
স্টাফ রিপোর্টার:সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের হাওরঘেরা গ্রাম মন্দিয়াতা,শ্রীয়ারগাঁও ও গোলাবাড়িতে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিনই শিশু, নারী ও বয়স্ক মানুষ কুকুরের কামড়ে আহত হচ্ছেন। এতে পুরো এলাকায় জননিরাপত্তা চরম ঝুঁকিতে পড়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মন্দিয়াতা গ্রামের আবু সাঈদের ছেলে আবু বক্কর, আইমিস মিয়ার ছেলে সিয়াম মিয়া, সাদ্দাম হোসেনের ছেলে সোয়ান মিয়া, পার্শ্ববর্তী শ্রীয়ারগাঁও গ্রামের মকবুল হাসানের ছেলে আবু তাহের এবং গোলাবাড়ি গ্রামের আব্দুল ইসলামের ছেলে তফিক মিয়া কুকুরের কামড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের অনেককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে এবং জলাতঙ্কের টিকা দেওয়া হয়েছে।এলাকাবাসী জানান, সকাল ও সন্ধ্যার সময় দলবদ্ধ কুকুরের কারণে হাওরপাড়ের রাস্তায় চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।স্কুলগামী শিশুদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগে রয়েছেন অভিভাবকরা।শ্রীয়ারগাঁও গ্রামের বাসিন্দা তোফায়েল মিয়া বলেন, “এই পাগলা কুকুরের ভয়ে আমরা এখন আতঙ্কে। রাস্তায় বের হলেই মনে হয় কখন কোন দিক থেকে আক্রমণ করবে।গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা বেড়ে চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কার্যকর কোনো নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে পরিস্থিতি দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।এ অবস্থায় এলাকাবাসী অবিলম্বে মন্দিয়াতা, শ্রীয়ারগাঁও ও গোলাবাড়ি গ্রামে বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণে জরুরি অভিযান চালানো, আক্রান্তদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।স্থানীয়দের মতে,হাওরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের জীবন ও জননিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।




























