
আরফাত হোসেন- বিশেষ প্রতিনিধি:
বিশ্বের যে কোন দেশে চাঁদ দেখার উপর ভিত্তি করে একই দিনে ঈদের আহ্বান জানিয়েছেন শাহ্সুফি মমতাজিয়া দরবার শরীফের পীরে কামেল সৈয়্যদ মুহাম্মদ আলী (মা.জি.আ)। আজ ২০মার্চ সকাল সাড়ে নয়টায় চন্দনাইস্থ কাঞ্চননগর মমতাজিয়া দরবার শরীফ মাঠে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তিনি বলেন, ১০ মহরম শুক্রবার পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার কথা শুনে আসছি তাহলে পৃথিবীতে প্রতিটি দেশে চাঁদের তারিখ যদি ভিন্ন হয়ে থাকে, তাহলে পৃথিবীর প্রতিটি দেশ কি আলাদা আলাদা দিনে আলাদা আলাদাভাবে ধ্বংস হবে?
পবিত্র কোরআনের সূরা বাকারা (১৮৫ ও ১৮৯), সূরা তাওবা (৩৬), সূরা আর রহমান (৫) ও সূরা ইউনুস (৫) আয়াত, সহিহ বুখারি শরীফের ১৯০৯ নম্বর হাদিস এবং সহিহ মুসলিম শরীফের ১০৮১ নম্বর হাদিসসহ দীর্ঘদিনের ফিকহি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চাঁদ দেখার বিধান নির্ধারিত রয়েছে। এছাড়া প্রায় সাড়ে ১৩শ বছরের হানাফি, হাম্বলি ও মালেকি মাযহাবের আলেমদের সিদ্ধান্তের আলোকে ১৯৮৬ সালের অক্টোবর মাসে জর্ডানের আম্মানে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ফিকহ সম্মেলনে বিশ্বের শতাধিক শরীয়াহ বিশেষজ্ঞের মতামতের ভিত্তিতে ওআইসি’র ফিকহ একাডেমি একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোনো একটি দেশে নতুন চাঁদ দেখা প্রমাণিত হলে অন্য মুসলিম দেশগুলোও তা গ্রহণ করতে পারে এবং রোজা শুরু ও শেষ করার বিধান সার্বজনীন। পাশাপাশি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব ও পর্যবেক্ষণকে সহায়ক হিসেবে গ্রহণ করার বিষয়টিও অনুমোদন দেওয়া হয়। একই সাথে দক্ষিণ চট্টগ্রামের ৬০ গ্রামসহ দেশের ২শতাধিক গ্রামে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।




























