়েছে। সাম্প্রতিক কোনও বছরে এত কম  প্রবৃদ্ধি হয়নি। তবে বাজারে ছাপা টাকার পরিমাণ রয়েছে ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকার মতো। সাধারণত আমানতের বেশিরভাগ হয়ে থাকে অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরভিত্তিক।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, মানুষ নগদ টাকা ব্যাংকে না রেখে হাতেই রাখছেন বেশি। এতে করে ব্যাংকে তারল্য সংকট আরও বেড়েছে। এই তারল্য সংকটের কারণে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে আন্তঃব্যাংক ধারের পরিমাণ বাড়ছে। পাশাপাশি সংকট মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেও ধার করতে হচ্ছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে।


বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্যমতে, গত ডিসেম্বর মাসের শেষে মানুষের হাতে থাকা তথা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বাইরে প্রচলনে থাকা টাকার পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৭৭ হাজার ৮০৭ কোটি টাকা। ৬ মাসের ব্যবধানে অর্থাৎ গত জুন মাসের শেষে গ্রাহকদের হাতে থাকা টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ২১ হাজার ১৯৯ কোটি টাকা।  গত ৬ মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বাইরে থাকা টাকার পরিমাণ বেড়েছে ৪৩ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা।


বেসরকারি একটি ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনের কারণে হাতে টাকা রাখার প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। তিনি মনে করেন, বাড়তি সতর্কতা হিসেবে অনেকেই এখন তুলনামূলক হাতে বেশি টাকা রাখছেন।


উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর গত ২৪ জুলাই বুধবার থেকে সীমিত পরিসরে ব্যাংক লেনদেন শুরু হয়। ওই দিন ব্যাংকে টাকা জমা রাখার বদলে উত্তোলন হয়েছে অনেক বেশি।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে জানা গেছে, কার্যত টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর ব্যাংক খোলার প্রথম দিন গত ২৪ জুলাই সংকটে থাকা ব্যাংকগুলো মোট ২৯ হাজার ১৭২ কোটি টাকা ধার করে। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ধারের পরিমাণ ছিল ২৫ হাজার ৫২১ কোটি টাকা। এক ব্যাংক আরেক ব্যাংক থেকে নেয় তিন হাজার ৬৫১ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, তারল্য সংকট মোকাবিলায় প্রতিদিনই ধার করতে হচ্ছে  ব্যাংকগুলোকে। ২৫ জুলাই কল মানিতে এক ব্যাংক অন্য ব্যাংক থেকে তিন হাজার ৩৭৭ কোটি টাকা ধার করেছে। দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ২৮ জুলাই আবার ৫ হাজার ৭৩৭ কোটি টাকা ধার করেছে ব্যাংকগুলো। ২৯ জুলাই ব্যাংকগুলোর ধারের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা। ৩০ জুলাই ধারের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা। ৩১ জুলাই ব্যাংকগুলোকে ধার করতে হয়েছে ৩ হাজার ৮১৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ কোটা আন্দোলন-পরবর্তী ৬ দিনে মোট ৪৭ হাজার ৮৭০ কোটি টাকা ধার করেছে ব্যাংকগুলো।


এর বাইরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেও ব্যাংকগুলোকে ধার দেওয়া হয়েছে। তবে গত ৫ দিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কী পরিমাণ টাকা ধার দিয়েছে, তা জানা সম্ভব হয়নি।




ব্যাংক খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেশ কিছু কারণে মানুষের হাতে থাকা নগদ অর্থের পরিমাণ বেড়েছে। এর অন্যতম ছিল দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, মূল্যস্ফীতি, রোজা ও কোরবানির ঈদ। অর্থনীতিবিদরা বলছেন,


উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও ব্যাংকের ওপর আস্থা হারানোর কারণেও এ অবস্থা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মার্চে বেশ কিছু ব্যাংককে একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এই খবরে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো থেকে অনেক আমানতকারী টাকা তুলে নেন, যার ফলে মানুষের হাতে নগদ অর্থের পরিমাণ বেড়ে যায়।


তবে চলমান ছাত্র আন্দোলনের সময়ে ব্যাংক থেকে আরও বেশি মানুষ টাকা তুলে নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন একাধিক ব্যাংকের কর্মকর্তারা।


বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেন, সাধারণত ঈদকে কেন্দ্র করে সব সময় সার্কুলেশন বাড়ে। আর ঈদের পরই তা আবার দ্রুত ব্যাংকে ফেরত আসে। কিন্তু এবার টাকা ফেরত আসছে কম।  গত জুনের মাঝামাঝি ছিল ঈদুল আজহা। ঈদের আগে ১৩ জুন বৃহস্পতিবার সার্কুলেশনে থাকা টাকার পরিমাণ বেড়ে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। সাধারণত সব সময় ঈদের পরের সপ্তাহে আবার প্রচুর টাকা ব্যাংকে ফেরত আসে। এবার দেখা যাচ্ছে ব্যতিক্রম। ঈদের পরের দুই সপ্তাহে ব্যাংকে ফিরেছে মাত্র ৪ হাজার ২৮৪ কোটি টাকা। গত রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে গত ১১ এপ্রিল সার্কুলেশনে ছিল ৩ লাখ ৫ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা। তবে কয়েক দিনের ব্যবধানে ২৫ এপ্রিল তা কমে ২ লাখ ৯১ হাজার ১৪২ কোটি টাকায় নামে। পরের সপ্তাহে আরও কমে ২ মে ২ লাখ ৮৮ হাজার ১৯৭ কোটি টাকায় নেমেছিল।


এ প্রসঙ্গে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ও বেসরকারি ব্র্যাক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আহসান এইচ মনসুর  বলেন, ‘উচ্চ মূল্যস্ফীতি এর একটি কারণ হলেও রাজনৈতিক অস্থিরতা বেড়ে যাওয়া ও ব্যাংকের ওপর আস্থা হারানোর কারণে মানুষ ব্যাংক বিমুখ হয়ে পড়েছে।’


তিনি বলেন, ‘হয়তো অনিশ্চয়তা থেকেই মানুষ নিজের কাছে বেশি করে নগদ টাকা রাখছে।’ তিনি উল্লেখ করেন, ব্যাংকে জমা টাকা সময়মতো ফেরত পাওয়া যাবে কিনা, তা নিয়ে আস্থাহীনতার কারণে অনেকেই নিজের  কাছে নগদ টাকা রাখতে পারেন।


 এ প্রসঙ্গে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূরুল আমিন  বলেন, ‘দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে মানুষের খরচ বেড়েছে। ফলে মানুষ বাধ্য হয়ে ব্যাংক থেকে সঞ্চয় ভেঙে ফেলছে।’


বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সার্কুলেশনে থাকা নোটের মধ্যে দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে সারা দেশে ১১ হাজারের মতো ব্যাংক শাখার ভল্টে ১৫ থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকার মতো আছে। বাকি ৩ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার মতো রয়েছে নিজের কাছে, ঘরের আলমারি, সিন্দুক কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, চলতি বছরের জুন মাসের শেষে মানুষের হাতে নগদ টাকা ছিল ৩ লাখ ২১ হাজার ১৯৯ কোটি টাকা। মে মাস শেষে মানুষের হাতে নগদ টাকা ছিল ২ লাখ ৭০ হাজার ৬৫৮ কোটি টাকা, যা আগের মাস এপ্রিলে ছিল ২ লাখ ৬৪ হাজার ৩৪৯ কোটি টাকা।  এর আগে ২০২২ সালের জুনে ব্যাংকগুলোতে জমার পরিমাণ ছিল ১৯ হাজার ৭৩৩ কোটি টাকা। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে ব্যাংকে নগদ টাকা রাখার পরিমাণ বেড়ে গত মার্চে সর্বোচ্চ ২৯ হাজার ৯৯৪ কোটি টাকায় উন্নীত হয়।


আরও খবর




ফতুল্লায় প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন আওয়ামী লীগ কর্মী

ইসলামী আন্দোলনের উপজেলা সেক্রেটারিসহ ৫০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

গাজীপুরে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মা, মেয়েসহ নিহত-৩

বাগাতিপাড়ায় আ’লীগ নেতার দখলে ভ্যানচালকের একমাত্র রাস্তা, ৯৯৯-এ অভিযোগেও মিলেনি সেবা

উলিপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

পুতুলকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য বিএনপি নেতার কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের জবাব মানুষ ব্যালটের মাধ্যমেই দেবে : ব্যারিস্টার পুতুল

পত্নীতলায় জনগণের মুখোমুখি এমপি প্রার্থীরা

প্রফেসর ইউনুসের সরকারের সময় দেশে সুবিচার কায়েম শুরু হয়েছে - মেজর হাফিজ

জামালগঞ্জে সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন

পত্নীতলায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

লালমোহনে বাস চাপায় মা-ছেলেসহ নিহত-৩

মুরাদনগরে সরকারি গুদামে চুরি করতে গিয়ে ৩ চোর আটক

দুই সন্তানসহ ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে মায়ের আত্মহত্যা

টাঙ্গাইলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সংসদ সদস্য প্রার্থী জাকিরের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়

কালিগঞ্জে মাসিক আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

ব্যবসায়ীর চোখ উপড়ে ও লিঙ্গ কর্তন করে হত্যা

খালেদা জিয়া মারা গেছেন

জামালগঞ্জে ডেবিল হান্ট অপারেশনে যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

সিংড়া উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত অধ্যক্ষ রকিবুল ইসলাম

কক্সবাজারে অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি: মাঠে নেমেছেন আপেল মাহমুদ

ঘাটাইলে শীতে খেজুর রস খেয়ে তৃপ্তি পাচ্ছে রসপ্রেমীরা

আখাউড়ায় খালেদা জিয়ার দোয়া মাহফিলে বিএনপির এমপি প্রার্থী কবির আহমেদ

মনোনয়ন বৈধ হলেও ধোঁয়াশা: সুনামগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির দুই প্রার্থী ঘিরে আলোচনা

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কমনওয়েলথ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের শোক

সেনবাগ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক বেলাল হোসেন শামীম

সিরাজগঞ্জ–৩ আসনে ১২ দলীয় জোটের চূড়ান্ত এমপি প্রার্থী ড. আব্দুস সামাদ

সেনবাগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৪ ফার্মেসি মালিককে জরিমানা

স্বতন্ত্র প্রার্থী সিগমার শোডাউনে কারণে আতঙ্কে কোমলমতি শিশু ও বৃদ্ধারা

নাইয়ারা দেশ প্রবাস উন্নয়ন ফোরামের চতুর্থ মেয়াদের কমিটি অনুমোদন

চলমান সংকট নিরসনে তৌহিদ ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের বিকল্প নেই শীর্ষক কর্মী সম্মেলন


এই সম্পর্কিত আরও খবর

দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে: তারেক রহমান

নির্বাচনে লেভেলে প্লেয়িং ফিল্ড নেই: নাহিদ ইসলাম

নীরব এলাকা বাস্তবায়নে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হবে: রিজওয়ানা হাসান

ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে নির্বাচন কমিশন: সিইসি

গ্যাস ও এলপিজি সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত

বাইকে কর্মসংস্থান হাজারো তরুণের

রাজনীতিকে ‘সারভাইভাল ম্যানিফেস্টো’র পথে হাঁটার আহ্বান ড. কামরুজ্জামানের

অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান সুজনের

ঢাকায় অপ্রতিরোধ্য অটোরিকশা, কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া বিমানের চেয়েও বেশি

নির্বাচন ঘিরে বডি ক্যামেরা সংকট; দায়িত্বে থেকেও বন্ধ অনেকের ক্যামেরা