
সাইফ উল্লাহ, স্টাফ রিপোর্টার::সুনামগঞ্জে বিভিন্ন উপজেলায় অতিবৃষ্টিতে ধানে পচন ও পাহাড়ি ঢল ও বাঁধ ভেঙে পাকা ধান তলিয়ে যাচ্ছে । আর তাতে রীতিমতো দিশেহারা কৃষক ও কৃষাণীরাচোখের সামনে ডুবে যাওয়া ধান দেখে চাষীদের হাওরে কান্না। চাষিদের প্রাণের ফসল কত্তন করতে ঝুঁকি নিয়ে বুকপানিতে নেমে নিজেরাই ধান কাটছেন। কোনো কোনো স্থানে পানি এত বেশি যে, অতিরিক্ত মজুরি দিয়েও ধান কাটার শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। যেখানে দিনমুজুরী ৬শত টাকা থাকলেও এখন নিচ্ছে ১২ টাকা এতে পাওয়া যাচ্ছেনা প্রকৃতি শ্রমিক। দিশে হারা হয়ে পড়েছে কৃষক ও কৃষাণীরা।আগাম বন্যার বিজ্ঞপ্তি পেয়ে কষ্টের মধ্যেও ধান কাটা সম্ভব হলেও রোদের অভাবে সে ধান শুকাতে পাচ্ছেন না। ফলে চারা গজাচ্ছে ধানে। চাষিরা বলছেন, ‘হাজার দুই হাজার মন ধান পাওয়া কৃষকেরা, আজকে তারা ভিখারি।ইতিমধ্যে বেশ কিছু জায়গায় বেরিবাঁধ ভেঙে গিয়ে হাওরে পানি প্রবেশ করেছে। তাতে শেষ আশাটুকুও চোখের নিমিষে শেষ হয়ে গেছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, শুধু ধর্মপাশায় কয়েক হাজার হেক্টর ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। চাষিরা জরুরি ভিত্তিতে খাদ্য ও নগদ সহায়তার দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং জরুরি প্রয়োজনে ত্রাণ দেওয়া হবে। তবে মুহূর্তের মধ্যে বদলে যাওয়া প্রকৃতি যেন কৃষকের ঘাতক হয়ে দাঁড়িয়েছে।




























