
স্টাফ রিপোর্টার: সুনামগঞ্জ-১ আসন—তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, মধ্যনগর ও ধর্মপাশা নিয়ে গঠিত বিস্তৃত হাওরাঞ্চল। নদী, বাঁধ, আগাম বন্যা আর ফসলের সঙ্গে লড়াই করেই এখানকার মানুষের জীবন চলে। এই কঠিন বাস্তবতার মাঝেই উঠে এসেছেন এক নেতা—কামরুজ্জামান কামরুল, যাকে হাওরবাসী ভালোবেসে ডাকে হাওর বন্ধু।কামরুল সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। আগাম বন্যায় বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় রাত জেগে কৃষকের ফসল বাঁচাতে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটিকেই এবার হাওরবাসী তুলে দিয়েছে জাতীয় সংসদের মঞ্চে।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে হাওরাঞ্চলের মানুষ তাকে ভোট দিয়ে বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী করেছে। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ২৬১ ভোট, যেখানে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তোফায়েল আহমদ পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৩৩৪ ভোট। প্রায় ৭৫ হাজার ভোটের ব্যবধান প্রমাণ করে দেয়, এই জয় কেবল রাজনৈতিক নয়—এটি মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন।এই বিশ্বাসের কথা উঠে আসে সাধারণ মানুষের কণ্ঠেও। তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের তেলিগাঁও গ্রামের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভোটার বলেন,আমরা কোনো মার্কা দেখে ভোট দিইনি। আমরা ভোট দিয়েছি একজন মানুষকে—কামরুজ্জামান কামরুলকে। আগেও আমরা তাকে ভোট দিয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বানিয়েছিলাম। তখনও তিনি সবার পাশে ছিলেন। তার কাছে কেউ ছোট-বড় নয়—ধনী-গরিব, দল-মত নির্বিশেষে সবার মূল্য সমান।নির্বাচনের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকাল ১০টা ৪৩ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত এমপিদের সঙ্গে শপথ নেন কামরুজ্জামান কামরুল। সেই মুহূর্তে হাওরের হাজারো মানুষের আশা ও বিশ্বাস যেন সংসদের দেয়ালে প্রতিধ্বনিত হয়।আজ তিনি শুধু একজন এমপি নন—তিনি হাওরের মানুষের আস্থা,অধিকার আর ভবিষ্যতের প্রতীক।হাওরের জল,কাদা আর ঘামের ভেতর গড়া এই মানুষটিই আজ হাওরের কণ্ঠস্বর—কামরুজ্জামান কামরুল।




























